
মুম্বাই থেকে চেন্নাই- পুরো ভারতজুড়ে অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়নের বড় মাশুল গুনতে হচ্ছে দেশের সবচেয়ে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের। নিম্ন আয়ের দলিত পরিবারগুলোর অভিযোগ, এলাকায় ডেটা সেন্টার আসার কারণে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে অথবা জমি বিক্রি করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানের শীর্ষ এআই মডেলগুলো সত্যিই অবিশ্বাস্য। মানুষ এক বছর আগে যা অনুমান করেছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল কোডিংয়ের কাজ এগুলো এখন নিমেষেই সমাধান করতে পারে। এআই এজেন্টের সংখ্যা এখন দ্রুত হারে বাড়ছে।

সাফল্যের কারণে তৈরি হওয়া এসব সমস্যা হয়তো স্যামসাংয়ের কাছে এক দিক থেকে স্বস্তির। কারণ ব্যবসা ভালো চলছে। তবে দিনশেষে এগুলোও কিন্তু বড় ধরনের সমস্যাই।

গণমাধ্যমে কল্যাণমুখী স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্বের কোনো বিরোধ নেই। নৈরাজ্যপূর্ণ স্বাধীনতা অর্জিত সভ্যতাকেও ধ্বংস করতে পারে।”

নতুন মডেল গুলোর মধ্যে রয়েছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) সম্পন্ন এবং ৮ ও ৯ কেজি ধারণক্ষমতার টপ-লোডিং ওয়াশিং মেশিন। এআই ফিচারের এই মডেলটি কাপড়ের ধরন ও ওজন বুঝে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপযুক্ত ওয়াশ সেটিং নির্বাচন করে ব্যবহারকারীদের দেয় আরও স্মার্ট ও ঝামেলামুক্ত কাপড় ধোয়ার অভিজ্ঞতা।

রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়েতে এআই ক্যামেরা চুরি হওয়ার ঘটনাটি ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, সেখানে কোনো এআই ক্যামেরা স্থাপনই করা হয়নি। ভিডিও: হাসান জোবায়েদ সজিব

ওসি জানান, বর্তমানে ডিএমপির উদ্যোগে শুধুমাত্র শাহবাগ থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত কিছু এআইভিত্তিক ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করা হয়েছে। অন্য কোনো সড়কে এখনো এ ধরনের ক্যামেরা বসানো হয়নি।

ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে বসানো হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি এআই ক্যামেরা। নিয়ম ভঙ্গ করলেই এই ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত হয়ে যাচ্ছে যানবাহন, আর সরাসরি পাঠানো হচ্ছে মামলা।

লন্ডনভিত্তিক স্টার্টআপ ‘হিউম্যানয়েড’ এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ‘মস্তিষ্ক’ তৈরি করেছে, যা রোবটকে মাসের বদলে মাত্র কয়েক দিনেই নতুন শারীরিক দক্ষতা শেখাতে পারে।

রাজধানীতে যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তা নেওয়ার পর থেকে প্রায় ৩০০টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুত করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থা বেলিংক্যাটের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এআই ব্যবহার করে মুসলিম ও বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক কনটেন্ট ছড়িয়েছে। আসামে বিজেপির প্রকাশিত ২৪টি এআই-নির্মিত পোস্টে বিদ্বেষমূলক বার্তা পাওয়া গেছে।

আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও বিদ্বেষমূলক প্রচারের অভিযোগ উঠেছে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির বিরুদ্ধে।

সপ্তদশ শতাব্দীর কিংবদন্তি নাট্যকার মলিয়েরের মৃত্যু হয়েছে কয়েকশ বছর আগে, কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) কল্যাণে ভার্সাইয়ের মঞ্চে ফিরছে তাঁর এক একদম নতুন নাটক।

বিশ্বের বড় দুই ব্যাংকের এই ভিন্ন অবস্থান একটি বড় প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে- এআই এর পর কি তবে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-ই হতে যাচ্ছে পরবর্তী বড় বিপ্লব? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তি ওষুধ আবিষ্কার থেকে শুরু করে অর্থ বিনিয়োগের ঝুঁকি কমানো পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকার মুনাফা এনে দিতে পারে।

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকাকে ভার্চ্যুয়াল জগতে তুলে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন তিন শিক্ষার্থী—মো. নাবিল ইসলাম, তানজিম আবরার ও রাফিদ আহমেদ। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি এমন এক গেম তৈরি করেছেন যেখানে গাড়ি চলবে ধানমন্ডি এলাকায়! পুরো কাজটি করা হয়েছে এআই এজেন্ট দিয়ে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই মডেল আরও উন্নত করতে এবার নিজের কর্মীদের কাজের ওপরই নজরদারি চালাবে মেটা। এখন থেকে কর্মীরা কম্পিউটারে কী টাইপ করছেন বা মাউসে কতবার ক্লিক করছেন, তার সব তথ্যই ট্র্যাক করবে প্রতিষ্ঠানটি।

দুই হাজার বছর আগে, রোমান সাম্রাজ্যের এক সমৃদ্ধ শহর পম্পেই নিমিষেই ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল আগ্নেয়গিরির তপ্ত ছাইয়ের নিচে। কিন্তু এবার আধুনিক প্রযুক্তি আর বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় সেই ইতিহাসের এক করুণ মুহূর্ত আমাদের চোখের সামনে জীবন্ত।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগ বাড়াতে চায় আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থা মেটা। এর অংশ হিসেবে মেটা তাদের মোট কর্মীবাহিনীর ১০ শতাংশ ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করছে। অবশিষ্ট কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি খরচ কমানোই এই পদক্ষেপের লক্ষ্য। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জা

বাংলাদেশে এখনো অতটা না হলেও উন্নত বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায়–এআই শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। এটি শেখাকে সহজ করেছে, সময় বাঁচাচ্ছে এবং জটিল বিষয়কে সহজভাবে বোঝার সুযোগ দিয়েছে। তবে অতিরিক্ত নির্ভরতা বিপজ্জনক হতে পারে।

ইরান-নির্মিত লেগো-থিমযুক্ত স্লপাগান্ডা হলো এই ধারার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ মাত্র। তবে এই উপাদানগুলো কেবল ভিডিওর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি ছবি, টেক্সট বা এআই দিয়ে তৈরি করা সম্ভব–এমন যেকোনো কিছু হতে পারে।

ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ইসফাহান প্রদেশে বেশকিছু মার্কিন এবং ইসরায়েলি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এ ঘটনার পর ওই যুদ্ধবিমানে থাকা দুজনকেই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকা। এ নিয়ে বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

জর্জের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে জে. ক্রিস্টোফার লানেভের নাম সামনে আসা এবং একই সঙ্গে জে. ডেভিড এম হুডনে ও মে. জে. উইলিয়াম গ্রিন জুনিয়ার-কে অপসারণের ঘটনা দেখায়, এটি একক কোনো পদক্ষেপ নয়; বরং সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে একটি বিস্তৃত পুনর্গঠনের অংশ। এর আগে জে. জেমস জে মিঙ্গাস-এর আগাম অবসরও একই ধারার ইঙ্গিত দেয়।