
জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা সংহতকরণের এই পথ মৃসণ ছিল না। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর ৯ অক্টোবর থেকে তার বিরুদ্ধে একের পর এক সামরিক অভ্যুত্থানের (ক্যু) চেষ্টা হয়।

যে মানুষ বৈধ কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও জীবিকার তাগিদে ভারতে গেছেন, ভারত সরকার না হয় তাদের দায়িত্ব অস্বীকার করল। কিন্তু যারা ভারতে জন্ম নিয়েছেন, তাদের কোন আইনে তারা ফেরত পাঠাবে?

তাই আমাদের অবশ্যই সিজেপি’র প্রতি প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য প্রচলিত রাজনৈতিক স্বার্থপরতা, রাজনৈতিক নিষ্ঠুরতা, কৌশলগত দূরত্ব বজায় রাখা কিংবা সস্তা ও সাময়িক নির্বাচনী জোটের রাজনীতির বাইরে গিয়ে একটি সম্পূর্ণ নতুন পথ খুঁজে বের করতে হবে।

তবে কি আমাদের বাংলাদেশ ‘শিশুহত্যার দেশ’ হিসেবেই পরিচিতি পাবে বিশ্বে? আমরা কি এতটা নিষ্ঠুর পরিচয়কেই গলার হার বানাতে চাই? এত এত উন্নয়নের বুলির পাশে সেটি কি মানাবে? মনে রাখা জরুরি, এ দায় কিন্তু চাপবে এই দেশ, দেশ চালানো সরকার এবং দেশে থাকা জনতার ঘাড়েই!

গত দুই মাসে বাংলাদেশে উগ্র জনতার হামলায় অন্তত দুটি সুফি মাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ঘটনাটি ঘটে গত ১১ এপ্রিল। ওই দিন কুষ্টিয়ায় একটি মাজারে একদল উত্তেজিত জনতা হামলা চালায় এবং এক পীরকে পিটিয়ে হত্যা করে। এরপর, গত ১৪ মে ঢাকার মিরপুরে হযরত শাহ আলী বাগদাদীর শতাব্দী প্রাচীন মাজারে হামলা চালায়।

এই অস্থির সময়ে অসীমান্তিক নজরুল চর্চা জরুরি। কারণ তার সাহিত্য ও দর্শন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাহক। দিকে দিকে মৌলবাদ যেভাবে মাথাচড়া দিচ্ছে তার বিরুদ্ধে নজরুল ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত ভেদাভেদ ভুলে মানবমুক্তির জয়গান গেয়েছেন।

দাদা চলে গেলেন মসজিদের পথে, আমি মাঠের দিকে হাঁটতে হাঁটতে ভাবতে লাগলাম౼দাদার বয়স এখন বিরাশি বছর। এত বছর পরেও সবকিছু কী নিখুঁতভাবে মনে রেখেছেন, ভাবতেই অবাক লাগে! অথচ আমার স্কুলের পড়াই মনে থাকে না।

১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কাজী নজরুল ইসলামের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার নজরুলকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।

ঠিক কী কী কারণে নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়ছে? এমন প্রশ্ন তুললে সঙ্গে সঙ্গেই একগাদা উত্তর ছুটে আসবে। এর মধ্যে থাকবে–বিচারহীনতার সংস্কৃতি বা দীর্ঘসূত্রি বিচার, পুরুষ বাদে অন্য লৈঙ্গিক পরিচয়কে দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রণির নাগরিক হিসেবে বিবেচনা, সমাজ ও রাষ্ট্রের পৌরষিক সত্তাসহ আরও অনেক কিছু

একটি নতুন রাজনৈতিক দলের আবির্ভূত হওয়ার মতো যথেষ্ট জায়গা এখন রয়েছে। এমনকি যদি সেটি একটি তেলাপোকার রূপ ধারণ করে বা পোশাকে সেজেও আসে।

কাজী নজরুল ইসলাম কি শুধুই একজন মুসলিম কবি? নজরুলের ধর্মবোধটি আসলে কেমন ছিল? আর যারা তাকে নিয়ে রাজনীতির ছকটি কষে, তাদের নিয়ে তার মনোভাবই বা কী ছিল? নজরুলকে কেন্দ্র করে ’৪৭-এর রাজনীতির নবায়ন করার চেষ্টা কি হচ্ছে?

