
বৈশ্বিক পরিবর্তনের পালাবদল শুরু হয়েছে। এর ভবিষ্যৎই কোন দিকে? বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

বিজেপির এই কঠোর অবস্থানের বিপরীতে তাদের নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের শরিক দলগুলো অনেক বেশি সতর্ক এবং বাস্তবসম্মত অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে অন্ধ্র প্রদেশের ক্ষমতাসীন দল টিডিপি বা তেলুগু দেশম পার্টি সরকারের পক্ষ থেকে ককরোচ জনতা পার্টির হ্যান্ডেলটি বন্ধ করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে ভালো চোখে দেখছে না।

প্রায়ই বলা হয়ে থাকে যে, যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো দেশের সঙ্গে সহজে ডিল করতে পারে না, যারা তাদের আনুষ্ঠানিক মিত্র বা বন্ধু নয়। আর ভারত সবসময় নিজের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বা সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করে এসেছে।

অন্য দিকে, সৌদি আরবও নিজে এই মুহূর্তে অত্যন্ত সাবধানে পা ফেলছে। কারণ যুদ্ধপরবর্তী এই নাজুক পরিস্থিতিতে ইরানের সাথে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে জড়ানো ওয়াশিংটনের সাথে তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি করতে পারে বা মার্কিন নিরাপত্তা বলয় থেকে দূরে সরে যাওয়ার তকমা এনে দিতে পারে।

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে এখনো গাছের নিচে বা মাটির ওপর দাগ কেটে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে ‘বাঘবন্দী’ খেলতে দেখা যায়। যদিও আজকাল এই দৃশ্য বিরল। অনেকেই ছেলেবেলায় এই খেলা খেলেছেন। প্রচণ্ড গরমে গাছের নিচে বসে খেলা হতো বাঘবন্দী। আবার বৃষ্টির দিন বাইরে অন্য কোনো খেলার সুযোগ না থাকলে ঘরের কোণা বা বারান্দায় বসেও

চীনের বেইজিংয়ে শুরু হয়েছে প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যকার হাই-প্রোফাইল শীর্ষ সম্মেলন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের পরপরই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় এর ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বিশ্বজুড়ে নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর এবার তিন দিনের সফরে বেইজিং যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং-এর সাথে শীর্ষ বৈঠকের পাশাপাশি দুই দিন চীনে কাটাবন পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্ট এমন এক সময় যাচ্ছেন যখন গোটা বিশ্ব অত্যন্ত অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করতে যাচ্ছেন।

ভারত কখনো শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার উজানের পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করে কোনো চুক্তি করেনি। ফলে ভাটিতে থাকা বাংলাদেশকে প্রতি বছর তার কৃষিভিত্তিক অঞ্চল আরও একটু করে শুকিয়ে যেতে দেখতে হচ্ছে।

ওমান উপসাগরের উত্তাল জলরাশিতে ভারতীয় জাহাজ ‘এমএসভি হাজি আলি’-র ওপর রহস্যময় ড্রোন হামলা! ১৪ জন ভারতীয় নাবিক অলৌকিকভাবে রক্ষা পেলেও তলিয়ে গেছে জাহাজটি। ২০২৬ সালের এই ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ধমনী ‘হরমুজ প্রণালি’ কি এখন অনিরাপদ?

আর্জেন্টিনা উপকূলে শত শত চীনা মাছ ধরার ট্রলারের রহস্যময় আনাগোনা কি কেবলই স্কুইড শিকার, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে বড় কোনো ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? আর্জেন্টিনার গোয়েন্দা সংস্থা এবং ওয়াশিংটনের দাবি, মাছ ধরার আড়ালে চলছে সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্রায়ন এবং গোয়েন্দাগিরি।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও পরশু শুক্রবার সফরের মূল কূটনৈতিক আলোচনা এবং আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমানে বিজয়ের জোটে তার নিজের দল টিভিকের ১০৭ জন বিধায়ক ছাড়াও রয়েছে কংগ্রেসের ৫ জন, সিপিআইয়ের ২ জন, সিপিআইএমের ২ জন, ভিসিকের ২ জন এবং আইইউএমএলের ২ জন বিধায়ক।

বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং অস্থিতিশীল জ্বালানি বাজারের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন, ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপ ও জ্বালানি আমদানিতে আকাশচুম্বী ব্যয়–এই ত্রিমুখী সংকট দেশের ‘এনার্জি ট্রানজিশন’ বা জ্বালানি রূপান্তরকে ত্বরান্বিত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির নানা দিক নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাংবাদিক তরুণ চক্রবর্তীর বিশ্লেষণে।

মমতা বলেন, “জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমাকে গিয়ে রেজিগনেশনটা দিতে হবে, নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।”

প্রায় ১৯৩টি আসনে এগিয়ে থেকে ‘ম্যাজিক ফিগার’ পার করেছে গেরুয়া শিবির। দলীয় অভ্যন্তরীণ লক্ষ্যমাত্রা ১৮৫-এর গণ্ডিও ছাড়িয়ে গেছে তারা। ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসকে (টিএমসি) সরিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের নেপথ্যের কারণ কী?

প্রথমবারের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ ১১ প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ‘প্রগতি’ নামের বহুজাতিক সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী। তবে এই ১১ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই।

ওপেক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকস্মিক বিদায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ঝাঁকুনি দিয়েছে। তেলের উৎপাদন কোটা নিয়ে অসন্তুষ্টি এবং সৌদি আরবের সাথে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক দূরত্বের কারণেই এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।

তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের কণ্ঠস্বর জোরালভাবে তুলে ধরতেও আগ্রহী। যেহেতু গ্লোবাল সাউথের অনেক দেশই একসময় পশ্চিমা শক্তিগুলোর উপনিবেশ ছিল, তাই তারা ঔপনিবেশিক আমলের সেই ক্ষতি বা অন্যায়ের বিচার চায়, যা তাদের মতে বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাতেও বিদ্যমান।

দেশটিতে সর্বোচ্চ নেতার কর্তৃত্ব কাগজে-কলমে থাকলেও তার বাস্তব প্রয়োগ দৃশ্যমান নয়। প্রেসিডেন্টের অবস্থান বর্তমান ব্যবস্থার সাথে সংগতিপূর্ণ হলেও তিনি নেতৃত্বে নেই। কূটনীতি সক্রিয় থাকলেও তা চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে না।

আগামী অক্টোবর মাসে ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের কয়েক মাস আগে প্রধানমন্ত্রীর এই স্বাস্থ্যগত তথ্য প্রকাশ রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।