
বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৩,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা সংকেত জারি করে ভারত সফলভাবে একটি শক্তিশালী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (ICBM) পরীক্ষা চালিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অগ্নি-৬ ক্ষেপণাস্ত্র

পারমাণবিক সক্ষমতা ও সামরিক শক্তিতে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত। গত শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় বঙ্গোপসাগরের ওড়িশা উপকূলে দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) সফলভাবে একটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষা চালিয়েছে।

বহুজাতিক আইওএস সাগর ২০২৬ মোতায়েন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘আইওএস সাগর’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

এমনিতেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর নামে বাংলাদেশি খোঁজার প্রক্রিয়ায় মানুষকে গ্রাস করেছে অভূতপূর্ব আতঙ্ক। চারিদিকেই তৈরি হয়েছে ভয়ের মহল। সেই ভয়ের পরিবেশকেই আর কঠিন করে তুলেছে আধা সেনার অতি-সক্রিয়তা।

মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞা চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। জ্বালানিসংকটের কারণে যখন সাগরে মাছ ধরা কমে গেছে, তখনই এই নিষেধাজ্ঞা শুরু হলো।

বঙ্গোপসাগরে যৌথ সামরিক মহড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত ও রাশিয়া। আগামী মাসে ‘মিলান ২০২৬ নাভাল এক্সরাসাইজ’ নামের এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের পেটি-অফিসার মোস্তাফিজ মামুন ৯৯৯-কে জেলেদের নিরাপদে উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্ব বর্ণনা করে বলেন, “বঙ্গোপসাগর অঞ্চল একটি কৌশলগত কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে এবং বাংলাদেশ নিছক নিষ্ক্রিয় করিডোর না হয়ে একটি আত্মবিশ্বাসী অভিনেতা হতে চায়।”

উত্তর বঙ্গোপসাগর থাকা সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। গভীর সাগরে নৌকা ও ট্রলারকে বিচরণ নিষেধ করা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে থাকা সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

চীনের একটি বড় সামরিক নজরদারি জাহাজ ইউয়ান ওয়াং-৫। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নর্থ ইস্টের প্রতিবেদনে বলছে , এটি বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। নর্থ ইস্টের এই দাবি চরচা স্বাধীনভাবে দাবি যাচাই করতে পারেনি।