
আসক জানিয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ ও ৩২ অনুচ্ছেদে শিশুদের জীবন, নিরাপত্তা ও মর্যাদার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে টিআইবি। খসড়া অনুযায়ী বাছাই কমিটিতে স্পিকার, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সরকারদলীয় এমপি ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব থাকবেন। টিআইবির মতে, এতে কমিশনের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ঝুঁকি তৈরি হবে।

মোহাম্মদির ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, তার বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রয়োজন। তার সাজা মেয়াদের অবশিষ্ট ১৮ বছর কাটানোর জন্য যেন তাকে আর কখনো কারাগারে ফিরতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গুমের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিশন এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮৩৭ টি অভিযোগ পেয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, ৬৭ শতাংশ গুমের ঘটনার সাথে র্যাবসহ রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো জড়িত।

ইরানের কারাগারে বন্দী শান্তিতে নোবেল পুরস্কারবিজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদির শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কারাগার থেকে সরিয়ে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে শনিবার তার পরিবার পরিচালিত একটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে।

বিবৃতি প্রদানকারী ১৭ জন নাগরিক অবিলম্বে রানী য়েন য়েনের ওপর থেকে এই ‘হয়রানিমূলক’ চিঠি প্রত্যাহার এবং একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা রোধে এমন পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।

“রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আমাকেও দীর্ঘ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। তখন আমি নিজে কারাগারে এমন অনেককে দেখেছি যারা শুধুমাত্র আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ার কারণে বছরের পর বছর ধরে বিনা বিচারে কারাগারে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন বা হয়েছেন।”

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বাক-স্বাধীনতা হরণের এক পৈশাচিক উৎসব চলছে। একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

মব আমাদের দেশে আর নতুন কোনো ঘটনা নয়। বরং যত দিন যাচ্ছে, এটি যেন নিত্যকার একটি ঘটনায় পরিণত হচ্ছে। সেই সাথে চলে আসছে ‘গুড মব’ বা ‘ব্যাড মব’-এর মতো ধারণাও। কখনো কখনো কোনো কোনো মবের প্রতিক্রিয়ায় আবার ‘গুড জব’ বলার প্রবণতাও ফুটে উঠছে দারুণভাবে!

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বক্তারা বলেছেন, জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করতে নাগরিক সংগঠন ও গণমাধ্যমের মধ্যে আরও কাঠামোগত ও টেকসই সহযোগিতা প্রয়োজন।

অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে আইনে পরিণত করার ক্ষেত্রে সরকার পিছু হটার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মার্চে ১১৩টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৮ জন এবং আহত হয়েছেন ৯১২ জন। মার্চে রাজনৈতিক সহিংসতা তুলনামূলক কমলেও নিহতের সংখ্যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় বেড়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৩৪৬টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০ জন।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য অধ্যাদেশসহ চারটি অধ্যাদেশ বাতিল করতে (রহিত) সংসদে বিল আনার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।

সম্প্রতি গ্রেপ্তার সাবেক তিন সেনা কর্মকর্তার বিচারে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। গতকাল বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ দাবি জানায়।

এছাড়া এ মাসে ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ নিহত হয়েছে। ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১২ দিনে দেশে সড়ক,নৌ ও রেলপথে দুর্ঘটনায় ১১৬ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৪৬০ জন।

তদন্ত অনুযায়ী, হামলার কয়েক মাস আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংবাদমাধ্যমগুলোকে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ ও ‘দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে হামলার ডাক দেওয়া হচ্ছিল। মেটা-কে এসব ক্ষতিকারক পোস্ট সরানোর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সতর্ক করলেও তারা ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

হাসিনা সরকারের আমলের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘিত অপরাধ বন্ধ হলেও, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্বিচারে আটক এবং সাংবাদিক, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ওপর সংঘটিত মব রুখতে ব্যর্থ হয়েছে।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আপনারা দেখেছেন বাংলাদেশে মানবাধিকার ইনডেক্সে আমরা বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড প্রায় শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছি। আমরা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেন্স (গুম) প্রায় শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছি। মিথ্যা–গায়েবি মামলা করার সংস্কৃতি আমরা কমিয়ে এনেছি।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে তেহরানের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইইউ এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তারা। তবে সাম্প্রতিক এই হামলার পর ইইউ এখন এক পরিচিত কূটনৈতিক সংকটে পড়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অসংখ্য গণ মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেগুলোর অনেকটিতে ১,২০০ থেকে ২,০০০ জন পর্যন্ত নাম-ঠিকানা না-জানা নাগরিককে একত্রে আসামি করা হয়েছে।

জাতিসংঘের কর্মকর্তা মনে করিয়ে দেন, যেকোনো সশস্ত্র সংঘাতের চূড়ান্ত মূল্য দিতে হয় সাধারণ নাগরিকদের। ক্ষেপণাস্ত্র বা বোমা কখনোই কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা’ গ্রহণ এবং জামিনে মুক্ত ব্যক্তিদের পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশনার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।