
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা দাবি করেন, জি. এম. মোর্ত্তজা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়মিত অফিস তো করতেনই না, বরং তৎকালীন উপাচার্যরা তাকে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করতেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম ‘লিংকার্স’সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন তারা। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গা থেকে নিয়োগ পাওয়া এ উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে পারবেন তো? এমন প্রশ্ন অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের।

মামুন অর রশিদ এর আগেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মো. ফরাসউদ্দিন, উপাচার্য ড. শামস রহমান, উপ-উপাচার্য ড. আশিক মোসাদ্দিক এবং কোষাধ্যক্ষ এয়ার কমোডর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অর্থদপ্তরের প্রধান সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, “শিক্ষকদের অনুরোধে আমরা বের হয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ের দিকে যাচ্ছি। উপাচার্য যত সময় পর্যন্ত আমাদের ছুটি না দেবে, তত সময় পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করব।”

এ জব ফেয়ারে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিকম, তথ্যপ্রযুক্তি, হাসপাতাল, হোটেল, ইলেকট্রনিক্স, রিয়েল এস্টেট ও ওষুধ শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের ৫৫টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

‘‘৫ আগস্টের পর থেকে শিবির কোভার্ট পলিটিক্স করেছে, যেটা ডাকসুতেও দেখেছি…। কিন্তু দিনের পর দিন যখন এই মুখোশটা খসে পড়তে শুরু করল, তখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়। এই অবিশ্বাসের ফলে ধীরে ধীরে সম্পৃক্ততা কমে যায়।”

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম. নজিম এ. চৌধুরী। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা-নির্ভর সিদ্ধান্ত এবং উদ্ভাবন চিন্তাধারা ব্যাংকিং খাতকে দ্রুত বদলে দিচ্ছে।

অন্যদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।”

অনুষ্ঠিত এ ভর্তি পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি স্কুলের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি হতে প্রায় ১,১০০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ দপ্তর থেকে চলতি মাসে দুই দফায় মোট ১ কোটি ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৭০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং সমাপনী বক্তব্য দেন আইআরটি পরিচালক অধ্যাপক ড. হাসনাত এম. আলমগীর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তৌফিক আলম জানান, পদোন্নতি নিয়ে ইউজিসির আপত্তির কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তিনি ক্লাস-পরীক্ষা চালু রেখে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান।

এর আগে, গত ১১ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ শিক্ষকের পদোন্নতির জন্য শিক্ষকেরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে উপাচার্যের গাফিলতিকে দায়ী করে। সমস্যা সমাধানের জন্য পাঁচ কর্মদিবসের সময় দেওয়া হয়।

প্রফেসর সোবহানী তার বক্তব্যে আমন্ত্রণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং নতুন গ্র্যাজুয়েটদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুসারীদের প্রাধান্য দিয়ে এই নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। নিয়োগ চলাকালীন স্বজনপ্রীতিসহ আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ (ঢাবি) দেশের ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি অশান্ত হতে পারে আবার? হলগুলো অশান্ত হলে দেশের রাজনীতি ফের অশান্ত হবে? কোন পদক্ষেপ না নিলে বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত রাখা যেত না? চরচার এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদায়ী উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি অশান্ত হতে পারে আবার? হলগুলো অশান্ত হলে দেশের রাজনীতি ফের অশান্ত হবে? কোন পদক্ষেপ না নিলে বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত রাখা যেত না? চরচার এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদায়ী উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান

নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হলেও আপগ্রেডেশনের পর ৭৫ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের চরম গাফিলতি দেখা গেছে। ফলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে পেশাগত অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি অশান্ত হতে পারে আবার? হলগুলো অশান্ত হলে দেশের রাজনীতি ফের অশান্ত হবে? কোনো পদক্ষেপ না নিলে বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত রাখা যেত না? চরচার এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদায়ী উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান