
ভারত ও পাকিস্তানে গরম যখন মৃত্যুসম
এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট। গুয়াহাটি টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৪০৮ রানে হার বড় ঘটনা, সন্দেহ নেই। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটের খারাপ সময়টা নিছকই একটা টেস্ট হারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটির ব্যপ্তি অনেকটাই। গুয়াহাটি টেস্টের আগে কলকাতাতেও মোটামুটি সহজেই সিরিজের প্রথম টেস্টটা হেরেছে ভারত। গুয়াহাটির শ চারেক ব্যবধানে হারটা ২৫ বছর পর ঘরের মাঠে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সিরিজ হারটা নিশ্চিত করেছে। হার, বাজে ফর্ম, এসব ছাপিয়েও ভারতীয় ক্রিকেটে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি যেটি চোখ রাঙাচ্ছে, সেটি দলের মধ্যে অস্থিরতা। আর এই অস্থিরতার কেন্দ্রে আছেন কোচ গৌতম গম্ভীর।
গৌতম গম্ভীর কোচ হওয়ার পর ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্থিতিটা নষ্ট হয়ে গেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। যে সৌরভ গাঙ্গুলী গম্ভীরকে কোচ করার ব্যাপারে রীতিমতো ওকালতি করেছিলেন, তিনিও জিভ কামড়ে বলছেন, ‘সত্যিই বড় ভুল হয়ে গেছে।’ গম্ভীর দলে যা শুরু করেছেন, এরপরই সৌরভের বোধদয়। ভারতের সাবেক অধিনায়ক খুব সম্ভবত ভারতীয় দলের বর্তমান অবস্থার সঙ্গে নিজের সময়ের ‘গ্রেগ চ্যাপেল জমানার’ বেজায় মিল খুঁজে পাচ্ছেন।

গ্রেগের সঙ্গে লেগেছিল সৌরভের। ২০০৫ সালের কথা। ফলশ্রুতিতে অধিনায়কত্ব হারাতে হয় তাঁকে। গম্ভীর কোচ হওয়ার পর দলে থাকা তারকা বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, রবিচন্দ্রন অশ্বিনদের জীবন কঠিন করে দিয়েছিলেন। সে কারণেই তিনজনই বিদায় নিয়েছেন। ভারতীয় পত্র–পত্রিকায় যেসব কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, তাতে বলে দেওয়াই যায়, কোহলি, রোহিত, অশ্বিনদের সঙ্গে গম্ভীরের মিলমিশটা ঠিকঠাক হচ্ছিল না। দলের মধ্যে তারা নাকি যথাযথ সম্মানটা পাচ্ছিলেন না। সে কারণে মানে মানে বিদায় নিয়েছেন।
কিন্তু গম্ভীরের সঙ্গে কী সমস্যা হচ্ছিল তাদের? ভারতের বেশ কিছু শীর্ষ সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যায়, গম্ভীর নাকি দলে ‘তারকা সংস্কৃতির’ অবসান ঘটাতে চেয়েছেন। মানে তিনি এমন একটা দল গড়তে চেয়েছিলেন, তাতে সবাই সমান। সেটি করতে গিয়ে ক্রিকেটারদের স্ত্রী–সন্তানদের দলের সঙ্গে বিদেশ ট্যুর বন্ধ করেছিলেন। বিদেশ সফরে গিয়ে আলাদা গাড়ি এমনকি দলের মধ্যে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত রান্নার লোক রাখাও বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তবে তিনি এসব করে দলকে এক সুতোয় গাঁথতে পারেননি, সেটি পরিস্কার। কোহলি, রোহিতরা বিদায় নেওয়ার পর তাদের কোনো বিকল্পও গম্ভীর তৈরি করতে পারেননি। পুরো বিষয়টির সঙ্গে এ শতকের শুরুর দিকে গ্রেগ চ্যাপেলের কোচ থাকার সময়টির রয়েছে আশ্চর্য মিল। ভারতীয় ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের কথা, গ্রেগের সঙ্গে গম্ভীর জমানা মিলে যাওয়ার সবচেয়ে খারাপ দিক যেটি, সেটি হচ্ছে দলটাই নষ্ট হয়ে যাওয়া।

গ্রেগ চ্যাপেলের উলট–পুরানের ধাক্কা সামলাতে ভারতীয় দলের লেগেছিল তিন/চার বছর। সবার শঙ্কা, গম্ভীরের এই সময়ও ভারতীয় দল অমন একটা বাজে সময়ের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। সে কারণেই ঘরের মাঠে সর্বশেষ ৭ টেস্টের ৫টিতেই হেরেছে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইট ওয়াশ হতে হয়েছে। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হার (রানের ব্যবধানে) দেখতে হচ্ছে সবাইকে।
গম্ভীর দলের মধ্যে পরীক্ষা–নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু পরীক্ষা–নিরীক্ষায় কাজ হচ্ছে বলে মনে করেন না কেউই। দলের ব্যাটিং অর্ডারে স্থিতি নেই, একেক ম্যাচে একেকজন একেক জায়গায় খেলছেন। জোর করে কাউকে কাউকে নির্দিষ্ট কোনো ভূমিকা পালনের জন্য পাঠানো হচ্ছে। দিন শেষে এসবে গম্ভীর সফলতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। মানে তাঁর সব পরীক্ষা–নিরীক্ষা ব্যর্থ চূড়ান্তভাবেই।

এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

বিশ্বকাপ জেতা দল শিরোপা ধরে রাখতে পারে না ৬৪ বছর ধরে। এবার আর্জেন্টিনা সব শঙ্কা পেছনে ফেলে সেই ইতিহাস বদলাতে পারবে কিনা, সেই প্রশ্ন সময়ের হাতেই!

একসময় কোরবানির ঈদের দিন বিকেলের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা শহর, হাট-বাজার ও মহল্লায় কাঁচা চামড়ার নগদ বেচাকেনা শেষ হয়ে যেত। মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা কিংবা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানতেন—চামড়া হাতে মানেই নগদ টাকা। দাম নিয়ে কিছু দর-কষাকষি থাকলেও বাজারে ক্রেতা থাকত, নগদ অর্থ থাকত, এবং দ্রুত চামড়া সংগ্রহ করে আড়

প্রধানত শিয়া মুসলমানরা ‘ঈদুল গাদির’ পালন করে। তাদের কাছে অন্য দুই ঈদের চেয়েও এই ঈদ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আশুরার পরই এই দিনটির অবস্থান। ঈদুল আজহা তো পালিত হয় জিলহজ মাসের দশম দিনে, ঈদুল গাদির পালিত হয় একই মাসে, ১৮তম দিনে। ঈদুল গাদিরে অবশ্য পশু কোরবানি দেওয়া হয় না। মূলত বিশেষ নামাজ আদায় ও রোজা রাখা হয়।