
একাধিক যুদ্ধের উদ্দেশ্য বিশ্ব ব্যবস্থায় তার হারানো প্রভাব ফিরিয়ে আনা। যুদ্ধই সেখানে একমাত্র সমাধান। তবে সাম্প্রতিককালের যুদ্ধ উপনিবেশ নিয়ে নয়। এ যুদ্ধ খনিজ সম্পদ এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের যুদ্ধ। সেদিক থেকে যদি ভাবি তাহলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়তবা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

একাধিক যুদ্ধের উদ্দেশ্য বিশ্ব ব্যবস্থায় তার হারানো প্রভাব ফিরিয়ে আনা। যুদ্ধই সেখানে একমাত্র সমাধান। তবে সাম্প্রতিককালের যুদ্ধ উপনিবেশ নিয়ে নয়। এ যুদ্ধ খনিজ সম্পদ এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের যুদ্ধ। সেদিক থেকে যদি ভাবি তাহলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়তবা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

পৃথিবীতে যত যুদ্ধ শুরু হয়েছে তার পেছনে ইউরোপ এবং আমেরিকার প্রত্যক্ষ অবদান ছিল। ইউরোপ উপনিবেশিক শক্তি। পৃথিবীর সম্পদ তারা প্রায় চার শতাব্দী ধরে ভোগ করেছে। সেই সুযোগ এখন সীমিত হয়ে আসায় তারা অনেকটা মরিয়া হয়ে পুনরায় যুদ্ধের পাঁয়তারা করছে।

পৃথিবীতে যত যুদ্ধ শুরু হয়েছে তার পেছনে ইউরোপ এবং আমেরিকার প্রত্যক্ষ অবদান ছিল। ইউরোপ উপনিবেশিক শক্তি। পৃথিবীর সম্পদ তারা প্রায় চার শতাব্দী ধরে ভোগ করেছে। সেই সুযোগ এখন সীমিত হয়ে আসায় তারা অনেকটা মরিয়া হয়ে পুনরায় যুদ্ধের পাঁয়তারা করছে।

ইরান-নির্মিত লেগো-থিমযুক্ত স্লপাগান্ডা হলো এই ধারার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ মাত্র। তবে এই উপাদানগুলো কেবল ভিডিওর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি ছবি, টেক্সট বা এআই দিয়ে তৈরি করা সম্ভব–এমন যেকোনো কিছু হতে পারে।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, পারমাণবিক যুদ্ধের হাত থেকে শতভাগ মুক্তি পাওয়া অসম্ভব। তবে বিজ্ঞানের তথ্য-উপাত্ত এবং ভৌগোলিক কৌশল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় নিউজিল্যান্ডের টিকে থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

মধ্যপ্রাচ্য-যুদ্ধে জড়িয়ে সবচেয়ে বিপদে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এখন যেকোনোভাবো মুখরক্ষা হলে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে চান। বিশ্লেষণ করেছেন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনায়।

পরিশেষে আমার ইউক্রেনের কথা মনে পড়ল। দেশটির প্রেসিডেন্টের কি কোনো কাজ নেই, সর্বক্ষণ ইইউ দেশগুলোর রাজধানীতে কিংবা হোয়াইট হাউজে ঘোরাফেরা করছেন, তার যে কি দাওয়াই লাগবে, না তিনি বুঝতেছেন, না তার সুহৃদরা।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এখন টালমাটাল। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত এবং এতে আমেরিকার ভূমিকা বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। কেন ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের মুখোমুখি? এই যুদ্ধে আমেরিকার অবস্থান এবং স্বার্থ কী? মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার প্রভাব কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তাপে অক্ষশক্তির ভেতরেই শুরু হয় টানাপোড়েন। লিবিয়ায় ইতালির শোচনীয় পরাজয় ক্ষুব্ধ করে তোলে হিটলারকে। দুই মিত্রের সম্পর্কে দেখা দেয় প্রথম বড় ফাটল।

