
গবেষকদের মতে, এই অপরিকল্পিত ব্যয় মেটানোর জন্য পেন্টাগনকে সম্ভবত শিগগিরই অতিরিক্ত তহবিলের অনুরোধ জানাতে হবে। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং যুদ্ধবিরোধী অবস্থানের জন্য একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু তৈরি করতে পারে।

পেন্টাগনের বড় উদ্বেগের একটি বিষয় হলো থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বজায় রাখা। কারণ উত্তর কোরিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সক্ষমতা ধরে রাখতে দক্ষিণ কোরিয়া ও গুয়ামেও যুক্তরাষ্ট্র এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করে।

প্রতিরক্ষা কৌশলের পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোর মতো এবার তাইওয়ানের কোনো উল্লেখ নেই। তবে দলিলে লেখা হয়েছে যে, আমেরিকার লক্ষ্য হলো চীনসহ কাউকেই নিজেদের বা তাদের মিত্রদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে না দেওয়া।

পেন্টাগনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গোয়েন্দা তথ্য, নজরদারি ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্রসহ ন্যাটোর প্রায় সব প্রচলিত সামরিক দায়িত্ব ইউরোপের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তবে এই সময়সীমা বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন অনেক ইউরোপীয় কর্মকর

এফ-৩৫ হলো লকহিড মার্টিন নির্মিত পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান। এর বিশেষত্ব হলো রাডার এড়ানো, দীর্ঘপাল্লার আক্রমণ ক্ষমতা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা।