
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান তানজিল চৌধুরী। তিনি সমাপ্ত বছরে ব্যাংকের সার্বিক পারফরম্যান্স এবং আগামী দিনের ব্যবসায়িক ও কৌশলগত ভবিষ্যত পরিকল্পনা শেয়ারহোল্ডারদের সামনে তুলে ধরেন।

প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ ৫৭৫০ স্কোর অর্জন করে চ্যাম্পিয়ন হয় এমটিবির ‘সাইবারস্যাভি’ দল। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ‘ডিবিবিএল সাইবার স্কোয়াড’ এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ‘সিবিবিএল ওয়ারিয়র’ দল।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহীর নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) মো. আমজাদ হোসেন খান।

ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক হিসেবে অব্যবহৃত স্থানগুলোকে সবুজ পরিবেশে রূপান্তর করতে চায় ব্র্যাক ব্যাংক।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নুরুন নেওয়াজ সেলিম। কেক কাটার মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়।

আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স হেলাল আহমেদ। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস মো. শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এম সারওয়ারউদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের পরিচালক রুমানা শরীফ, পরিচালক রানা লায়লা হাফিজ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. আলী।

এসবিএসি ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস.এম. মঈনুল কবীর এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্টের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা।

নতুন ফরমে আবেদনকারীর নাম, পিতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা এবং সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।

দ্রুত বদলাচ্ছে বাংলাদেশের আর্থিক খাত। স্মার্টফোন, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS), ডিজিটাল আইডেন্টিটি এবং অনলাইন ব্যাংকিংয়ের বিস্তারের ফলে ‘ডিজিটাল ঋণ’ বা ‘ই-লোন’ নতুন বাস্তবতা হয়ে উঠছে। বিশ্বের অনেক দেশেই ছোট অঙ্কের অনেক ঋণই আর ব্যাংকের কাউন্টারে নয়, বরং মোবাইল স্ক্রিনে অনুমোদন হচ্ছে।

চুক্তিতে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক মামুর আহমেদ। অন্যদিকে এমজির পক্ষে স্বাক্ষর করেন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রশিদ ভূইয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ঢাকা ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক এবং বর্তমান এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান এ.টি.এম. হায়াতুজ্জামান খান।
লেনদেন স্বাভাবিক করা, আমানতের টাকা ফেরত দেওয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে কয়েক দিন আগে চট্টগ্রামে একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন আমানতকারীরা। দুই দিন আগে নারায়ণগঞ্জেও একই দাবিতে বিক্ষোভ করেছে গ্রাহকরা। কথাবার্তা। গ্রাহকদের মূল দাবি, তারা জমা রাখা অর্থ ফেরত চান। কবে সেট

পূবালী ব্যাংকের পরিচালক রুমানা শরীফ, পরিচালক রানা লায়লা হাফিজ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. আলী আনুষ্ঠানিকভাবে লাউঞ্জটির উদ্বোধন করেন।

ডিজিটাল ঋণ বাংলাদেশের আর্থিক খাতের জন্য একটি বড় বাঁকবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এটি যেমন ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীকে আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনতে পারে, তেমনি অনিয়ন্ত্রিত হলে নতুন ধরনের আর্থিক সংকটও তৈরি করতে পারে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জরিমানা সুদের সর্বোচ্চ হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তারেক রিয়াজ খান এবং কনকর্ড ডায়াগনস্টিকস ও ইডব্লিউ ভিলা মেডিকা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নোয়াপাড়া গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ফাইজুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব কনজিউমার অ্যান্ড এসএমই ব্যাংকিং ডিভিশন এম নাজীম এ চৌধুরী এবং হযরত শাহ আলী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রানা ফেরদৌস রত্না।

গত কয়েক মাস ধরে দুর্বল এনবিএফআইগুলো নিয়ে তদন্ত ও পর্যালোচনা চলছিল। গত বছর ২০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে ২৯ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার।

এ নিয়ে চলতি মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ডলারে। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট প্রায় ৫৮৪ কোটি ডলার কিনেছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা তৈরি করে এই ব্যবস্থা চালু করতে হবে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষা নীতিমালা কঠোরভাবে মানতে হবে।