
এদিকে বাসার মালিক আঞ্জুমান আরা ডলি জানান, প্রায় ছয় মাস আগে মো. মামুন নামের এক ব্যক্তি স্ত্রী পরিচয়ে কাবিননামা দেখিয়ে বাসাটি ভাড়া নেন। তিনি মূলত গ্রামের বাড়িতে থাকেন এবং দুই মাস পরপর এসে ভাড়া নিয়ে যান। এ ঘটনার বিষয়ে এর বেশি কিছু জানেন না তিনি।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বাসিন্দা সানজিদা কবির আনিকার সঙ্গে ঝালকাঠির কাটপট্টির বাসিন্দা হিমুর প্রেম ছিল। আনিকা মাঝে মাঝে হিমুর বরিশালের ওই বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। ওই ফ্ল্যাটটিতে হিমুর মা-ও থাকতেন।

পরিদর্শক সাইফুদ্দিন আরও বলেন বলেন, “মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কক্ষের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পাওয়া গেছে। ধারণা করছি, অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।”

হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন আহমেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার একটি কক্ষ থেকে তানজিলাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই আরও জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাত সাড়ে সাতটার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

একটি জলাশয়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো এবং দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা ছিল।

ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে জানিয়েছেন মাকসুদুল হাসান।

মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাহবুবুর রহমান।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

বিকেল পৌনে চারটার দিকে রমনা থানা পুলিশের একটি দল তাকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই আরও জানান, নিহতের মুখ দিয়ে লালা জাতীয় পদার্থ নির্গত হচ্ছে, মুখে থেকে মাদক জাতীয় বস্তু ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবুও মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

ইংরেজিতে পোস্টমর্টেমের ‘মর্টেম’ শব্দটি এসেছে লাতিন ভাষা থেকে। মর্টেম অর্থ মৃত্যু। আর পোস্ট অর্থ পরে। সব মিলিয়ে অর্থ দাঁড়ায়, ‘মৃত্যুর পরে’৷ মানে মৃত্যুর পরের পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

ল্যাব এবং জনবল সংকটের কারণে বাংলাদেশে ভিসেরা প্রতিবেদন তৈরি করা একটি সময় সাপেক্ষ বিষয়, এর ফলে ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হয়।