দেশে ধর্ষণের মতো ঘটনা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে–বললে কি ভুল বলা হবে? মনে হয় না। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে বিষয়টি হয়তো বোঝা যাবে। পাশাপাশি আরেকটি প্রশ্নও তোলা দরকার যে, ধর্ষণ বা এ ধরনের ঘটনা আলোড়ন তোলার পর বিচারের দাবির নামে যেসব প্রস্তাব আসছে–তা কি অনেকটা লোকরঞ্জনবাদে আক্রান্ত?

প্রায়ই বলা হয়ে থাকে যে, যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো দেশের সঙ্গে সহজে ডিল করতে পারে না, যারা তাদের আনুষ্ঠানিক মিত্র বা বন্ধু নয়। আর ভারত সবসময় নিজের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বা সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করে এসেছে।

আমরা কি কেবল ভবন তুলব, নাকি ভবিষ্যৎ গড়ব? ক্ষমতায় ময়দান বানাবো নাকি জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র বানাব? উত্তর পেতেই হবে। অন্যথা নয়। কারণ সত্যটি নির্মম–বিশ্ববিদ্যালয় দুর্বল হলে, জাতিও দুর্বল হবে।

অপরাধীর বিচার এবং সেই বিচারের রায় থেকে শুরু করে বিচিত্র সব সাজার তালিকা দেওয়া থেকে শুরু করে সাজা কার্যকরের নানা তরিকা পর্যন্ত বাতলে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আজকের দুনিয়ার পুলিশ, গোয়েন্দা, বিচারালয় থেকে শুরু করে কবরখানা পর্যন্ত সবকিছুই তো এখন সামাজিক মাধ্যম। কে তাকে রুখবে?

রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিদ্যুৎ খাতের জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য

আওয়ামী লীগকে রাজনীতিকে ফিরে আসতে হলে প্রথমত সবকিছুর পেছনে ষড়যন্ত্র না খুঁজে চব্বিশের বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। দ্বিতীয়ত কাদের ভুলে ও অবিমৃশ্যকারিতায় এই বিপর্যয় ঘটেছে, তাও খুঁজে বের করতে হবে

মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্রের নৈতিক কাঠামো একবার পুরোপুরি ভেঙে পড়লে শুধু আইন দিয়ে তা আর মেরামত করা যায় না। আসলে এই দেশের, সমাজের ভেতরে অসুখ হয়েছে। বহুকাল ধরেই, এখানে মৃত্যু শুধু দেহের শেষ নয়;

রামিসার হত্যাকাণ্ড চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, এসব শেখানো-পড়ানোতেও সব সময় রক্ষা হয় না। কারণ অপরাধীরা প্রতিনিয়ত সাপের খোলসের মতো পদ্ধতি বদলাচ্ছে। তবে হ্যাঁ, লাভ হতো, যদি আমরা সমাজটাকে শেখাতে পারতাম, শোধরাতে পারতাম।

উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ বাড়ে, বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান হয়, কর্মসংস্থান হলে বেকার কমে, বেকার কমলে দারিদ্র্য হ্রাস পায়।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নামমাত্র প্রচারেই দায় সেরেছেন। পশ্চিমবঙ্গ বাদ দিলেও অন্য রাজ্যেও কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি বা প্রচারের জৌলুস বিজেপির তুলনায় নিমিত্ত মাত্র।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভিয়েতনামের মাই লাই গণহত্যার ঘটনা সারা বিশ্বের মানুষকে আলোড়িত করেছিল। ভিয়েতনাম যুদ্ধ চলাকালে ১৯৬৮ সালের ১৬ মার্চ তৎকালীন দক্ষিণ ভিয়েতনামের মাই লাই গ্রামে আমেরিকান সেনাবাহিনীর একটি দল নিরস্ত্র নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ কয়েক শ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিল।