
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আউন্স প্রতি ৫,৬০০ ডলার থেকে কমে ৪,৫০০ ডলারে নেমে আসায় দেশের বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়েছে। মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান, বন্ডের মুনাফা বৃদ্ধি এবং বড় বিনিয়োগকারীদের প্রফিট বুকিংয়ের কারণেই মূলত সোনার বাজারে এই ধস নেমেছে।

উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ বাড়ে, বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান হয়, কর্মসংস্থান হলে বেকার কমে, বেকার কমলে দারিদ্র্য হ্রাস পায়।

ডলার বর্জন, জ্বালানির নতুন বাজার তৈরি এবং যৌথ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মস্কো ও বেইজিং কেবল নিজেদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাই নিশ্চিত করছে না, বরং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে আমেরিকার একক আধিপত্যের বিপরীতে এক শক্তিশালী বিকল্প মেরু গড়ে তুলছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরিমানা সুদের সর্বোচ্চ হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাংকটির মোট আমানতের পরিমাণ প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা এবং মোট বিনিয়োগ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি নিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, প্রতিষ্ঠানটি যে পরিমাণ মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে, ভবিষ্যতে তা আরও বৃদ্ধি পাবে। এটি কেবল একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দেশের সামগ্রিক স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে দৃশ্যমান করার একটি প্ল্যাটফর্ম।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এই তহবিল বিদ্যমান পাঁচ হাজার কোটি টাকার গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।

গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে অর্থমন্ত্রী “ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট” ধারণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বরিশালের শীতল পাটির মতো দেশীয় পণ্যকে যদি সঠিক সহায়তা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে অ্যামাজন বা আলিবাবার মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পৌঁছে দেওয়া যায়, তবে তা জিডিপিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

চীনের স্বার্থকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ না করেই অনেক বিনিয়োগ চীনা বিনিয়োগের পাশাপাশি চলমান রয়েছে। তবে আমেরিকা এক্ষেত্রে অনেক বেশি মারমুখী অবস্থান গ্রহণ করেছে।

বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং অস্থিতিশীল জ্বালানি বাজারের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন, ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপ ও জ্বালানি আমদানিতে আকাশচুম্বী ব্যয়–এই ত্রিমুখী সংকট দেশের ‘এনার্জি ট্রানজিশন’ বা জ্বালানি রূপান্তরকে ত্বরান্বিত

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেসব মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের অনুমোদন অপরিহার্য নয়, সেগুলো অনুমোদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ দিতে হবে।”

বিশ্বের বড় দুই ব্যাংকের এই ভিন্ন অবস্থান একটি বড় প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে- এআই এর পর কি তবে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-ই হতে যাচ্ছে পরবর্তী বড় বিপ্লব? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তি ওষুধ আবিষ্কার থেকে শুরু করে অর্থ বিনিয়োগের ঝুঁকি কমানো পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকার মুনাফা এনে দিতে পারে।

বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজতর, দ্রুততর ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে।

যদিও স্বর্ণ এখনো ঐতিহাসিকভাবে উচ্চমূল্যে রয়েছে। কিন্তু এর ‘নিরাপদ আশ্রয়’ হওয়ার ভাবমূর্তিটি চিরতরে বদলে গেছে। বিনিয়োগকারীদের এখন স্বর্ণকে একটি সাধারণ সম্পদ হিসেবে দেখে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তাদের ‘বিনিয়োগের তালিকা’ সাজাতে হবে।

১৮১৫ সাল থেকে ‘প্যাক্স ব্রিটানিকা’ নামে ব্রিটেন প্রতিষ্ঠিত শান্তির কথা জানি, যদিও ওই সময়কাল কতটুকু শান্তিপূর্ণ ছিল, জানি না। ১৯৪৫ সাল থেকে ‘প্যাক্স অ্যামেরিকানা’ নামে আমেরিকার অধীনে বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। এবার সেই ধরনের একটি দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা ইসরায়েলের।

দুটো প্রলয়ের সময় লক্ষ্য করা গেছে, শেয়ারের মূল্য যখন যুক্তিহীনভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে, তখন একদল বিজ্ঞজন মূল্যবৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ না দিয়ে সরকার বা ব্যাংকগুলোকে বেশি ঋণ প্রদানের আহ্বান জানান। এতে অনেক সরল বিনিয়োগকারী সর্বস্বান্ত হন।

ঈদের বোনাস হাতে পেয়েই অনেকের মাথায় শুরু হয় খরচের লম্বা তালিকা। কিন্তু সামান্য পরিকল্পনা করলে এই টাকাই হতে পারে সঞ্চয় ও ভবিষ্যতের ভরসা। খরচ, সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মধ্যে কীভাবে তৈরি করবেন সঠিক ভারসাম্য— জেনে নিন ঈদের বোনাস বুদ্ধিমানের মতো ব্যবহারের কিছু সহজ উপায়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে পরিবর্তন আসছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের ব্যাপারে বিএনপি জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে।

বৈঠকে দু'দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং সাইবার অপরাধ দমন, পুলিশ প্রশিক্ষণ খাতে সহযোগিতা, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

চক্রের মূলহোতা ফারদিন আহমেদ অবৈধভাবে অর্জিত টাকা বিভিন্ন শোরুম থেকে ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে গাড়ি কিনে তা দ্রুত কম দামে বিক্রি করে দিতেন । এভাবে কাগজে-কলমে ব্যবসায়িক লোকসান দেখিয়ে তিনি অবৈধ অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করতেন।

অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে কোথায় রেখে যাচ্ছে? অর্থনীতির অবস্থা কী? বিনিয়োগ, দুর্নীতি কোনটার কী অবস্থা? অন্তর্বর্তী সরকার বলেছিল নির্বাচনের আগে সংস্কার, সংস্কারের আগে নতুন বন্দোবস্ত। এটা কি শুধুই বুলি, নাকি বাস্তবেও কিছু হয়েছে? প্রধান উপদেষ্টাসহ উপদেষ্টারা কতটুকু কথা রাখতে পারলেন?