
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতবাসীর কাছে যা চান, সাধারণত তা-ই পেয়ে যান। মহামারির সময় তিনি যখন ভারতীয়দের ঘরে থাকা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন, পুরো দেশ তা মেনে চলেছিল।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর এবার তিন দিনের সফরে বেইজিং যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং-এর সাথে শীর্ষ বৈঠকের পাশাপাশি তিনটি দিন চীনে কাটাবন পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্ট এমন এক সময় যাচ্ছেন যখন গোটা বিশ্ব অত্যন্ত অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। ইরান যুদ্ধের পাশা

ইরান যুদ্ধ থামেনি। থমকে আছে মাত্র। স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কীভাবে হবে তা নিয়ে সন্দেহ গভীর হচ্ছে। কিন্তু এই যুদ্ধ থেকে আসলে কী পেতে চায় আমেরিকা তা নতুনভাবে দেখার চেষ্টা করেছেন ব্রাজিলের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বিশ্লেষক পেপে এসকোবার।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ মালাক্কা প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর টোল আরোপের সম্ভাবনার কথা তুলে দ্রুতই সেই প্রস্তাব থেকে সরে দাঁড়াল ইন্দোনেশিয়া।

এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্য যখন এক চরম অনিশ্চয়তায়, ঠিক তখনই বিশ্বকে চমকে দিয়ে ঘোষণা এলো যুদ্ধবিরতির। কিন্তু সবচেয়ে বড় চমকটা কোথায় জানেন? এই অসাধ্য সাধন করেছে কোনো পরাশক্তি নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তান!

উদারপন্থী অর্থনীতিবিদরা আশা করেছিলেন, বর্তমান সংকট হয়তো পাকিস্তানকে কাঠামোগত সংস্কারের পথে হাঁটতে বাধ্য করবে। কিন্তু ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে আবারও সস্তা ‘লাইফলাইন’ পেয়ে যাওয়ায় সেই সংস্কারের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে।

মিয়ানমারের কাচিন পাহাড়ের দখল কার হাতে থাকবে, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো–ইন্দো-প্যাসিফিকের খনিজ পৃথকীকরণ প্ল্যান্টগুলোর নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে? খনিজ নিরাপত্তা এখন আর কেবল সরবরাহের বিষয় নয়, এটি একটি দেশের শিল্প সার্বভৌমত্বেরও প্রশ্ন।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় জনরোষ কমাতে এক মাসের জন্য গণপরিবহন বিনামূল্যে ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। তবে পেট্রলের দাম কিছুটা কমানো হলেও ডিজেলের চড়া দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এ সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশও জ্বালানির দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে।

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের লাভের গুড় কোনো একক দেশ হয়তো পাবে না। কৌশলগতভাবে রাশিয়া ও চীন কিছুটা লাভবান হলেও মোটাদাগে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ীরা। তবে মাঝখান থেকে বলি হবে উন্নয়নশীল ও মধ্যসারির দেশগুলো।

অনুষ্ঠানে আইএফসি’র এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান আকিনতুন্দে ওগুনমোদেদে এবং ব্যাংক এশিয়ার আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান মো. জিয়া আরফিনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ পেট্রোল পাম্পে অযথা ভিড় না করার আহ্বান জানিয়েছেন। সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি এবং সরবরাহও কমানো হয়নি। ফলে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

ইরান ও আমেরিকা-ইসরায়েল দ্বন্দ্বে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাব এখন বিশ্ব বাণিজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের দোরগোড়ায়। লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ জটের কারণে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিলিয়ন ডলারের গাড়ি রপ্তানি খাত মুখ থুবড়ে পড়েছে।

বাংলাদেশি শ্রমিক নূর সৌদি আরবের একটি তেল স্থাপনায় কাজ করেন। সাম্প্রতিক হামলার পর তিনি আর নিজেকে নিরাপদ মনে করছেন না। তিনি বলেন, “আমার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেই দেশে ফিরে যাব। আমি আর কখনো এখানে আসব না। এখানে খুব ভয় লাগে।”

প্রতিটি ক্ষেত্রেই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে অক্ষম বা অনিচ্ছুক প্রমাণিত হয়েছে। কারণ ভেটো কাঠামো শক্তিশালীদের সুবিধা দেয়, দুর্বলদের নয়।

এই আলাপ সামনে আনা যেতে পারে যে, পাকিস্তানের সাথে পুনঃসংযোগ হয়ত কেবল ভারতকে হাসিনার অবস্থার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা বা আলোচনার জন্য চাপ দেওয়ার একটি কৌশল হতে পারে, যার বিনিময়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং পাকিস্তানের সাথে গভীরতর সম্পর্ক এড়ানো সম্ভব হবে।

টানা পতনের পর অবশেষে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার জন্মহার। বিবাহ বৃদ্ধি ও নীতিগত সহায়তায় শুরু হয়েছে নতুন আশার অধ্যায়।এই পরিবর্তন কি এশিয়ার জনসংখ্যা সংকটে নতুন দিশা দেখাবে?

গত কয়েক দিন ধরে সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে ডুরান্ড লাইনের দুই পাশে যেভাবে ভারী গোলন্দাজ বাহিনীর গর্জন শোনা যাচ্ছে, তাতে স্পষ্ট যে, পুরনো ক্ষতে আবারও নতুন করে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বাংলাদেশে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের মুখে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের কৌশলগত আগ্রহ বেড়েছে। শেখ হাসিনার পতনের পর পররাষ্ট্রনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আঞ্চলিক শক্তিগুলোর হিসাব-নিকাশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতার মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রাখায় মার্ক টালিকে ২০১২ সালে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ দেয় বাংলাদেশ।

বিগত কয়েক বছর ধরে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নীতিনির্ধারকরা কৃষির চেয়ে শিল্পকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছিলেন। তাদের সামনে এখন ভিন্ন সমস্যা। কৃষিখাতে কর্মরত মানুষরা ক্রমে বয়স্ক হয়ে পড়ছেন।

ভিয়েতনামের এই বৃহৎ করপোরেট গোষ্ঠীগুলো যদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তখন কি হবে? তাদের কীভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে? এই বিষয়টি একদমই অস্পষ্ট।

উত্থান-পতন আর চরম উত্তেজনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ২০২৫ সাল। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বছরজুড়ে চলা সংঘাত এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কার প্রক্রিয়া বিশ্বজুড়ে আলোচিত ছিল। ২০২৬ সালের শুরুর এই সময়ে ব্রিটিশ সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ এই অঞ্চলের তিন প্রধান দেশ—