
১৯৭৯ সালে সমাজতান্ত্রিক দুই রাষ্ট্র চীন ও ভিয়েতনামের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। হো চি মিনের যুগের ঘনিষ্ঠ মিত্রতা ভেঙে পড়ে ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায়। এই সংঘাত দেখায়, আদর্শ নয়-সীমান্ত ও ক্ষমতার হিসাবই শেষ পর্যন্ত নির্ধারক।

কাস্ত্রোর শাসনামলেই কিউবা পশ্চিম গোলার্ধের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত হয়। একুশ শতক পর্যন্ত তিনি দেশটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিলেন এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবরোধের মুখেও টিকিয়ে রেখেছিলেন কিউবা’কে।

কনভেনশনের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফী রতন।

জোহরান মামদানির বিজয় তাই নতুন দিগন্তের আশা দেখায়। কঠোর ইসলামোফোবিয়া ও বর্ণবাদের মাঝেও তার জয় প্রমাণ করে–মানুষ এখনো ন্যায়, সমতা ও মর্যাদার রাজনীতিকে মূল্য দিতে প্রস্তুত। তবে নির্বাচন কেবল শুরু। সামনে আরও কঠিন কাজ–প্রতিশ্রুতিকে নীতিতে রূপান্তর, আশাকে বাস্তব পরিবর্তনে পরিণত করা।

গত কয়েক বছর ধরেই এই ফ্যাসিজম নিয়ে এ দেশের রাজনৈতিক মহলে নানা কড়চা শোনা যাচ্ছে। কেউ কাউকে ফ্যাসিস্ট বলে অভিধা দিচ্ছে, তো কাউকে বলা হচ্ছে ফ্যাসিস্টের দোসর। কিন্তু ফ্যাসিজম আসলে কী?

ক্ষমতা নানামাত্রিক হয়। ঘর থেকে রাষ্ট্র, সবখানেই ক্ষমতা থাকে নানা চেহারায়। তবে সাধারণভাবে ‘ক্ষমতা’ নামের শব্দটি শুনলেই আমাদের মনে ভাসে মূলত দেশের বিষয়, সরকারের অবয়ব। আর এই ক্ষমতাই কখনো কখনো সব খেয়ে ফেলে! আর তখনই ক্ষমতা হয়ে ওঠে একচেটিয়া। এবার ক্ষমতার সেই সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েই বিস্তারিত জানা যাক।