
তাই আমাদের অবশ্যই সিজেপি’র প্রতি প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য প্রচলিত রাজনৈতিক স্বার্থপরতা, রাজনৈতিক নিষ্ঠুরতা, কৌশলগত দূরত্ব বজায় রাখা কিংবা সস্তা ও সাময়িক নির্বাচনী জোটের রাজনীতির বাইরে গিয়ে একটি সম্পূর্ণ নতুন পথ খুঁজে বের করতে হবে।

১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয় মশাররফ হোসেনের ‘গো-জীবন’ শিরোনামের প্রবন্ধের বই। এই বইয়ে তিনি মুসলমানদের গরু জবাইয়ের তীব্র বিরোধিতা করেন।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নামমাত্র প্রচারেই দায় সেরেছেন। পশ্চিমবঙ্গ বাদ দিলেও অন্য রাজ্যেও কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি বা প্রচারের জৌলুস বিজেপির তুলনায় নিমিত্ত মাত্র।

ভারত কখনো শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার উজানের পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করে কোনো চুক্তি করেনি। ফলে ভাটিতে থাকা বাংলাদেশকে প্রতি বছর তার কৃষিভিত্তিক অঞ্চল আরও একটু করে শুকিয়ে যেতে দেখতে হচ্ছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নবগঠিত বিজেপি সরকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দেয়, তখন সেটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে, এটি কি সত্যিই নিরাপত্তার প্রয়োজনে, নাকি রাজনৈতিক বার্তা?

বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত থাকায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে একটা বাড়তি আগ্রহ রয়েছে বাংলাদেশিদের মধ্যে। বিশেষ করে সেখানকার রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের দিকেই নজর থাকে সীমান্তের এপারের বাসিন্দাদের। এবার বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সেই আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে।

২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার মামলাগুলো পুনরায় শুরুর নির্দেশ এবং ১৬ মে থেকে রাজ্যজুড়ে বেআইনি অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারে বড়সড় অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো তৃণমূলের রাজনৈতিক ভিত্তিকে আইনিভাবে দুর্বল করা।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ভারত আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী। আমরা প্রতিবেশীর সঙ্গে কখনোই ঝগড়া-বিবাদ করে চলার পক্ষপাতী নই, আমরা সুসম্পর্ক চাই। কিন্তু যখন আমাদের সীমান্তে আমাদের নিরপরাধ নাগরিকদের গুলি করে হত্যা করা হয়, তখন তা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না।”

পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতজুড়ে ‘মুসলিম নিপীড়নের’ প্রতিবাদে ১০ মে (২০২৬) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ‘মুসলিম নির্যাতন’ চলতে থাকলে ‘প্রয়োজনে’ কলকাতা অভিমুখে লংমার্চ করার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় বিজেপি জয়ের পর সেখানে মুসলমানদের সঙ্গে হওয়া নির্যাতনের বিষয়গুলো জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর মাধ্যমে বাংলায় বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হলেন তিনি। আজ শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এ শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। এর কী প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়বে? তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি কি এবার হবে? পুশ ইনের আশঙ্কা আসলে কতটা? এ নিয়ে বিএনপি, জামাায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, সিপিবি-বাসদসহ বাদ দলগুলো কী ভাবছে?
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে বিজয়ের পর বিজেপি প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করতে চলেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ মে পর্যন্ত মমতা-সরকারের মেয়াদ ছিল। বিধানসভার অস্তিত্বও আর নেই। এখন কী হবে? কেনইবা মমতার এমন ভরাডুবি? তার ‘মুসলিম ভোট ব্যাংকের’ কী হলো?

বিশ্লেষণটি এটিই স্পষ্ট করে যে, ২০২৬ সালের এই মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কেবল একটি রাজনৈতিক পালাবদল নয়, বরং এটি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন বিজেপি সরকার এই রাজ্যের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। তবে একটি বিষয় আমাদের মনে রাখা উচিত–শাসনের ধরন হতে হবে সুশৃঙ্খল এবং পদ্ধতিগত, যা অসংখ্য নাগরিকের (যাদের কথা ওপরে উল্লেখ করা হয়েছে) হৃদয় স্পর্শ করবে, যাতে আমাদের রাজ্য দ্রুত জাতীয় স্তরে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি দুই শতাধিক আসনে জয় পেয়ে রাজ্য সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। রাজ্যটিতে প্রথমবারের মতো বিজেপি জয় পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনার তুঙ্গে রয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি ও পুশ ইনের বিষয়টি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির নানা দিক নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাংবাদিক তরুণ চক্রবর্তীর বিশ্লেষণে।

নির্বাচিতদের অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় চরচাকে বলেন, “ভারতের জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে তাদের নেতা নির্বাচন করেছে। সেখানে কোন দল ক্ষমতায় এল-না এল তা মুখ্য না। তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথাও নেই। আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি। তাই যে-ই

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় চলমান রাজনৈতিক সহিংসতার মধ্যে এবার খুন হলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথ। গতকাল বুধবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি নিহত হন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির নানা দিক নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাংবাদিক তরুণ চক্রবর্তীর বিশ্লেষণে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন মোড়, পদত্যাগ করবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তাহলে কী হবে? ওদিকে বিজেপি বলছে, পদত্যাগ না করতে চাওয়া ‘হাস্যকর’।