
শরীর যখন নিজের তাপমাত্রা ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তখন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি হিট এক্সহসশন বা পানিশূন্যতার মতো অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।

সারা দেশে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে চার বিভাগে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। এমন বৃষ্টি আগামী ১৭ মে (রোববার) পর্যন্ত থাকতে পারে। এরপর থেকে তাপমাত্রা বাড়বে এবং ভ্যাপসা গরম অনুভূত হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

প্রতিটি এল নিনো পরিস্থিতিই অনন্য এবং অঞ্চল ও ঋতুভেদে এর প্রভাব ভিন্ন ভিন্ন ও পরিবর্তনশীল হতে পারে। তবে এই চক্রটি সাধারণত অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ ও মধ্য আফ্রিকা, ভারত এবং আমাজন রেইনফরেস্টসহ দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে খরা ও প্রচণ্ড তাপ সৃষ্টি করে।

আবারও ফিরছে এল নিনো! ২০২৬-২৭ সালে কতটা উত্তপ্ত হবে পৃথিবী? বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করেছে, এ বছরের মে মাস থেকেই ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার এই ঘটনা বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ভারসাম্য ওলটপালট করে দিতে পারে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা একটি সতর্কতাবার্তাও দিয়েছে। তারা বলছে, এই পূর্বাভাস সবসময় সঠিক হয় না। এপ্রিলের পর যখন আরও নিখুঁত তথ্য পাওয়া যাবে, তখন পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে।

শহরের সাহেববাজার এলাকায় প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া গৃহিণী সালমা বেগম বলেন, “ঘরের ভেতরে বা বাইরে কোথাও এখন শান্তি নেই। ফ্যান চালালেও যেন আগুনের বাতাস বের হচ্ছে। গরমে পরিবারের ছোট শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে সবাই এখন একটু বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছি।”

গত ১৮ মার্চ জেট ফুয়েলের দাম লিটারে ৮২ টাকা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারির ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই প্রত্যাহার করে নিয়েছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। কিন্তু, এ অবস্থা ধরে রাখা যায়নি। এক সপ্তাহেরও কম সময় পরে শতকরা ৮০ শতাংশ বা লিটারে প্রায় ৯০ টাকা বাড়িয়ে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা নির্ধারণ করে কমিশন। এই বৃদ্

গত বছর পৃথিবীতে আটকে থাকা তাপের পরিমাণ রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছেছে। এর প্রভাব হাজার হাজার বছর স্থায়ী হতে পারে বলে আজ সোমবার সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

প্রাক শিল্পযুগের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়, তাহলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষ চরম তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে বলে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে করা এক নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে। আর তাপমাত্রার এই বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, অতিরিক্ত সহায়তার জন্য তিনি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এ সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বড় অংশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে লাখো মানুষ চরম গরমে ভুগেছে।

ভিক্টোরিয়া ও নিউ সাউথ ওয়েলসে বেশ কয়েকটি দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই চালিয়েছেন দমকল কর্মীরা। বুধবার মেলবোর্নে তাপমাত্রা ছিল ৪০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

রাজশাহীতে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজশাহীসহ ১০টি জেলায় বইছে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ।

ঢাকায় শীতের অনুভূতি বেড়েছে। এরই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কুয়াশা। ৪ জানুয়ারি সকালেও ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৩ জানুয়ারি ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। খেটে খাওয়া স্বল্প আয়ের এবং ভাসমান মানুষ তীব্র শীতের কারণে বিপাকে পড়েছে।

২০২৫ সাল ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ ও রৌদ্রোজ্জ্বল বছর হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছে। দেশটির আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উচ্চচাপ বলয় ও সমুদ্রের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতাই তাপমাত্রা বৃদ্ধির মূল কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক এই রেকর্ড জলবায়ু পরিবর্তনের দ্রুতগতির স্পষ্ট সতর্কবার্তা।

রাজধানী ঢাকা আজ দুপুর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকতে পারে, কমতে পারে দৃশ্যমানতাও। সেই সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় শীতের অনুভূতিও আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।

গবেষণা বলছে, রাতে ঘুমানোর সময় মোজা পরে থাকলে দ্রুত ঘুম আসতে পারে এবং ঘুমের মানও ভালো হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠান্ডা পা উষ্ণ হলে শরীরের মূল তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে, যা গভীর ও আরামদায়ক ঘুমে সহায়ক।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়। হাওর অধ্যুষিত এই উপজেলার তাপমাত্রা আজ রোববার সকালে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে।

আজ শনিবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বর্তমানে বিশ্বের শীতলতম স্থান হলো রাশিয়ার ইয়াকুতিয়া। এই জায়গার তাপমাত্রা এখন মাইনাস ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি অবধি নামতে পারে।

আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মাসুদ রানা রুবেল জানান, ডিসেম্বর ও জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কমে থাকে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও সামান্য কমতে পারে, এরপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা করছেন।

আবহাওয়া অফিস বলছে, এই পরিস্থিতি আরও কিছুদিন থাকতে পারে।