
মনিরা শারমিন বলেন, তার প্রার্থিতা বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন, যার শুনানি আগামীকাল সোমবার। সে পর্যন্ত ইসিকে গেজেট প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান মনিরা।

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি অনুযায়ী বিএনপি জোট ৩৬ জন, জামায়াত জোট ১৩ জন এবং স্বতন্ত্র জোট একজন প্রার্থী মনোনয়ন দেয়।

প্রার্থীদের মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৫২ কোটি টাকা। তবে এর মাঝেও বৈচিত্র্য আছে। কারো কারো সম্পদের পরিমাণ তাদের স্বামীদের চেয়েও বেশি।

মঈন উদ্দীন খান বলেন, “নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (প্রত্যাহারের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা) কোনো প্রার্থী প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। শূন্য পদের সমান পদে মনোনয়নপত্র হওয়ায় আইন অনুযায়ী আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) গেজেট প্রকাশ করব।”

মনিরা শারমিন বলেন, “আমরা হাইকোর্টে এটার জন্য রিট করব…আমি চাই না যে আইনের অস্পষ্টতার জন্য নারীদের সংসদে প্রতিনিধিত্ব এবং নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন আসলে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।”

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর অধীনে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হয়। ওই আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও)-এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।

নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় দলটির নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের আবেদন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে, দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা নিয়েও তৈরি হয়েছে তীব্র আইনি জটিলতা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্রের বিষয়ে বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন তালিকা দিয়েছে বিএনপি, জামায়াতসহ দলগুলো। কেমন হলো এই তালিকা? নারী অধিকার রক্ষায় এবং বৈষম্য নিরসনে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা আসলে কতটা কাজ করতে পারবেন? নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন কেন গৃহীত হলো না?

সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মনোনয়নের তালিকা ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নামগুলোর একটি সুবর্ণা শিকদার ঠাকুর।সুবর্ণা গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন এবং দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার উপস্থিতির ছবিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় পার হওয়ার ১৯ মিনিট পর জাতীয় নারীশক্তির মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন জমা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “যাছাই-বাছাইয়ে কারো প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী আসন উন্মুক্ত হয়ে যাবে। এরপর আমরা আবার একটা তফসিল দেব। ওই আসনে সবাই যার যার প্রার্থী দেবে। এরপর সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে ওই উন্মুক্ত আসনের প্রার্থী নির্বাচন করবেন।”

তিনি আরও বলেন, “ত্রয়োদশ সংসদে আমরা সবাই আসতে পেরে আজকে ধন্য। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা সংসদ। ১৭ বছর পরের এই সংসদ গণতন্ত্র উত্তরণে এবং বাংলাদেশকে সৌন্দর্যশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবে এবং আমরা কাজ করব।”

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। আজ সোমবার দলের পক্ষ থেকে নামগুলো ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

ইসি ৮ এপ্রিল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে, যেখানে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে কারা প্রার্থী হতে চলেছেন– এ নিয়ে আলাপ আলোচনা শুরু গেছে। এই ৫০টি আসনের মধ্যে বিএনপি সবচেয়ে বেশি আসন পাবে। দলটি কাদের মনোনয়ন দেয় এবং শরিকদের কোনো আসন ছাড়বে কিনা– এসব প্রশ্ন উঠেছে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত শুনুন সোহরাব হাসানের আলোচনায়।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হতে তিন দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ১ হাজার ৩০০ জন। এর মধ্যে অন্তত ৯০০টি মনোনয়নপত্র ইতোমধ্যে জমা পড়েছে।

সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও জোট গঠনের পথে হাঁটছেন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া চিঠি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জোটভিত্তিক এই সমীকরণে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মতোই ছয় স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যও সংরক্ষিত নারী আসনে একজনকে মন

সংসদ সচিবালয় যে তালিকা পাঠিয়েছে, তাতে মোট ভোটার সংখ্যা ২৯৬ জন। এখন ইসি আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।