
ভারত ও পাকিস্তানে গরম যখন মৃত্যুসম
এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

আপনি যদি এখনো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র নাম না শুনে থাকেন, তবে বলতেই হয় যে আপনি বাইরের দুনিয়া থেকে একদম বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন! ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নাকি এক মন্তব্যে বেকার যুবকদের তেলাপোকার সাথে তুলনা করেছিলেন- আর এই খবর ছড়াতেই ইন্টারনেটে রাতারাতি জন্ম নেয় এক ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল। আর এখন শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিনোদন দুনিয়ার তারকারাও নাম লেখাচ্ছেন এই দলে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দলটির অফিশিয়াল পেজের অনুসারীর সংখ্যা এরইমধ্যে ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর এই অনুসারীদের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন নামী-দামী সব তারকারা। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা অনুরাগ কশ্যপ, অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মা এবং এষা গুপ্তার মতো ব্যক্তিত্বরা ইতিমধ্যেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি-র ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল ফলো করা শুরু করেছেন।
টেলিভিশন দুনিয়ার চেনা মুখ উমর রিয়াজ, অভিষেক নিগম, উরফি জাভেদ, নাগমা মিরাজকার, পুরাভ ঝা, শফাক নাজ এবং শীজান খানও রয়েছেন এই তালিকায়। এমনকি জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা কুনাল কামরা এবং পাঞ্জাবি গায়িকা-অভিনেত্রী হিমাংশি খুরানাও মেতে উঠেছেন এই সোশ্যাল মিডিয়া উন্মাদনায়।
আসলে কী এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’?
ঘটনার সূত্রপাত প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে, যেখানে তিনি পরোক্ষভাবে বেকার যুবকদের তেলাপোকার সাথে তুলনা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই গত ১৬ মে অভিজিৎ দিপকে নামের এক যুবক অনলাইনে জন্ম দেন এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলের। এক্স (সাবেক টুইটার) ও ইনস্টাগ্রামে আসার পর থেকেই ঝড়ের গতিতে বাড়তে থাকে এর জনপ্রিয়তা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানেই দলটির ঝুলিতে জমা হয় লাখ লাখ অনুসারী। যা শুরু হয়েছিল স্রেফ একটা ইন্টারনেট কৌতুক হিসেবে, তা-ই এখন রূপ নিয়েছে এক ভাইরাল রাজনৈতিক আন্দোলনে।

মাত্র দু-এক দিনের মধ্যেই এটি আজকের জেন-জি’র নতুন ইন্টারনেটের খোরাক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইনস্টাগ্রাম রিলস, এক্স এবং বিভিন্ন মিম পেজে এখন যুবসমাজের একটাই উন্মাদনা। মজার ছলে সবাই এই কাল্পনিক রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন। এমনকি নিজেদের বিচিত্র ও অদ্ভুত সব ‘দক্ষতা’র কথা উল্লেখ করে দলের শীর্ষ পদের জন্য নিজেদের ‘যোগ্য প্রার্থী’ বলেও দাবি করছেন অনেকে।
ককরোচ জনতা পার্টির অন্দরমহল
অভিজিৎ দিপকের এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য রয়েছে বিশেষ চার দফা যোগ্যতা। আপনি যদি বেকার, অলস, সারাক্ষণ ইন্টারনেটে মজে থাকা ‘ক্রনিক্যালি অনলাইন’ এবং পেশাদারদের মতো ঘ্যানঘ্যান বা ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারেন—তবেই আপনি এই দলের যোগ্য সদস্য!
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ দলটির মূলমন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে: “তরুণদের দ্বারা, তরুণদের জন্য, তরুণদের একটি রাজনৈতিক মঞ্চ। ধর্মনিরপেক্ষ—সমাজতান্ত্রিক—গণতান্ত্রিক—অলস।” অন্যদিকে ইনস্টাগ্রামে দলটি নিজেদের পরিচয় দিয়েছে “অলস এবং বেকার তেলাপোকাদের একটি ইউনিয়ন” হিসেবে, যেখানে যোগ দেওয়ার জন্য জেন-জি বন্ধুদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে দলটির এই মজার অবয়বের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ক্ষুরধার রাজনৈতিক বার্তা। মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ, বর্তমান করপোরেট গণমাধ্যমের মেরুদণ্ডহীন ভূমিকা এবং অবসরের পরপরই বিচারপতিদের সরকারি পদে নিয়োগের মতো সংবেদনশীল ও বিতর্কিত বিষয়গুলোকে অত্যন্ত চতুরতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে সিজেপি-র ইশতেহারে।
দলটির প্রতিষ্ঠাতা দিপকে জানান, প্রথম পোস্ট করার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি এই কাল্পনিক দলটিকে অনলাইনে দাঁড় করিয়ে ফেলেন। আর এর রূপরেখা ও ইশতেহার তৈরিতে তিনি ব্যবহার করেছেন চ্যাটজিপিটি এবং ক্লড এর মতো আধুনিক এআই প্রযুক্তির সাহায্য। বিশ্বজুড়ে মূলধারার রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ব্যঙ্গ, বিদ্রূপ এবং উদ্ভট কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যে বৈপ্লবিক ‘কাউন্টার-কালচারাল’ বা প্রতি-সংস্কৃতি আন্দোলনের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে, দিপকের এই উদ্যোগ যেন তারই এক আধুনিক ডিজিটাল সংস্করণ।

এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

বিশ্বকাপ জেতা দল শিরোপা ধরে রাখতে পারে না ৬৪ বছর ধরে। এবার আর্জেন্টিনা সব শঙ্কা পেছনে ফেলে সেই ইতিহাস বদলাতে পারবে কিনা, সেই প্রশ্ন সময়ের হাতেই!

একসময় কোরবানির ঈদের দিন বিকেলের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা শহর, হাট-বাজার ও মহল্লায় কাঁচা চামড়ার নগদ বেচাকেনা শেষ হয়ে যেত। মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা কিংবা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানতেন—চামড়া হাতে মানেই নগদ টাকা। দাম নিয়ে কিছু দর-কষাকষি থাকলেও বাজারে ক্রেতা থাকত, নগদ অর্থ থাকত, এবং দ্রুত চামড়া সংগ্রহ করে আড়

প্রধানত শিয়া মুসলমানরা ‘ঈদুল গাদির’ পালন করে। তাদের কাছে অন্য দুই ঈদের চেয়েও এই ঈদ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আশুরার পরই এই দিনটির অবস্থান। ঈদুল আজহা তো পালিত হয় জিলহজ মাসের দশম দিনে, ঈদুল গাদির পালিত হয় একই মাসে, ১৮তম দিনে। ঈদুল গাদিরে অবশ্য পশু কোরবানি দেওয়া হয় না। মূলত বিশেষ নামাজ আদায় ও রোজা রাখা হয়।