ভয়াবহ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষে জাতিসংঘের জন্ম হয়। ১৯৪৫ সালের ২৬শে জুন আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘের চার্টার সাক্ষরিত হয়। একই বছরের ২৪শে অক্টোবর এটি কার্যকর করা হয়। জাতিসংঘের চার্টারের মূল কথা হলো, সকল সদস্য রাষ্ট্রের পরস্পরের সার্বভৌমত্বের প্রতি সমান মূল্যবোধ। এরপর আর একটি মূল্যবান ঘোষণা পত্

রোমান হলিডে’ (১৯৫৩)-র মাধ্যমেই তিনি প্রথম অভিনেত্রী হিসেবে একই সাথে অস্কার, গোল্ডেন গ্লোব এবং বাফটা (BAFTA) জয়ের অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। এছাড়াও আরও ৫ বার তিনি অস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।

সহজ কথায়, কোনো রাষ্ট্র যখন অন্য একটি রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধাবস্থায় থাকে, তখন সেই যুদ্ধরত দেশ বা শত্রু রাষ্ট্রের নাগরিকদের আইনি ভাষায় ‘Aliens of Enemy Nationality’ বলা হয়।

সবচেয়ে আতঙ্কিত ভবিষ্যদ্বাণীর একটি, ২০২৬ সালেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হবে। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় চীন-তাইওয়ান উত্তেজনা, রাশিয়া-আমেরিকা সংঘাত এবং ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই পূর্বাভাস নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

গণতন্ত্রের আড়ালে কি ফ্যাসিবাদের ধোঁয়াশায় ঢাকছে আমেরিকা? ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজর এখন গ্রিনল্যান্ড থেকে ইরান-সবখানেই! অন্যের ভূখণ্ড আর সম্পদের প্রতি ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য লালসা মনে করিয়ে দিচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগের সময়ের কথা।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে এমন এক ‘আক্রমণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা নাকি দ্বিতীয় ‘বিশ্বযুদ্ধের পর আর কেউ দেখেননি’। তবে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আবার কিছুটা সংযত সুরে বলেছেন, এটি ছিল ‘মূলত একটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অভিযান’।

উনবিংশ শতাব্দীর আগে নস্টালজিয়াকে ইতিবাচক কোনো অনুভূতি হিসেবে দেখা হতো না বরং একে একটি মানসিক রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ফলে দেশটিতে খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। তখন আমেরিকা প্রচুর গম সরবরাহ করে। এর ফলে জাপানে বাড়ল রামেন খাওয়া। কীভাবে? সেই গল্প জানতে পুরো ভিডিও দেখুন।

১৯৪৫ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে অল্প কিছু দিন। দিনাজপুরের এস্কান্দার পরিবারে জন্ম নিল ফুটফুটে এক মেয়ে শিশু। পারিবারিক চিকিৎসক ডা. অবনী গোস্বামী এস্কান্দার মজুমদারের কোলে শিশুটিকে তুলে দিয়ে বললেন, ‘নিন, আপনার মেয়ে। কেন যেন মনে হচ্ছে ও খুব ভাগ্যবতী!’

ইইউ এই জব্দ করা সম্পদের বিপরীতে বড় অঙ্কের টাকা ধার করবে এবং তা ইউক্রেনকে দেবে। মজার ব্যাপার হলো, ইউক্রেন এই টাকা তখনই ফেরত দেবে, যখন রাশিয়া যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ইউক্রেনকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।

জাপানের সঙ্গে চলমান দ্বন্দ্বের মধ্যেই বেইজিংয়ের কূটনীতিকরা জানাচ্ছেন যে, চীন তাদের দিকটি ব্যাখ্যার জন্য বৈঠকে বসতে চায়। তাদের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাইওয়ানের ওপর চীনের নিয়ন্ত্রণকে বৈধতা দিয়েছে।