
ডিসি ইবনে মিজান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছে যে তারা গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে গোপনে কবর খুঁড়ে মানবকঙ্কাল চুরি করত। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে গাজীপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও নেত্রকোনা অঞ্চলের চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি করা হতো।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা বাজারের একটি সোনার দোকানে ৭০ ভরি স্বর্ণ, ৬০০ ভরি রুপা চুরি ও নগদ চার লাখ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে।