
ট্রাম্প, নেতানিয়াহু, পুতিন বা চিন পিং–সবাই মিলে এখন সেটাই করছেন, আরও করবেন নিশ্চয়ই। আমাদের মতো আমজনতার অপেক্ষা তাই আরও ‘বড় গুণ্ডা’র আগমনের। একমাত্র সেই চরিত্রটিই অন্যদের থামানোর কার্যকর চেষ্টাটি করতে পারবেন কিনা!

আল জাজিরার বিশ্লেষণ
অথচ গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল’-এ বলা হয়েছিল যে, আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতিতে মধ্যপ্রাচ্যকে আর আগের মতো গুরুত্ব দেওয়া হবে না; বরং পশ্চিম গোলার্ধের দিকে বেশি নজর দেওয়া হবে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একটি ‘ভালো চুক্তি’র আশা করছেন। তবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধের বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানে আছেন।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে, নতুন করে কোনো সামরিক অভিযান চালানো এবং আমেরিকা কীভাবে সরাসরি অংশ নিতে পারে বা ইসরায়েলকে সাহায্য করতে পারে সেই বিষয়ে বিকল্প প্রস্তাব দেবেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

তেল আবিবের হাবিমা স্কোয়ারে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রায় ১,৫০০ মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা জিম্মিদের প্রত্যাবর্তনের ব্যর্থতা, ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতার তদন্ত এবং সামরিক ছাড় সংক্রান্ত আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। তারা বর্তমান সরকারকে ‘সবচেয়ে খারাপ’ অভিহিত করে গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান জানান।

রোববার জমা দেওয়া এই আবেদনে নেতানিয়াহু দাবি করেন, এই ফৌজদারি মামলার কারণে তিনি কার্যকরভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন না এবং ইসরায়েলের বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষা করার জন্য মামলাটি বন্ধ করা উচিত।