
ওএমএসের চাল ও আটা কিনতে খাদ্যপণ্যের গাড়ির সানমে মানুষের দীর্ঘ লাইন।

বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত প্রধান মনোযোগ ছিল তেল ও গ্যাস বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক প্রভাবের দিকে। তবে জাতিসংঘ খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে। কারণ আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ডিমকে বলা হয় আদর্শ প্রোটিনের উৎস। একটি বড় ডিমে মাত্র ৭৮ ক্যালরির বিপরীতে পাওয়া যায় প্রায় ৬ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নয়টি এসেনশিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিড সঠিক অনুপাতে থাকে, যা আমাদের পেশী গঠন ও টিস্যু মেরামতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশের ওপরে উঠেছে। যার প্রধান চাপ এসেছে খাদ্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে।

হাকিম হাবিবুর রহমান লিখেছেন, পুরান ঢাকায় একসময় ফেরি করে তেহারি বিক্রি হতো। কালের বিবর্তনে সেই তেহারি এখন সারা ঢাকায় অলি-গলিতে বিক্রি হয়। সেরকমই একটি দোকান পুরান ঢাকার জনসন রোডের ‘সকাল সন্ধ্যা বিরিয়ানি হাউজ’। রাস্তার পাশে দু’রকমের তেহারি নিয়ে ৩৬ বছর ধরে মানুষকে খাইয়ে আসছে এই ছোট্ট দোকান।

২০২৬ সালের ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’ (জিআরএফসি) প্রতিবেদনে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে একটি অস্বস্তিকর ও উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। এতে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরাসরি দুর্ভিক্ষ কিংবা চরম কোনো খাদ্য সংকটের মধ্য দিয়ে না গেলেও, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা

পুরান ঢাকার আবুল হাসনাত রোডে (সাত রওজায়) অবস্থিত ‘আনন্দ কনফেকশনারী’-এর দইবড়া বেশ সুস্বাদু, এতে হালকা জিরার স্বাদ রয়েছে, দইবড়ার দইটি বেশ ঘন-এ কারণে ক্রিমি একটি স্বাদ পাওয়া যায়। বেশ মিষ্টি এই দইবড়া।

অনেকেই স্ট্রেস কমাতে, মুখ ফ্রেশ রাখতে বা অতিরিক্ত খাওয়া কমানোর জন্য চুইংগাম চিবিয়ে থাকেন। কারণ যাই হোক, এটি একটি খুব সাধারণ অভ্যাস। তবে অনেকেরই একটি ভয় থাকে—ভুলবশত গিলে ফেললে এটি পেটে দীর্ঘদিন আটকে থাকে, এমন ধারণা থেকে অযথা দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। তবে এ ধারণা ঠিক নয়।

ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অ্যাপসে ইনফ্লুয়েন্সারদের কার্যক্রম নিয়ে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তা সত্ত্বেও পুষ্টিবিদ্যায় যোগ্যতা নেই–এমন সেলিব্রিটিদের কাছ থেকে খাদ্যসংক্রান্ত পরামর্শ সামাজিক মাধ্যমে এখনও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এই চাপ আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।

একদিকে ক্ষুধার জ্বালায় প্রতি বছর বিশ্বে ৩০ লাখের বেশি শিশুর মৃত্যু হচ্ছে, অন্যদিকে উৎপাদিত খাদ্যের এক-তৃতীয়াংশই চলে যাচ্ছে ডাস্টবিনে। জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১৩০ কোটি টন খাবার অপচয় হয়। বাংলাদেশে এই পরিমাণ বছরে ১ কোটি ৪০ লাখ টন।

ভারত, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিলের মতো বড় খাদ্য রপ্তানিকারক দেশগুলো ইউরিয়া সারের জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল। পগাম বিষয়টি নিয়ে বলেন, “যুদ্ধ এখনও কয়েক সপ্তাহের হওয়ায় আপাতত সারের ঘাটতি দেখা যায়নি।”

বাংলাদেশে ফুডভ্লগ কেমন হয়? ফুডভ্লগারদের চ্যালেঞ্জ কী? ফুডভ্লগারদের আয় কেমন? ফুডভ্লগারদের মব, পিটুনির ভয় কেন কাজ করে? কীভাবে একজন ফুডভ্লগার তার ভ্লগের বিষয় ঠিক করেন। এসব প্রশ্ন নিয়ে চরচার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম বার্তা সম্পাদক কাজী সাজিদুল হকের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ফুডভ্লগার ও লেখক খালেদ সাইফুল্লাহ

ইরান সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার খাদ্য ও কৃষিপণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

শুরু হয়েছে সিয়াম সাধনার মাস। কিন্তু বরাবরের মতো এবারও বাজারে গিয়ে স্বস্তি পাওয়ার সুযোগ নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম হুহু করে বাড়ছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে মাহিন আরাফাত।

মন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি দিনকে কাজে লাগিয়ে দেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও শক্ত অবস্থানে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।

মন ভালো রাখা শুধু মনের ব্যাপার নয়—খাবারেও তার বড় ভূমিকা আছে। চিনি-চর্বিযুক্ত খাবার সাময়িক আনন্দ দিলেও দীর্ঘমেয়াদে মন ও শরীরের ক্ষতি করে। তবে কিছু পুষ্টিকর খাবার শরীরে বাড়াতে পারে ‘হ্যাপি হরমোন’।

শীতকালে হাঁসের মাংস খাওয়ার চল বহুদিনের। কেন শীতকালে হাঁস খাওয়া হয়?

গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যে সতর্ক দ্বীপটির বাসিন্দারা। সরবরাহ অনিশ্চয়তায় ভরসা এখন শিকার, মাছ ধরা ও খাদ্য মজুদের ওপর। স্বনির্ভরতা আর ঐতিহ্যই গ্রিনল্যান্ডবাসীর সবচেয়ে বড় শক্তি।

দিল্লি সালতানাতের পতনের পর শাহী খানসামারা ছোট ছোট রাজ্যের রাজা, নবাবদের হেঁশেলে ঠাঁই পেলেন। সেখানে গিয়ে বানাতে শুরু করলেন নানা পদ। যেহেতু তারা একসময় মোগলদের হেঁশেলে কাজ করতেন তাই তাদের খাবার হয়ে গেল ‘মোগলাই’।

ঢাকার উত্তরখান এলাকায় তৈরি করা হয়েছে এমন এক বাড়ি যা বন্যা হলে ভেসে থাকবে, খাদ্যও উৎপাদন করবে। এমন একটি বাড়ি করতে আকার ভেদে খরচ হবে ৫ থেকে ২৫ লাখ টাকা।

ঢাকার উত্তরখান এলাকায় তৈরি করা হয়েছে এমন এক বাড়ি যা বন্যা হলে ভেসে থাকবে, খাদ্যও উৎপাদন করবে। এমন একটি বাড়ি করতে আকার ভেদে খরচ হবে ৫ থেকে ২৫ লাখ টাকা।