
বিশ্বজুড়ে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে যখন আন্তর্জাতিক কূটনীতি, সামরিক হুমকি এবং তেহরান, ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের মধ্যকার আলোচনা একটি মাত্র সংখ্যার ওপর থমকে আছে–যা হলো ইরানের ৪৫০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত।
এই তো, মার্চ মাসের কথা। বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া একটি কঙ্কালের ছবি প্রকাশ করল। জানাল, এটি নাকি কোনো এক অদ্ভুত প্রাণির কঙ্কাল। জাপানের ফুকুশিমায় এক বাড়ি থেকে এই কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে।

“দেশের প্রায় ৭০% মানুষ গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়ে নিজেদের রায় জানিয়ে দিয়েছেন। এখন গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা মানে দেশের প্রতিটি নাগরিককে অপমান করা।”

২ মে (২০২৬) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির আয়োজনে ‘বিএনপি সরকারের আড়াই মাস: পর্যালোচনা, উদ্বেগ ও দাবিনামা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাপানি নাগরিক মা- কুন একজন পর্যটক। ৪০টি দেশ ভ্রমণ করে তিনি এখন বাংলাদেশে। দেশ-বিদেশ ঘুরে তিনি ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করেন। জানালেন, বাংলাদেশকে তিনি ভালোবাসেন। সদরঘাট থেকে ভিডিও করেছেন মাহিন আরাফাত

যুদ্ধবিমানসহ প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মন্ত্রিসভা। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জাপানের শান্তিবাদী সংবিধানে একটি বড় পরিবর্তন।

জাপানে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) এই ভূমিকম্পের পরপরই দেশটির ইওয়াত, আওমোরি এবং হোক্কাইডো প্রশাসনিক অঞ্চলে সুনামির সতর্কতা জারি করেছে।

এই ১০ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর প্রায় এক বছরের অপরিশোধিত তেল আমদানির খরচের সমান।

তারেক রহমান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান সংকটের মাত্রা ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। যা ১৯৮০ এর দশকের উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির করে দিয়েছিল।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা একটি ভঙ্গুর জ্বালানি খাত ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির অর্থনীতি পেয়েছি।”

বিশ্ব অর্থনীতির ইতিহাসে এমন কিছু সময় আসে, যখন দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত শক্তির ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে ওঠে এবং বিকল্প শক্তির উত্থানের সম্ভাবনা স্পষ্ট হতে শুরু করে। বর্তমান বৈশ্বিক আর্থিক প্রেক্ষাপট ঠিক তেমনই এক সন্ধিক্ষণ। যুক্তরাষ্ট্রের ডলার, যা বহু দশক ধরে বিশ্বের প্রধান ‘সেফ হেভেন’ বা নিরাপদ বিনিয়োগের আশ্রয়

ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পাল্লা প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার। ফলে চীনের মূল ভূখণ্ডের কিছু এলাকা এর আওতায় চলে আসে।

ইরান ও আমেরিকা-ইসরায়েল দ্বন্দ্বে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাব এখন বিশ্ব বাণিজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের দোরগোড়ায়। লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ জটের কারণে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিলিয়ন ডলারের গাড়ি রপ্তানি খাত মুখ থুবড়ে পড়েছে।

আমেরিকার বিভিন্ন স্থাপনা ও ব্যক্তিবর্গ কি আসলেই হুমকির মুখে? ইরান যুদ্ধ কোনদিকে যাচ্ছে? ইউরোপ, জাপান কি জড়িয়ে পড়বে? আরব ন্যাটোর কথা শোনা যাচ্ছে, কিন্তু কতটা বাস্তব? যুদ্ধ ও আলোচনা কি একসঙ্গে চলতে পারে? ইসরায়েল কি শেষ পর্যন্ত নিউক্লিয়ার অস্ত্র ব্যবহার করে বসবে?

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অতিথি আপ্যায়ন ও শিষ্টাচারের অদ্ভুত সব নিয়ম রয়েছে, যা সংস্কৃতিভেদে একেবারেই ভিন্ন। কোথাও প্লেট খালি করা প্রশংসার, আবার কোথাও তা অসম্মানের; কোথাও সময়মতো পৌঁছানো জরুরি, আবার কোথাও দেরিতে। আজ ‘কমন কার্টেসি ডে’-তে জেনে নিন

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে সুরক্ষা দিতে মিত্র দেশগুলোর প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, একটি নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্নটি হলো—কোনো সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে নিজেদের নিকটতম মিত্রকে সমর্থন জানাতে ‘শান্তিবাদী’ জাপান আইনত কতদূর পর্যন্ত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালীতে ‘অবরোধ’ তোলার জন্য আমেরিকার কাউকে প্রয়োজন নেই। হরমুজ প্রণালীর ‘অবরোধ’ তোলার জন্য চীন, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরামর্শ দেন ট্রাম্প। তবে খুব একটা সাড়া পাননি।

এই বাস্তবতা আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে–আমরা কি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি, যা জাতিকে একই বৌদ্ধিক ও সামাজিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারে?

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যু/দ্ধে প্রথমবারের মতো আড়াই হাজার মার্কিন মেরিন সেনার একটি দল মোতায়েন করা হচ্ছে। জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত নিজেদের ঘাঁটি থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা এখন যাত্রাপথে রয়েছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছে উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’।

তাকাইচির এই মন্তব্যে চীন তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং তাকে মন্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানায়। তাকাইচি তাতে অস্বীকৃতি জানালে চীন তাদের নাগরিকদের জাপান ভ্রমণ না করার আহ্বান জানায়।

জাপানকে এমন এক সময়ে এই বিশ্বনেতৃত্বের প্রমাণ দিতে হবে যখন তার অভ্যন্তরীণ সম্পদ ও সক্ষমতা বেশ চাপের মুখে। ক্রমহ্রাসমান এবং বার্ধক্যগ্রস্ত জনগোষ্ঠী জাপানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথে প্রধান বাধা। বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশ যেমনটি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে–এই সমস্যার কোনো সহজ সমাধান নেই।

জাপানের সাধারণ নির্বাচনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল ভূমিধস জয় পেয়েছে। এর ফলে দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে তারা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। খবর আল জাজিরার।