
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা সংবিধান মেনেই এই পর্যন্ত এসেছি এবং সংবিধান মেনে চলছি এবং সামনেও সংবিধান মেনে চলার আশা রাখি।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই দিবসগুলোতে আমরা ঐতিহ্যগতভাবে আলোকসজ্জা করে থাকি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেন ফুয়েল ক্রাইসিস না হয় এবং কৃচ্ছতা সাধন করতে পারি সেজন্য এবার আলোকসজ্জা করা হবে না।”

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের জন্য এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অন্তবর্তী সরকারের আমলে যেসব মামলা করা হয়েছে, তার বেশির ভাগই গয়রহ ও পাইকারী। একটি হত্যা মামলায় ৪০০ জন পর্যন্ত আসামি করা হয়েছে। আবার দিনাজপুরের ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দাকে কিংবা সিলেটের ঘটনায় চট্টগ্রামের বাসিন্দাকে আসামি করা হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশের শান্তিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।”

চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসসহ কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ সোমবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্

এবারই উচ্চকক্ষ গঠিত হচ্ছে কি না জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এটা আলাপ-আলোচনার বিষয়। তবে আমরা ডেপুটি স্পিকার দেওয়ার বিষয়টি এখন অফার করতেই পারি।”

জুলাই আন্দোলনের কবর কি আসলেই হয়ে গেছে? শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্র কি সত্যিই জড়িত? এসব নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন ডাকসু নেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুখপাত্র ফাতিমা তাসনিম জুমা

গণঅভ্যুত্থানে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন বা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন তাদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে হবে–এ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। সনদের সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরেছে, তাই ভিসা কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তিনি হাইকমিশনারকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোনো ধরনের মব হামলা আর ঘটতে দেওয়া হবে না।

জুলাই আন্দোলনের কবর কি আসলেই হয়ে গেছে? শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্র কি সত্যিই জড়িত? বাংলাদেশ কি আবার আগের পথেই হাঁটছে? নতুন বিএনপি সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পরও নিপীড়ন কেন চলছে? শিক্ষার্থীরা কী ভাবছে? বাংলাদেশে নারীদের বারবার হেনস্তার শিকার হতে হয় কেন?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাধীন গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পুলিশের জনবল বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করছি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পেলে খুব শিগগিরই আরও ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ করা হবে।”

মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাই। সেজন্য সারাদেশে চাঁদাবাজি নির্মূল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাই। সেজন্য সারাদেশে চাঁদাবাজি নির্মূল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।