
তাইওয়ান ইস্যুতে বিদ্যমান বিরোধ ঠিকঠাকমতো সামলানো না গেলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং। খবর রয়টার্সের।

বিশ্লেষকদের মতে, চীনের মূল লক্ষ্য তাইওয়ানের সঙ্গে ‘পুনরেকত্রীকরণ’। তবে সেটি তারা সর্বনিম্ন খরচে এবং সর্বনিম্ন ঝুঁকিতে অর্জন করতে চায়। বেইজিংয়ের ধারণা, সময় যত যাবে, ততই শক্তির ভারসাম্য তাদের পক্ষে ঝুঁকবে।

মার্কিন নৌ অবরোধের জেরে আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। আমেরিকার পক্ষ থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে ক্রমাগত অবরোধ জারি রাখার কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

বিপিসির মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন জানান, এমটি লিয়ান সং হু প্রায় ৪১ হাজার টন ডিজেল, এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল এবং এমটি নাভ সিয়েলো প্রায় ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে এসেছে।

মঙ্গলবার কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি একান্ত বৈঠকে মার্কিন অস্ত্র মজুত নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছিল বলে সূত্রগুলো টাইমকে জানিয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযান-যা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিসহ শীর্ষস্থানীয় সরকারি ব্যক্তিত্বদের হত্যার লক্ষ্যে পরিচালিত এক ‘ডেকাপিটেশন স্ট্রাইক’ (শীর্ষ নেতৃত্ব উৎখাত অভিযান) এর মাধ্যমে শুরু হয়েছিল-তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়বে।

তাকাইচির এই মন্তব্যে চীন তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং তাকে মন্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানায়। তাকাইচি তাতে অস্বীকৃতি জানালে চীন তাদের নাগরিকদের জাপান ভ্রমণ না করার আহ্বান জানায়।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জানান, তাইওয়ান ছাড়াও তারা ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং আমেরিকা থেকে চীনের তেল ও গ্যাস কেনার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

প্রতিরক্ষা কৌশলের পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোর মতো এবার তাইওয়ানের কোনো উল্লেখ নেই। তবে দলিলে লেখা হয়েছে যে, আমেরিকার লক্ষ্য হলো চীনসহ কাউকেই নিজেদের বা তাদের মিত্রদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে না দেওয়া।

চীন সরকার দ্রুত এই অভিযানের নিন্দা জানালেও এর বিস্তারিত বিবরণ এবং এ নিয়ে আলোচনা অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। কট্টর জাতীয়তাবাদী মন্তব্যের পাশাপাশি একটি সাধারণ প্রশ্নও বারবার উঠে এসেছে–এটি কি তাইওয়ানে চীনা হামলার একটি ব্লু-প্রিন্ট বা টেমপ্লেট হতে পারে?

তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের সাম্প্রতিক যুদ্ধ মহড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ‘অহেতুক উত্তেজনা বাড়িয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছে আমেরিকা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেইজিংকে সামরিক চাপ প্রয়োগ বন্ধ করে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।

শেষ হতে যাওয়া বছরটি চীনের জন্য তুলনামূলকভাবে সফল ছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র যখন নিজের নেতৃত্বাধীন বিশ্ব ব্যবস্থাকেই দুর্বল করে ফেলছে, তখন চীন তুলনামূলকভাবে সংযত কূটনীতি অবলম্বন করেছে।

একটি দায়িত্বশীল শক্তি এভাবে সামরিক চাপ বাড়াতে পারে না। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন, তাইওয়ান সংঘাত উসকে দেবে না। তবে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই চীন শুরু করেছে ‘জাস্টিস মিশন ২০২৫’ নামের সামরিক মহড়া। এই মহড়ায় চীনের স্থল-নৌ-বিমানবাহিনী ও রকেট ফোর্স অংশ নিচ্ছে। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীন আমেরিকা কি যুদ্ধে জড়িয়ে পরবে?

তাইওয়ান ঘিরে চীনের ‘জাস্টিস মিশন ২০২৫’ সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে। লাইভ-ফায়ার অনুশীলনসহ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী মোতায়েন করেছে পিএলএ। অস্ত্র সহায়তা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র–চীন উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই মহড়া গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, তাইওয়ান চীনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে একই সঙ্গে চীন আমেরিকার সাথে বাণিজ্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চায়। সে কারণে চীন প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়তো সতর্ক থাকবে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও তাইওয়ান বিষয়ক দপ্তরের নিন্দাসূচক বক্তব্য সবাই দেখেছে।

তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব উপকূলীয় এলাকায় রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার স্থানীয় সময় রাতের দিকে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।

চীনের কাছে প্রায় ৬০০টি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।

তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেতে একটি মেট্রো স্টেশনে ছুরি নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে হামলাকারীসহ অন্তত চারজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও কয়েকজন।

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেন, ”এসব যৌথ টহল স্পষ্ট ভাবেই জাপানের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর উদ্বেগের।”

ইয়োনাগুনি এখন আর শুধু একটি দ্বীপ নয়, এটি পরিণত হয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় শক্তির লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান এটিকে প্রতিরক্ষা বলয় হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে চীন এটিকে স্পষ্ট উসকানি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে।

তাইওয়ান নিয়ে জাপানের সাম্প্রতিক মন্তব্যে বেইজিং কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচিকে সামরিক হস্তক্ষেপের চেষ্টার জন্য অভিযুক্ত করেছেন, যা চীন-জাপানের সম্পর্কের জন্য সবচেয়ে বড় সংকটে পরিণত হয়েছে। এই বিবাদ জাতিসংঘ পর্যন্ত গড়িয়েছে।