
রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জ্বালানি চাহিদাও বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে ভারত সবসময় সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, এটি আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন, আপনাদের এই ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না। তবে এলাকার উন্নয়নে কিছু কাজ করে যেতে চাই।”

নেতাদের আয়ারাম, গয়ারামের খুব ভালো দুটি ছবি ধরা পড়ে ২০১৭ সালে মণিপুর ও গোয়ায়। ৬০ সদস্যের মণিপুর বিধানসভায় কংগ্রেস জিতেছিল ২৮টি আসনে এবং বিজেপি ২১টিতে। কিন্তু সরকার গঠন করে বিজেপি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। তিনি বলেন, তেলের কোনো সংকট নেই। তবে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি সরবরাহ চালিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে অর্থ অপচয় বা অনিয়ম আর সহ্য করা হবে না। প্রতিটি প্রকল্পে সঠিক মনিটরিং এবং তদারকি নিশ্চিত করতেই হবে।

আসন্ন ঈদযাত্রায় বাসভাড়া বাড়ার কোনো শঙ্কা নেই বলেও আশ্বস্ত করেন রেলমন্ত্রী।

প্রতিটি পরিবারকে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে, যার মাধ্যমে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকার সহায়তা দেওয়া হবে। এতে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক স্থিতিশীলতা কিছুটা হলেও নিশ্চিত হবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

মার্কিন দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল পরিবহন মালিক-শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সরকারি নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানান।

মাহবুব আনাম বলেছেন, “বর্তমান যুগে আইসিটি সবচেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। আইটি সেক্টর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা অনেক জব ক্রিয়েট করতে চাই এবং ইন্টারনেট সকলের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই।”

অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার চ্যালেঞ্জ-সংকট-সম্ভাবনা নিয়ে চরচা সংলাপে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান কথা বলেছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষারের সঙ্গে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, “বাংলা ভাষা নিজেই তদ্ভব, তৎসম, আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ ও ইংরেজিসহ অসংখ্য ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করে আজকের অবস্থানে পরিণত রূপ লাভ করেছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, আপনারা তারেক রহমানের প্রতি এবং বিএনপি সরকারের প্রতি আস্থা রাখুন, দেশ এগিয়ে যাবে।

ইনকিলাব শব্দের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে জেন জি-দের ফিরে আসতে হবে মাতৃভাষার দিকে। দেশের উন্নয়নের দিকে। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না’ বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।

ইনকিলাব শব্দের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে জেন জি-দের ফিরে আসতে হবে মাতৃভাষার দিকে। দেশের উন্নয়নের দিকে। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না’ বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।