এরপর কারখানার গেটে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের চাকরি দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান শ্রমিকরা। তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারী দেন আন্দোলনকারীরা।
পর্তুগালের বৃহত্তম ইউনিয়ন সিজিটিপির প্রধান, সংস্কারগুলোকে দেশের শ্রমিকদের ওপর চালানো সর্বকালের বৃহত্তম আক্রমণগুলোর একটি বলে অভিহিত করেছেন। ইউনিয়ন ১১ ডিসেম্বর সাধারণ ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে।