
এ বিষয়ে সরকারের কোনো ভাষ্য পাওয়া যায় না। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২১ সালে বিএনপি মূলত গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের দাবিতে আন্দোলন করছিল। তাই তাদের কাছে ভাষণটি প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছিল।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তিনি পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালিদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

২ মার্চের সেই উত্তাল দিনটির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আ স ম আবদুর রব জানিয়েছিলেন, সমাবেশটি বটতলায় হলেও পতাকাটি তিনি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন কলা ভবন ভবনের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের ছাদে, যাতে সেটি সবার দৃষ্টিগোচর হয়।

শেখ মুজিবুরের নামে একটি ছাত্রাবাস থাকা কেবল ন্যায্যই নয়, প্রয়োজনীয়ও বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদাররা শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। তাকে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি করা হয়। বাঙালি যখন স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করে, শেখ মুজিব তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন।

কী অসাধারণ এক বিদায়! লাখো মানুষের ভালোবাসায় বিদায়। এমন সৌভাগ্য আসলে কয়জনের হয়? দেশটির নাম যখন বাংলাদেশ, তখন সেই ‘সৌভাগ্য’ যেন আরও দুর্লভ হয়ে ওঠে