
গত ২৮ এপ্রিল রাজধানীতে খুন হন শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন। এই হত্যার পেছনে কারা জড়িত? কেন খুন হলেন টিটন। পরিবার যা বলছে তা কি যৌক্তিক? কাজী সাজিদুল হকের সঞ্চালনায় আজকের বিশেষে বিশ্লেষণ করেছেন প্রতিবেদক সামদানী হক নাজুম ও আরমান ভূইয়া।

নাসার কিউরিওসিটি রোভার মঙ্গলের বুকে এমন কিছু জৈব যৌগের সন্ধান পেয়েছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। ৩.৫ বিলিয়ন বছর পুরনো পাথরের নমুনা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা কী জানতে পারলেন? সেখানে কি প্রাণের অস্তিত্ব ছিল?

বিশ্লেষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ট্রাম্পের ‘শত্রু’ ধারণার পুনর্মূল্যায়ন। সাধারণভাবে মনে করা হয়, তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রগুলো– যেমন চীন, রাশিয়া বা ইরান। কিন্তু লেখক যুক্তি দিয়েছেন, প্রকৃতপক্ষে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হলো ‘গ্লোবাল ফাইন্যান্স’।

এখানে একটি বৃহত্তর প্রশ্নও উঠে আসে–যুদ্ধের প্রাথমিক লক্ষ্য কী ছিল এবং তা কতটা অর্জিত হয়েছে? যদি লক্ষ্য ছিল দ্রুত রাজনৈতিক বা সামরিক ফলাফল অর্জন, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়ের এই ধারা সেই কৌশলের সীমাবদ্ধতাকেই তুলে ধরে।

অপর্ণা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের জন্য এক সতর্কবার্তা। নির্বাচন শুধু একটি প্রক্রিয়া নয়, এটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার যদি প্রশাসনিক জটিলতা, বিলম্ব বা কঠোরতার কারণে ক্ষুণ্ণ হয়, তবে গণতন্ত্রের ভিতই দুর্বল হয়ে পড়ে।

ইসরায়েল ছাড়া আর কাউকে পাশে কেন পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র? বিশ্ব জ্বালানি বাজার নিয়ে যে অস্থিরতা চলছে তা কোনদিকে নিয়ে যাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে? চরচা সংলাপে বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তফা।

বর্তমান জ্বালানি সংকট মূলত আমদানির অভাব নয়, বরং এটি একটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক এবং ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতাজাত সংকট। সরকার যদি গত বছরের ‘কোটা পদ্ধতি’ থেকে সরে এসে বর্তমানের বর্ধিত চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না বাড়ায়, তবে এই অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

এই বাস্তবতা আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে–আমরা কি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি, যা জাতিকে একই বৌদ্ধিক ও সামাজিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারে?

আবারও প্রশ্ন থেকে যায় যে, চীন কি ভারতের চেয়ে উন্নত এবং আরও সমান সম্পর্কের প্রতিনিধিত্ব করে, নাকি তারা তীব্র ভারতবিরোধী মনোভাবের প্রতিক্রিয়ায় আরও বেশি স্বায়ত্তশাসন বিসর্জন দেওয়াকেই পছন্দ করবে?

এই আলাপ সামনে আনা যেতে পারে যে, পাকিস্তানের সাথে পুনঃসংযোগ হয়ত কেবল ভারতকে হাসিনার অবস্থার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা বা আলোচনার জন্য চাপ দেওয়ার একটি কৌশল হতে পারে, যার বিনিময়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং পাকিস্তানের সাথে গভীরতর সম্পর্ক এড়ানো সম্ভব হবে।

সামরিক উত্তেজনা হয়তো ইরানকে আপসে রাজি করাতে পারে। অথবা উল্টোভাবে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বিত করতে পারে। তবু, আলোচনা ব্যর্থ হলেও উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত–নেতৃত্বাধীন জোটের ভরাডুবি প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ফারাক স্পষ্ট করেছে। ডয়চে ভেলের বিশ্লেষণে আদর্শিক দ্বন্দ্ব, ইতিহাসের বয়ান ও বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটকে প্রধান কারণ বলা হয়েছে। নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়তে আবেগ নয়, প্রয়োজন স্পষ্ট আদর্শ ও আস্থা।

আল জাজিরা লিখেছে, যারা মুহাম্মদ ইউনূসকে সমর্থন করেছিলেন, এখন তাদের মধ্যেও কিছুটা হতাশা এবং সুযোগ হারানোর গ্লানি কাজ করছে।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে একের পর এক ইস্যুতে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কে নজিরবিহীন টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সীমান্ত পরিস্থিতি, কূটনৈতিক ভাষ্য—এমনকি ক্রিকেট মাঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে এই অবনতি।

ব্রাসেলস-ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি) সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতি, সংসদ নির্বাচন, রাজনৈতিক দল, অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে একটি বিশ্লেষণ করেছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার বিষয় বিশ্লেষক টমাস কিন-এর সেই প্রতিবেদন নিয়ে চরচার আলোচনা।

ঢাকার রাজনীতিতে ‘কচুক্ষেত’ এখন শুধু এলাকা নয়, ক্ষমতার প্রতীক। নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীর অবস্থান ঘিরে বাড়ছে জল্পনা ও বিশ্লেষণ। গণতন্ত্রে ফেরার পথে বাংলাদেশ কি পারবে সামরিক ছায়া ছাড়াতে?

কৃষি, পরিবেশ-গবেষণা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নমূলক কাজে ড্রোনের ব্যবহার বাড়ছে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে ড্রোন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ‘এনভায়রনমেন্ট রিসার্চ সেন্টার’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ড্রোনের মাধ্যমে ডাটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রক্রিয়াকরণের ব্যবহারিক দিকগুলো শেখানো হয়

বাংলাদেশের এই নির্বাচন অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতির একটি মৌলিক দ্বিধাকে সবার সামনে এসেছে, তা হলো কাঠামোগত বদল ছাড়াই শাসন ক্ষমতার পরিবর্তন। হাসিনার পতন রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করলেও তা থেকে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত হয়নি। ফলে তরুণ ভোটাররা এখন বাস্তববাদিতা এবং আদর্শের মাঝে আটকে পড়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র কবে থেকে আমেরিকা নামটি নিল, পেছনের রাজনীতি কী? কিংবা যুক্তরাষ্ট্র আসলে যেভাবে আমেরিকা হয়ে উঠছে–তার এ যাত্রাটি কেমন? ১৭৭৬ সালে স্বাধীন হওয়া দেশটিকে থিওডর রুজভেল্টের আগে কোনো প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে আমেরিকা নামে ডাকেননি।

তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে রণধীর বলেন, “বাংলাদেশে অবাধ, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনকে সমর্থন করে ভারত। এই ঘটনাকে সেই প্রেক্ষাপট থেকেই দেখা উচিত।”

এক কথায়, রাশিয়া–ইউক্রেন শান্তিচুক্তি আটকে আছে নানামাত্রিক স্বার্থকেন্দ্রিক জটিলতায়। এত কিছুর ভিড়ে শান্তিচুক্তি কেবলই পিছিয়ে যাচ্ছে। আরও কত পেছাবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

‘যুদ্ধবিরতি’ আসলে একটি কূটনৈতিক ছলনা–গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান নির্মূল, উচ্ছেদ ও মুছে ফেলার প্রক্রিয়াকে আড়াল করার উপায়, এবং আন্তর্জাতিক জনমত ও গণমাধ্যমকে পথভ্রষ্ট করার কৌশল।