
ইরান জানিয়েছে, তারা এই প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছে, সেসব দেশও ইরানের লক্ষ্যবস্তু ছিল।

পেন্টাগনের বড় উদ্বেগের একটি বিষয় হলো থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বজায় রাখা। কারণ উত্তর কোরিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সক্ষমতা ধরে রাখতে দক্ষিণ কোরিয়া ও গুয়ামেও যুক্তরাষ্ট্র এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করে।

দেশটির অন্যতম বিরোধী শক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্র। সেই মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের দেওয়া তথ্যই বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্রের সবচেয়ে বড় মজুত আছে ইরানের। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালকের অফিস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল আছে কেবল ইরানেরই।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যে ইরানের প্রতিশোধ নেওয়ার সক্ষমতা সম্পর্কে কিছু ধারণা পাওয়া গেলেও তাদের এই দ্রুত প্রতিক্রিয়া বিস্ময়কর। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, ইরান এই ধরনের তীব্র হামলার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল।

সোমবার চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মির রকেট ফোর্স নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অত্যাধুনিক সব মিসাইল এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি। ইউনিটের একজন অফিসার সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তারা ‘কম্ব্যাট রেডি’ বা যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত এবং যেকোনো মুহূর্তে আঘাত হানতে সক্ষম।