
কেন বিপিএলের জনপ্রিয়তা তলানির দিকে? কেন বারবার জোড়াতালি দিয়েই আয়োজন করা হয় বিপিএল? ঘুম থেকে উঠেই কি বিপিএলে দল কেনা সম্ভব? বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত কার ছিল? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর নিয়ে চরচার মুখোমুখি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সাবেক সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু।

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করে দিল ফ্রান্স। চমক আছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দলে। কোচ দিদিয়ের দেশম দলে রাখেননি এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গাকে। এ ছাড়া মোটামুটি সব তারকাই ফ্রান্সের ২৬ জনের চূড়ান্ত দলে জায়গা পেয়েছেন।

জার্মান সরকারের টাকায় বিশ্বখ্যাত এক কোচকে পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। দুই বছর প্রায় কর্মহীন ছিলেন তিনি। এরপর ‘ব্যর্থ’ তকমা দিয়ে বিদায় করা হয় তাকে। অথচ, সেই কোচই সৌদি আরব আর টোগোকে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করিয়েছিলেন। আর কোন কোচকে ‘বিনা পয়সায়’ পেয়েছিল বাংলাদেশ?

কমিটিতে উল্লেখযোগ্য সদস্য হিসেবে আছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার। তার সঙ্গে আরও আছেন তদন্ত কমিটির প্রধান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ. কে. এম. ওলি উল্লাহ।

বিশ্বকাপ ফুটবলের রোমাঞ্চ থেকে কি এবার বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের মানুষেরা? বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র ৩৩ দিন। কিন্তু জানা গেছে, এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সরাসরি সম্প্রচারের ব্যাপারে চুক্তি করেনি কোনো প্রতিষ্ঠান।

১৮৩ রান তাড়ায় বাংলাদেশ দল কেমন মানসিকতা নিয়ে ব্যাটিং করে, সেটা ছিল দেখার বিষয়। কারণ, গত এক বছরে এই ফরম্যাটে সেরা ক্রিকেটই খেলেছিল লিটন দাসের দল। তবে সব প্রস্তুতি মাটি করে বিশ্বকাপ বয়কট করে বাংলাদেশ।

১৯৯৭ সালের ৯ এপ্রিল বিশ্বকাপ যাত্রা নিশ্চিত করা আর ১৩ এপ্রিল আইসিসি ট্রফি জয়; আনন্দ তাই বাঁধ ভেঙেছিল। রাস্তায় তারুণ্যের মিছিল আর রঙ খেলা সেদিন ছুঁয়ে গিয়েছিল সবাইকে। বাড়ির আপাত গম্ভীর মুরুব্বির মুখেও ছিল হাসি। তৃপ্তির হাসি। ওই রকম সময় আসলেই আর আসেনি বাংলাদেশে।

ম্যাচের গতি ধরে রাখা ও সময়ের অপচয় রোধে এই পরিবর্তনগুলো কার্যকর হবে বলে মনে করছে ফিফা। দেখে নেওয়া যাক, বিশ্বকাপে ফিফার পাঁচটি নতুন নিয়ম…

৪০ বছর আগে, ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে খেলেছিল ইরাক। সেটিই প্রথম, সেটিই এখন পর্যন্ত শেষ। চার দশক পর ইরাক আবারও বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে আমেরিকায়। ছিয়াশির বিশ্বকাপে ইরাকের হয়ে খেলা দুই ফুটবলার খেলেছিলেন বাংলাদেশের ফুটবলে।

আবারও বিশ্বকাপ মিশনে ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে বিরল এক রেকর্ড গড়েছে ইতালি। ইতিহাসের প্রথম সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে তারা টানা তিনবার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হলো।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হলো বাংলাদেশকে ছাড়াই। ১৯৯৬ সালের পর এই প্রথম ক্রিকেটের কোনো বিশ্বকাপে ছিল না বাংলাদেশ। কিন্তু বিশ্বকাপ না খেলে, কী লাভ হলো বাংলাদেশের? বিষয়টি কী শুধুই আত্মগরিমার ব্যাপার? ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম কলকাতা গিয়েছিলেন বিশ্বকাপের দুটি ম্যাচ কাভার করতে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ নেই। অথচ বাংলাদেশই পাকিস্তানকে অনুরোধ করছে তারা যেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট না করে। ক্রীড়া সাংবাদিক নোমান মোহাম্মদ চরচার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন, পাকিস্তান বাংলাদেশকে নিয়ে এক ধরনের রাজনৈতিক খেলা খেলেছে।

১৯৯৪ সালের হতাশা পেরিয়ে বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের অভ্যাস। কিন্তু ২০২৬ সালে প্রথমবার, নিজের সিদ্ধান্তেই সেই মঞ্চে নেই বাংলাদেশ। নিরাপত্তা, রাজনীতি আর আইসিসির ভূমিকা- সব মিলিয়ে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা।

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। তবে টুর্নামেন্টে অংশ নিলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে না নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

আইসিসি কিংবা বিসিসিআইয়ের মতো প্রভাবশালী বোর্ডগুলোর একপাক্ষিক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ক্রিকেট যে চাপের মুখে পড়েছে, সেটিকে শুধু ক্ষতির চোখে দেখলে ভুল হবে। ইতিহাস বলে, বড় পরিবর্তনের সূচনা হয় এমনই চাপের মুহূর্তে।

অভিজ্ঞ পেসার হারিস রউফকে ছাড়াই আগামী মাসে ভারত ও শ্রীলংকার মাটিতে যৌথভাবে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য আজ ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না গেলে কী মাশুল গুনতে হবে? ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত কি আবেগপূর্ণ হচ্ছে, নাকি কৌশলগত? এর কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশ ক্রিকেটে? খেলা হবে-এ নাইর ইকবালের সঙ্গে এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম

আইসিসি সময় বেঁধে দিলেও বুলবুল জানান, “আমরা আমাদের মতো চেষ্টা করে যাব, এখনো হাল ছেড়ে দিচ্ছি না। আমরা আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করব আরও কিছু বিষয় নিয়ে এবং চেষ্টা করে যাচ্ছি, যাতে আমাদের ছেলেরা বিশ্বকাপ খেলতে পারে।”

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, ভারতে কোনো অবস্থাতেই বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

সব মিলিয়ে দেশের ক্রিকেট এই মুহূর্তে যে অস্থির সময় পার করছে, এমনটা অতীতে কখনো হয়নি বলে মনে করেন অনেকেই। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের আপাতত কোনো রাস্তাও দেখা যাচ্ছে না বা বিসিবি সেই রাস্তা খুঁজে বের করতে পারছে না।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলার জন্য রাজি করাতে এবার বাংলাদেশে আসছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুজন কর্মকর্তা। এই সফরে আইসিসির এই শীর্ষ দুই কর্মকর্তা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করবেন।

ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতার পুত্র হিসেবেই ক্রিকেট প্রশাসনে এসেছেন জয় শাহ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব হিসেবে কাজ করে তিনি আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। মোস্তাফিজ-ইস্যুতে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যেতে অনড় বাংলাদেশ। এটি এখন বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদার বিষয়। জয় শাহ এখন কী সিদ্ধান্ত নেবেন?