
স্বপন বশাক ওই প্রতিষ্ঠানে মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেতনে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু মালিকের অগাধ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে অন্যান্য কর্মচারীদের সহযোগিতায় ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ৭ হাজার ৫৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ করেন। বর্তমান বাজারদরে যার মূল্য প্রায় ৯৪

একটি ডাচ জাদুঘর থেকে চুরি হওয়া আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন সোনার হেলমেট ও ব্রেসলেট ফিরে পেয়েছে রোমানিয়া। অভিযুক্ত চোরকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

হারারের একজন ব্যবসায়ী লক্ষ্য করেছেন যে, জিম্বাবুয়েতে অপরাধের হার কতটা কম তা দেখে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অবাক হয়ে যান। তারপর তিনি একটু থেমে হাসলেন এবং একটি স্থানীয় কৌতুক শোনালেন: “জিম্বাবুয়েতে কোনো অপরাধী গ্যাং না থাকার কারণ হলো, এখানকার সবচেয়ে বড় গ্যাংটি খোদ ক্ষমতাসীন দলই।”

দেশের বাজারে সোনার দাম ফের বেড়েছে। ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা।

যদিও স্বর্ণ এখনো ঐতিহাসিকভাবে উচ্চমূল্যে রয়েছে। কিন্তু এর ‘নিরাপদ আশ্রয়’ হওয়ার ভাবমূর্তিটি চিরতরে বদলে গেছে। বিনিয়োগকারীদের এখন স্বর্ণকে একটি সাধারণ সম্পদ হিসেবে দেখে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তাদের ‘বিনিয়োগের তালিকা’ সাজাতে হবে।

অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, ঈদের আগের তিন দিন থেকে বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ৩০ থেকে ৪০টি টিম দিন-রাত দায়িত্বপালন করছে। পাশাপাশি দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য স্ট্যান্ডবাই টিমও রাখা হয়েছে।

২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরি প্রতি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ফলে ভরি প্রতি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেট মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৯৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দর বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ বা সোনার রাস্তা নির্মিত হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে গোল্ড ডিস্ট্রিক্ট উদ্বোধনের সময় এই চমকপ্রদ ঘোষণাটি দেয় আবাসন ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন সংস্থা ‘ইথরা দুবাই’।

স্বর্ণের দাম যেন রকেটের গতিতে ছুটছে! ২০২৫ সালেই এর দাম বেড়েছে ৬০%-এর বেশি। কিন্তু কেন হীরা-জহরতকেও হার মানিয়ে বিনিয়োগকারীরা এখন স্বর্ণের পেছনে ছুটছেন? এর পেছনে রয়েছে বৈশ্বিক রাজনীতির অস্থিরতা আর অর্থনৈতিক কিছু সমীকরণ।

বাজার বিশ্লেষক নিকোলাস ফ্রাপেল জানিয়েছেন, বর্তমানে বাজার সংবাদের ওপর ভিত্তি করে চলছে। যদি বিশ্ব পরিস্থিতিতে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তবে স্বর্ণের এই বাড়তি দাম আবার কিছুটা কমেও যেতে পারে।

বিশ্ববাজারে সোনার দামের লাগাম যেন টানা যাচ্ছেই না! প্রতিদিনই ভাঙছে নিজের রেকর্ড, আর তার প্রভাব এসে পড়েছে দেশের বাজারেও। চলুন জেনে নিই—বিশ্ব থেকে বাংলাদেশ, কোথায় গিয়ে ঠেকেছে সোনার দাম।

বিশ্ব বাজারে হুট করে বেড়েছে সোনার দাম। এর প্রভাব পড়েছে দেশের সোনার বাজারে। এখন সোনার ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। এই যখন অবস্থা তখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে- সোনার দাম বাড়া ও কমার কারণ কী?

দেশের বাজারে আরেক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। যা আজ মঙ্গলবার থেকেই কার্যকর।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা বাজারের একটি সোনার দোকানে ৭০ ভরি স্বর্ণ, ৬০০ ভরি রুপা চুরি ও নগদ চার লাখ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে।

দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন-বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর।

এনামুল হক বলেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের অনেক সময় ভুলভাবে চোরাচালানকারীর সঙ্গে যুক্ত করা হয়, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, দেশে স্বর্ণের ভ্যাট ১.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার জন্য তিনি কাজ করবেন।

অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। জুয়েলার্স সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ছয় হাজার ২০৫ টাকায়।