অস্ট্রেলিয়ার ফতোয়া কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, ১৪৪৭ হিজরি সালের রমজান মাস আগামীকাল বৃহস্পতিবার শেষ হবে। সেই অনুযায়ী ২০ মার্চ (শুক্রবার) অস্ট্রেলিয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে এবং শাওয়াল মাস শুরু হবে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
গত বছরের নভেম্বরে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে আগুন লাগে। সেই আগুনে পুড়ে যায় শাহিনুরসহ আরো অনেকের ঘর। এবারের ঈদ তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারেনি। ঈদের কেনাটা তো দূরের কথা, ইফতার সামগ্রী কেনার সামর্থ্য তাদের নেই।
ইরান–ইসরায়েল সংঘাতের কারণে জেরুজালেমে আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছে। ফলে জুমার দিনে অনেক মুসল্লিকে মসজিদের বাইরে রাস্তায় নামাজ আদায় করতে দেখা যায়। পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশকে এমন পরিস্থিতি নিয়ে মুসলিম বিশ্বে উদ্বেগ বাড়ছে।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোড খাদ্যরসিকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় একটা স্থান। সারা বছরওতো নানা খাবারের পসরা থাকেই, ইফতারের সময়ও অনেকের প্রিয় গন্তব্য সলিমুল্লাহ রোড। শিক কাবাব, চাপ, চিকেন টিক্কা, হালিম, স্যুপসহ নানা পদের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা।
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ইফতার সামগ্রী ‘বড় বাপের পোলায় খায়’। এই খাবারটি নিয়ে আছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকে এর প্রশংসা করেন, অনেকের মতে এটি উল্লেখযোগ্য খাবার নয়।
ঈদে নতুন পোশাক কিনে বসে থাকলে তো হবে না, বিশেষ দিনে নিজেকে সুন্দরভাবে উস্থাপনও তো করা চাই! ঈদের দিনের সাজ নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন মেহেজাবিন বিউটি পার্লারের বিউটি ট্রেইনার মানিকা সুলতানা।
রোজার সময় হালিম এবং জিলাপি ছাড়া ঢাকার ইফতার যেন ভাবাই যায় না। ফাইভ স্টার হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে চলছে ইফতার ও ডিনার ব্যুফে। দেশের শীর্ষ এই হোটেলে জিলাপির কেজি ৩২০০ টাকা। হালিম এক হাঁড়ি ৪৫০০ টাকা। এত দামি জিলাপি ও হালিমে কী থাকে?
ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং শহরে রমজানে সুপারহিরো সেজে ইফতার বিতরণ করছেন স্ট্রিট পারফর্মাররা। যানজটে আটকে থাকা রোজাদারদের হাতে তারা তুলে দিচ্ছেন ইফতার। এই উদ্যোগের লক্ষ্য মানুষের মাঝে সহমর্মিতা ও সেবার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।
ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের এক ইফতার বাজারে মিলছে দুই বাংলার খাবার। কলকাতার ফিশ ফ্রাইয়ের সাথে পাওয়া যাচ্ছে ঢাকার হালিম। কলকাতা স্টাইল বিরিয়ানি সঙ্গে মিলছে দেশি গরুর তেহারি। হরেকপদের কাবাব আর পিঁয়াজুও পাওয়া যাচ্ছে সেখানে।
স্বাভাবিকভাবেই তারা কমেন্টে না, ইনবক্সে দাম জানায়। রেগুলার দাম ৩,৯৯৯ টাকা। তবে রমজান উপলক্ষে ডিসকাউন্ট আছে ৫০০ টাকা। আর হোম ডেলিভারি ফ্রি।
সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) শরিফে বহু বছর ধরে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এখনো সেই পরম্পরা অব্যাহত রয়েছে। ভিডিও: দীপ্ত বৈষ্ণব
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেন ও বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে বাস কাউন্টারের টিকিট বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতারা এখনো আসা শুরু করেননি। ভিডিও: সজীব তারিক
রমজানে ডায়াবেটিস নিয়ে রোজা রাখবেন? সঠিক নিয়ম না জানলে হতে পারে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার মতো বিপজ্জনক ঝুঁকি। সেহরি থেকে ইফতার-খাদ্যাভ্যাস, সুগার মনিটরিং ও ওষুধ ব্যবস্থাপনায় কীভাবে থাকবেন নিরাপদ, জানুন সহজ গাইডলাইনে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পুরো রমজানজুড়ে বাজার মনিটরিং জোরদার থাকবে এবং অসাধু ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াতে পারবে না।
অনুদান দিতে গ্রাহককে বিকাশ অ্যাপের ‘ডোনেশন’ আইকনে ক্লিক করে যে প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দিতে চান তা নির্বাচন করতে হবে। এরপর নাম, ই-মেইল ও অনুদানের পরিমাণ উল্লেখ করে সাবমিট করতে হবে।
ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য রোজার ঈদে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। ঈদুল ফিতরের নামাজের আগেই ফিতরা দিতে হয়।
সারাদিন রোজা রেখেও শরীর ভেঙে পড়ছে? ইফতারে পেট ভরলেও কি দুর্বলতা কাটছে না? হয়তো সমস্যাটা আপনার ইফতারে নয়, লুকিয়ে আছে সেহরির প্লেটে! জানুন সেহরির সেই সঠিক পরিকল্পনা, যা রাখবে আপনাকে পুরো দিন শক্ত ও সতেজ।
বাজারের তুলনায় পণ্যের দাম কম হওয়ায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর গাড়ির সামনে ভিড় করছে সাধারণ মানুষ। তবে অভিযোগ রয়েছে, চাহিদার তুলনায় গাড়ির সংখ্যা কম এবং অনেকে বেশি পণ্য কিনে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে।
গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝেও রমজান ফিরেছে আশার আলো হয়ে। ভয় আর অনিশ্চয়তা সঙ্গী হলেও মানুষ খুঁজছে স্বাভাবিক জীবনের স্বাদ। হাজারো প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির ক্ষত বয়ে নিয়েও গাজার মানুষ রমজানকে টিকে থাকার প্রতীক হিসেবে আঁকড়ে ধরেছে।
রমজানে বিকেলের ক্লান্তি কি কেবল ক্ষুধা, নাকি লুকিয়ে আছে পানিশূন্যতার সংকেত? ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর কৌশল বদলে দিতে পারে পুরো দিনের অনুভূতি। কোন পানি, কোন খাবার আর কোন অভ্যাস রাখবে আপনাকে সতেজ—জানলে অবাক হবেন।
তিনি বলেন, রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখা ব্যবসায়ীদের নৈতিক দায়িত্ব। কোনো অবস্থাতেই খাদ্যে ভেজাল বরদাশত করা হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি দিনকে কাজে লাগিয়ে দেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও শক্ত অবস্থানে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।