
আজকের সময়ের বার্তা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এম. লোকমান হোসাঈন বলেন, “আমার প্রতিষ্ঠানের একজন সাংবাদিকের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আমাকেও হুমকি দেওয়া হয়। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং জানিয়েছে, পুলিশ পদক প্রদান বা অনুমোদন সংক্রান্ত কোনো ফাইল বা সারসংক্ষেপ রাষ্ট্রপতির কাছে নিষ্পত্তির জন্য পাঠানো হয়নি বা পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশের সাংবাদিকতার এই হাল কেন? গণমাধ্যম কাকে বলব, কাকে বলবা, তার কি নতুন করে সংজ্ঞায়ন দরকার? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে সাংবাদিকতা কি কঠিন হয়ে যাচ্ছে? সাংবাদিকদের নামে এত হত্যা মামলা কেন? বিএনপি সরকার মুক্ত সাংবাদিকতাকে বাধা দেওয়ার শঙ্কা আছে কি?

অর্থনীতিতে শক্তিশালী হয়েও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় কেন উগান্ডার পেছনে বাংলাদেশ? যে উগান্ডাকে নিয়ে আমরা ট্রল করি, সূচকের বিচারে তারাই এখন আমাদের চেয়ে এগিয়ে। এই পরিস্থিতির পেছনের আসল কারণ কী?

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কে বিজয়ী হবে? নির্বাচনে বিজেপি হেরে গেলে কী হবে? সংবাদিকদের বিরুদ্ধে হ*ত্যা মামলা কেন? এ ধরনের মামলা কি হাস্যকর নয়? বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে পর্যালোচনা হচ্ছে কী?

বাংলাদেশের সাংবাদিকতা যে ‘কাম নাই করতে’ অবস্থায় পৌঁছাল, সেটি আসলে শুধুই মোবাইল জার্নালিস্টদের অবদান নয়। বরং নিউজ মিডিয়ার পুরো ইকোসিস্টেমই এর জন্য দায়ী। ভোক্তারাও দায়ী। সবাই মিলেই একে নেওয়া হয়েছে খাদের কিনারায়

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে কোনো প্রকার ‘সময়ের চাপ’ বা তাড়াহুড়ো নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, সংবাদমাধ্যমটির উপস্থাপিকা মার্থা ম্যাককালামের সঙ্গে এক ফোনালাপে এমন মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলার সংবাদ পরিবেশন নিয়ে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বক্তারা বলেছেন, জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করতে নাগরিক সংগঠন ও গণমাধ্যমের মধ্যে আরও কাঠামোগত ও টেকসই সহযোগিতা প্রয়োজন।

বাংলাদেশে মাসমিডিয়া কি ক্লাসমিডিয়ায় পরিণত হয়েছে? সাংবাদিকদের ওপর মানুষের ক্ষোভের পেছনে কারণ কী? চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।

বাংলাদেশে মাসমিডিয়া কি ক্লাসমিডিয়ায় পরিণত হয়েছে? সাংবাদিকদের ওপর মানুষের ক্ষোভের পেছনে কারণ কী? চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম কি সত্য বলছে? সরকার বিব্রত হয়–এমন তথ্য কি সংবাদমাধ্যম প্রচার করে? সংবাদমাধ্যমের ওপর মানুষের আস্থা কেন কমছে? বাংলাদেশে মাসমিডিয়া কি ক্লাসমিডিয়ায় পরিণত হয়েছে? সাংবাদিকদের ওপর মানুষের ক্ষোভের পেছনে কারণ কী?

আদালতের নির্দেশে ভারতের নয়া দিল্লিতে সংবাদ সংস্থা ইউএনআইয়ের কার্যালয় সিলগালা করেছে সেখানকার পুলিশ। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণও যেন হাতবদল হয়ে যায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর আবারও সামনে এসেছে সম্পাদকীয় নিয়ন্ত্রণ দখলের প্রতিযোগিতা। সাংবাদিকতার নৈতিকতার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ে রাজনৈতিক আনুগত্যের কাছে।

যেকোনো দেশেরই শাসন কাঠামো অবশ্যই স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যমকে ভয় পায়। একই সঙ্গে পুঁজিবাদী কাঠামোও ভয় পায়। এই ভয়ের কারণটি মূলত নিজেদের স্বেচ্ছাচারিতা, শোষণ ও দুর্নীতি প্রকাশিত হওয়ার আশঙ্কায় নিহিত।

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ইরানকে গোপনে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া। এমন বিস্ফোরক দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাধীন গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।

সেদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদক জায়মা ইসলাম শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু নিয়ে লিড স্টোরি তৈরি করছিলেন। হাদি ছিলেন একটি যুব আন্দোলনের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ২০২৪ সালের আগস্টে ওই আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত হন।

আমাদের দেশে এখনো এমন একটি মনোভাব চালু আছে যে, ফ্যাক্ট-চেক করা মানেই সেটি অবধারিত সত্য! এ ধরনের মনোভাব ছড়ানোর পেছনে ফ্যাক্ট-চেকারদেরও অবদান আছে। প্রচলিত সংবাদমাধ্যমকে জবাবদিহির মধ্যে আনতে গিয়েই এমনটা করা হয়েছে বা এমন মনোভাব গড়ে উঠেছে কিছুটা।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সরকারপ্রধানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এমন বিজ্ঞাপন নতুন কিছু নয়। গত আওয়ামী লীগের সরকারের আমল থেকেই এমনটা চলে আসছে। মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোরও এতে বাণিজ্য ভালোই হয়।

হংকংয়ের মিডিয়া টাইকুন জিমি লাইকে বিদেশি শক্তির সঙ্গে আঁতাত এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক প্রকাশনার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে বলেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফেরার পরকিল্পনা করছে। ভারতের কলকাতায় বসে দলটির নির্বাসিত নেতারা রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের যে পরিকল্পনা করছে–তা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। গার্ডিয়ানের সেই প্রতিবেদন নিয়ে চরচার বিশ্লেষণ।