
জাতীয় পার্টির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির হয়ে ১৯৬ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। তবে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণার জন্য দলীয়ভাবে কোনো অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

দলটির নির্বাচনী ইশতেহার ডিজাইন ও ছাপা, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, আপ্যায়ন, নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহন, কেন্দ্রীয় নেতাদের সফর এবং আইসিসিতে বিজ্ঞাপনের খরচ হিসেবে এই ব্যয় দেখিয়েছে।

এতদিন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধনের সময় কেবল মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক বা স্নাতকোত্তর—এ ধরনের সাধারণ স্তরভিত্তিক শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করা হতো। নির্দিষ্ট কোনো ডিগ্রির নাম আলাদাভাবে যুক্ত করার সুযোগ ছিল না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মনিরা শারমিন বলেন, তার প্রার্থিতা বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন, যার শুনানি আগামীকাল সোমবার। সে পর্যন্ত ইসিকে গেজেট প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান মনিরা।

মঈন উদ্দীন খান বলেন, “নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (প্রত্যাহারের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা) কোনো প্রার্থী প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। শূন্য পদের সমান পদে মনোনয়নপত্র হওয়ায় আইন অনুযায়ী আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) গেজেট প্রকাশ করব।”

২২ এপ্রিল নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট দেরিতে জমা দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি।

এনসিপির এই নেত্রী বলেন, “সরকারি চাকরি হিসেবে আমি যে পর্যায়ে কাজ করেছি, সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো ক্ষমতা ছিল না। কাজেই আমি মনে করি না যে এটা মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার মতো।”

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর অধীনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হয়। ওই আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও)-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।

ইসি ৮ এপ্রিল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে, যেখানে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ মে।

একই বিষয়ে গত ৩ মার্চ জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের চিঠি কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

আসন্ন উপ-নির্বাচন ও শূন্য আসনের ভোটগ্রহণ উপলক্ষে বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ নির্বাচনি এলাকায় আগামী ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তিনি জানান, আগে বগুড়া–৬ আসনে গণভোট নেওয়া হয়েছিল। তবে শেরপুর-৩ আসনে গণভোটের ভোটসংখ্যা নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে এবার গণভোটের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

নির্বাচনার কমিশনার (ইসি) আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, ঈদের পর থেকে সারা বছর ধরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে।

ত বৃহস্পতিবার রাতে ইসি সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে জানায়, আগে ঘোষিত হিসাবের তুলনায় মোট প্রদত্ত ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি। কমেছে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—দুই পক্ষের ভোটসংখ্যাও; বেড়েছে বাতিল ভোট।

ভোট কমার বিষয়ে জানতে চাইলে আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, “তখন করণিক ভুল ছিল, ট্রান্সপজিশন এরর ছিল।”

রফিকুল আমীন বলেন, “আমাদের যথাযথ কমিটি ও কার্যালয় রয়েছে। আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন সত্য উদঘাটন করবে এবং আমরা ন্যায়বিচার পাবো।”

বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসন বেছে নেওয়ায়। অন্যদিকে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত হয়েছিল প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে।

গণভোট প্রসঙ্গে ইসি সচিব জানান, শেরপুর-৩ আসনে গণভোটের প্রয়োজন নেই, কারণ আইন অনুযায়ী পূর্ববর্তী গণভোটের ব্যবধানজনিত কারণে এই আসনে তা বাধ্যতামূলক নয়।

সংসদ সচিবালয় যে তালিকা পাঠিয়েছে, তাতে মোট ভোটার সংখ্যা ২৯৬ জন। এখন ইসি আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

বিভিন্ন মহলের সমালোচনার জবাবে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ১১ ডিসেম্বর রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছে বলেই আমি এ অবস্থানে আছি।”