
বাংলাদেশে মব সহিংসতা ও তার রাজনৈতিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। সরকার বদলালেও মব কালচার ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রে একই রয়ে গেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে গণতন্ত্রের জন্য তা বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে।

নেতাদের আয়ারাম, গয়ারামের খুব ভালো দুটি ছবি ধরা পড়ে ২০১৭ সালে মণিপুর ও গোয়ায়। ৬০ সদস্যের মণিপুর বিধানসভায় কংগ্রেস জিতেছিল ২৮টি আসনে এবং বিজেপি ২১টিতে। কিন্তু সরকার গঠন করে বিজেপি।

তারেক রহমানের বিএনপি অবশ্য ‘খামখেয়ালি’ অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে কিছুটা বেশি বাস্তববাদী সুর বজায় রাখছে। তবে পানি বণ্টন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং শেখ হাসিনার আমলে হওয়া বিতর্কিত ব্যবসায়িক চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে তারা নতুন করে শর্ত নির্ধারণ করতে চায়।

ভাষা কেবল উৎসবের বিষয় নয়; এটি নীতির প্রশ্ন, ন্যায়বিচারের প্রশ্ন, অন্তর্ভুক্তির প্রশ্ন। ভাষার প্রতি রাষ্ট্রের আচরণই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করে সে রাষ্ট্র কতটা মানবিক, কতটা গণতান্ত্রিক এবং কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক।

স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৮ ফেব্রুয়ারি (২০২৬) রাজধানীতে সংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনসহ ভালো কাজ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে তথ্য ফাঁস নতুন মোড় নেয়। উইকিলিকসের নথিতে উঠে আসে রাজনীতির অন্ধকার দিক। এই ঘটনা বদলে দেয় ক্ষমতা ও গণতন্ত্রের আলোচনার ভাষা।

১৫ বছরের ক্ষমতা থেকে শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে তারেক রহমানের নেতৃত্ব, তরুণদের প্রত্যাশা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চ্যালেঞ্জ।

তাই এই বেলায় বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ারিংকে আর ইলেকশন থেকে বিযুক্ত করা হয়তো গেল না। এখন বিযুক্তির পথে অন্তত যেন হাঁটা শুরু হয় জোরেশোরে, সেটিই হোক প্রত্যাশা। এ দেশের ম্যাংগো পিপলরা এতটুকু আশা তো করতেই পারে, নাকি!

গণতন্ত্র কেবল পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতা লাভের সুযোগ নয়; এটি জনগণের সঙ্গে এক নৈতিক চুক্তি। সেই চুক্তি রক্ষা করতে হলে দরকার সংযম, প্রজ্ঞা, স্বচ্ছতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ।
১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচন এবং বিপ্লব-পরবর্তী সংস্কার প্যাকেজ ‘জুলাই চার্টার’-এর ওপর একটি সাংবিধানিক গণভোট। দেশটির গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে এই যুগপৎ আয়োজন একটি চূড়ান্ত অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজনীতির নানা দিক নিয়ে চরচা আয়োজিত তীর্যক অনুষ্ঠানে খোলাখুলি কথা বলেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের।

অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে সৃষ্ট ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলন বর্তমানে বিশ্বজুড়ে আলোচিত একটি বিষয়। ইরানের বিদ্যমান শাসনব্যবস্থার পতন হবে কি না—তা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা চলছে। বাস্তবে ইরানের শাসনব্যবস্থা অত্যন্ত জটিল প্রকৃতির। এখানে ধর্মতন্ত্র ও গণতন্ত্র একসঙ্গে সহাবস্থান করে, পাশাপাশি দেশের শাসনে স

২০২৬ সালে এসে পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যপন্থী উদার গণতান্ত্রিক দেশগুলো একঘরে হয়ে পড়ার এক গভীর আশঙ্কা করছে। দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র আমেরিকার কাছ থেকে আসা ক্রমাগত হুমকি ও বিদ্রূপ তাদের জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, আমেরিকার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চীনকেও তারা বিকল্প বন্ধু হিসেবে সম্পূর্ণ আস্থা নিতে পারছে

ইরানে দমন–পীড়নে স্তিমিত আন্দোলনের মধ্যেই প্রবাসে জোরাল হয়ে উঠেছে প্রতিবাদের কণ্ঠ। লন্ডনে ইরানি দূতাবাসের সামনে হাজারো মানুষ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবিতে সমবেত হওয়া সেই প্রতিবাদকেই শক্তিশালী করছে। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও প্রাণহানির অভিযোগে দেশটির ভেতরের বাস্তবতা আরও অন্ধকার হয়ে উঠছে।

ইরানে দমন–পীড়নে স্তিমিত আন্দোলনের মধ্যেই প্রবাসে জোরাল হয়ে উঠেছে প্রতিবাদের কণ্ঠ। লন্ডনে ইরানি দূতাবাসের সামনে হাজারো মানুষ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবিতে সমবেত হওয়া সেই প্রতিবাদকেই শক্তিশালী করছে। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও প্রাণহানির অভিযোগে দেশটির ভেতরের বাস্তবতা আরও অন্ধকার হয়ে উঠছে।