
উদয় চন্দ্রের মতে, সীমান্ত হত্যা, তিস্তার পানি বণ্টন এবং শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে ঢাকার নতুন সরকার জনসমক্ষে আগের চেয়ে আরও কঠোর ও আপসহীন অবস্থান নিতে পারে।

আমেরিকার এআই খাতের অভাবনীয় জয়জয়কার উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোকে এক ধাক্কায় যেন কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ডেটা সেন্টারের জন্য চিপস ও সার্ভার বিক্রির ধুম চলায় তাইওয়ানের উৎপাদন বার্ষিক ১৪ শতাংশের মতো চোখধাঁধানো গতিতে বাড়ছে।

একাধিক আড়তদার জানিয়েছেন, ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে আগের বকেয়া না পাওয়ায় তারাও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। এই শৃঙ্খলের সবচেয়ে দুর্বল প্রান্তে থাকা মৌসুমি ব্যবসায়ী ও এতিমখানা-মাদ্রাসাগুলোই শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ মাশুল দিচ্ছে।

জিয়া হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন, আসল সত্য আসলে উদ্ঘাটিত হওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। জেনারেল মঞ্জুরকে হত্যা করে সেই পথ ৪৬ বছর আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলেছে, এ বছরের হজে প্রায় ১৭ লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের বেশিরভাগই এশিয়া থেকে গিয়েছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসন যদি জোরালো ও বিচক্ষণতার সাথে আলোচনা করে, তবে তারা কিউবানদের একটি বড় উপকার করতে পারে। আর যদি তারা সশস্ত্র শক্তির আশ্রয় নেয়, তবে তা পরিস্থিতিকে আরও অনেক খারাপ করে তুলতে পারে। এবার ট্রাম্প হয়তো ইরানের কাছ থেকে সেই শিক্ষাটি নিয়েছেন।

মুম্বাই থেকে চেন্নাই- পুরো ভারতজুড়ে অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়নের বড় মাশুল গুনতে হচ্ছে দেশের সবচেয়ে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের। নিম্ন আয়ের দলিত পরিবারগুলোর অভিযোগ, এলাকায় ডেটা সেন্টার আসার কারণে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে অথবা জমি বিক্রি করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে।

পিএসসি ২০২৬ আগের চেয়ে বেশি বিনিয়োগবান্ধব হয়েছে বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতাও এতে প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করেন তারা। কিন্তু বড় প্রশ্ন হলো, এই পরিবর্তন কি যথেষ্ট?

দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, ভোক্তাদের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যসচেতনতাও পেপসিকে বেশ ভোগাচ্ছে। অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়ে অস্বস্তি যেমন স্ন্যাকস ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, তেমনি ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তাও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের পর আরও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জানুয়ারিতে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় ন্যাটোর কিছু সদস্য আশঙ্কা করছেন, রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাত হলে যুক্তরাষ্ট্রকে তারা পাশে না-ও পেতে পারে, পাশাপাশি ন্যাটোর পদক্ষেপেও বাধা দিতে পারে দেশটি।

পেট্রোবাংলার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১ জুন থেকে প্রমোশনাল ডেটা প্যাকেজ বিক্রি শুরু হবে। জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে রোড শো, দূতাবাসভিত্তিক প্রচার এবং আন্তর্জাতিক প্রেস ব্রিফিং আয়োজন করা হবে।

ক্রিস স্মিথ ভারতকে একটি চরম ঐতিহাসিক ভুলের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, অতীতে ঠিক এই একই দমনমূলক পথ অবলম্বন করেছিল সোভিয়েত রাশিয়া, কমিউনিস্ট চীন এবং অন্যান্য একনায়কতান্ত্রিক কমিউনিস্ট সরকারগুলো, যারা চার্চ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি জবরদস্তিমূলকভাবে জাতীয়করণ করেছিল।

আলী বাকির এই ঘটনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে দেখিয়েছেন যে, নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকে এমন গোপন সফর ফাঁসের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে ২০২০ সালের শেষের দিকে তিনি সৌদি আরবের নেওম শহরে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে তার একটি গোপন বৈঠকের খবর একইভাবে ফাঁস করে দিয়েছিলেন।

অন্য দিকে, সৌদি আরবও নিজে এই মুহূর্তে অত্যন্ত সাবধানে পা ফেলছে। কারণ যুদ্ধপরবর্তী এই নাজুক পরিস্থিতিতে ইরানের সাথে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে জড়ানো ওয়াশিংটনের সাথে তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি করতে পারে বা মার্কিন নিরাপত্তা বলয় থেকে দূরে সরে যাওয়ার তকমা এনে দিতে পারে।

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে মন্ত্রী পর্যায়ে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এখন পর্যন্ত প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী বলেছে, তারা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় এককভাবে নির্বাচন করবে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ১৮০টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৮০ জন ভুক্তভোগী ১৮ বছরের নিচে এবং অন্তত ৫৬ জনের বয়স ১২ বছরেরও কম। ২০২৪ সালে ধর্ষণের শিকার হয়েছিল ৪০১ নারী ও শিশু, যার মধ্যে ১৬৪ জন ছিল শিশু।

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে এখনো গাছের নিচে বা মাটির ওপর দাগ কেটে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে ‘বাঘবন্দী’ খেলতে দেখা যায়। যদিও আজকাল এই দৃশ্য বিরল। অনেকেই ছেলেবেলায় এই খেলা খেলেছেন। প্রচণ্ড গরমে গাছের নিচে বসে খেলা হতো বাঘবন্দী। আবার বৃষ্টির দিন বাইরে অন্য কোনো খেলার সুযোগ না থাকলে ঘরের কোণা বা বারান্দায় বসেও

ডলার বর্জন, জ্বালানির নতুন বাজার তৈরি এবং যৌথ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মস্কো ও বেইজিং কেবল নিজেদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাই নিশ্চিত করছে না, বরং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে আমেরিকার একক আধিপত্যের বিপরীতে এক শক্তিশালী বিকল্প মেরু গড়ে তুলছে।

বর্তমানের পরিবর্তনশীল এবং চরম ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিপর্যস্ত বিশ্বব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ও ইতিবাচক গতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে চীন ও রাশিয়ার মধ্যকার সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব এক অনন্য নোঙর হিসেবে কাজ করছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রত্যাশা

২০০৩ সালের মুলতান টেস্টের শেষ দিনের খেলা শুরুর আগেই বাংলাদেশে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ক্রিজে ইনজামাম-উল-হকের মতো ব্যাটসম্যান থাকলেও পাকিস্তান যে ম্যাচটা জিতে যেতে পারে, সেই বাস্তবতা যেন সবাই ভুলেই গিয়েছিল।

রাশিয়ার আছে বিপুল জ্বালানি, খনিজ, কৃষি সম্পদ ও নিরাপদ ভূখণ্ড। চীনের আছে বিশ্বের বৃহত্তম শিল্প উৎপাদন ক্ষমতা, প্রযুক্তি, পুঁজি ও বিশাল বাজার। দুই দেশ আলাদা আলাদা শক্তির অধিকারী। কিন্তু একত্রে তারা একটি বড় কৌশলগত ব্লকে পরিণত হতে পারে। এই কারণেই পশ্চিমা উদ্বেগ বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করতে যাচ্ছেন।