
ইয়োনাগুনি এখন আর শুধু একটি দ্বীপ নয়, এটি পরিণত হয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় শক্তির লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান এটিকে প্রতিরক্ষা বলয় হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে চীন এটিকে স্পষ্ট উসকানি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে।

সম্পূর্ণ যুদ্ধ ক্ষমতা অর্জনের আগে ফুজিয়ানকে আরও তিনটি মূল ধাপ অতিক্রম করতে হবে। প্রথমে বিমানবাহী রণতরী-ভিত্তিক বিমান দিয়ে একে সাজাতে হবে।