
সোমেন চন্দ। বাংলা সাহিত্যের তিন উদীয়মান তরুণ সাহিত্যিকের একজন। সুকান্ত কবি হিসেবে, সোমেনচন্দ আধুনিক কথাশিল্পের স্থপতি হিসেবে এবং খান মোহাম্মদ ফারাবী উভয়কে ধারণ করে বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই তিন সাহিত্যিকের কেউই ২২ বছরও বাঁচতে পারেননি। অর্থাৎ ২২ বছরের পূর্বে, ২১-এর ঘরে

কথাশিল্পী শংকরের প্রথম উপন্যাস ‘কত অজানারে’। ১৯৬২ সালে বের হয় তার দ্বিতীয় উপন্যাস ‘চৌরঙ্গী’। তারপর ৬০ বছরে এই ধ্রুপদী উপন্যাসের ১২৫টি সংস্করণ বেরিয়েছে। বাংলাসাহিত্যের এমন জনপ্রিয় উপন্যাস খুব বেশি নেই। বইটি ইংরেজি ছাড়াও ফরাসি, স্প্যানিশ, রুশ, জাপানি ও চীনা ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।

আসন্ন অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগেই বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ—একজন আলেম, বিপ্লবী ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ। শিক্ষাকে জাতি গঠনের মূল হাতিয়ার ভেবে তিনি গড়ে তোলেন ভারতের উচ্চশিক্ষার কাঠামো। তার উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠিত হয় ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ও সাহিত্য আকাদেমি।

দাপ্তরিক নাম মণিশংকর মুখোপাধ্যায় হলেও তিনি পরিচিত ছিলেন ‘শংকর’ নামে।

১৯১৪ থেকে ১৯২১–দীর্ঘ সাত বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় জেমস জয়েস গড়ে তুলেছিলেন প্রায় ৮০০ পৃষ্ঠার এক বিশাল সাহিত্যকীর্তি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই বিশাল কলেবরের উপন্যাসের পটভূমি জুড়ে আছে মাত্র একটি দিনের গল্প–১৯০৪ সালের ১৬ জুন।

দুর্বোধ্য হয়েও ‘ইউলিসিস’ আধুনিক সাহিত্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী উপন্যাস। মাত্র এক দিনের গল্পে জয়েস গড়ে তুলেছেন ডাবলিনের চিরন্তন প্রতিচ্ছবি। শত বছর পেরিয়েও এই উপন্যাস বিশ্বসাহিত্যে এক বিস্ময়।

শুরুতে সমালোচকেরা পড়ে গেছিলেন মহাফাঁপরে। ছোট পাঠকদের মোহিত করা এই ‘ননসেন্স’ বা অর্থহীনতার রস তারা উপলব্ধি করতে পারেননি। কিন্তু ক্যারল জানতেন শিশুদের মন কত সরল হয়। আর তাই চিরাচরিত যুক্তিকে উল্টে দেওয়ার পদ্ধতিটি তাদের কাছে দারুণ আবেদন তৈরি করেছিল।

বিগ ব্রাদার ইজ ওয়াচিং ইউ’-এই ঐতিহাসিক সতর্কবাণীর স্রষ্টা জর্জ অরওয়েল। তার জন্ম বাংলার মোতিহারিতে, যা অনেকের কাছেই অজানা ইতিহাস। আজ তার মৃত্যুদিন।

‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ–কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা