
ভারত ও পাকিস্তানে গরম যখন মৃত্যুসম
এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

বিশ্ব বাজারে সোনার দাম গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পড়ে গেছে। ২০২০ সালের আগস্টের পর গত মঙ্গলবার সোনার দাম কমেছে সবচেয়ে বেশি। অথচ সোমবারই (২০ অক্টোবর) সর্বোচ্চ বেড়ে দাম হয়েছিল প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৮১ দশমিক ২১ ডলার। কিন্তু ঠিক পরদিনই তা পড়ে গেল প্রায় ৫ শতাংশ। এটি সোনার দরপতনের একটি রেকর্ড।
কত কমলো সোনার দাম
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার সোনার দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১১৫.২৬ ডলারে নেমে আসে। এদিন আমেরিকায় ডিসেম্বর ফিউচার ডেলিভারির সোনার দর প্রতি আউন্সে ৫.৭ শতাংশ কমে ৪,১০৯.১০ ডলারে স্থির হয়।
তবে হঠাৎ এই ধস নামার কারণ কি
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমেরিকায় সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা, বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাই এই পতনের প্রধান কারণ।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্যবসায়ী তাই ওয়ং বলেন, “গত এক সপ্তাহে দাম যেভাবে বেড়েছে তাতে মনে হচ্ছে অনেক ব্যবসায়ীই স্বল্পমেয়াদে মুনাফা তুলে নিতে চাইছে। তাই হুট করে দাম পড়ে গেলেও মনে হচ্ছে না বিক্রি কমবে।”
সোনার দাম শিগগিরই কি আবার বাড়বে

যদি আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ আগামী সপ্তাহে সুদের হার কমায়, তাহলে সোনার দাম আগের জায়গায় ফিরতে পারে, কারণ কম সুদের হার সাধারণত সোনার মতো স্থির সম্পদে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা তৈরি করে। তবে স্বল্পমেয়াদে সোনার দামের অস্থিরতা থাকবে বলেও শঙ্কার কথা জানিয়েছে রয়টার্স।
সোনার দামে ধস, প্ল্যাটিনাম, রুপার মতো ধাতুর বাজার কেমন
তিনি আরও বলেন “দেখা যাচ্ছে রুপার দাম সাম্প্রতিক কালে সর্বোচ্চ উঠেছিল ৫৪ ডলার। আর এখন দাম ৫০ ডলারের আশপাশে ওঠানামা করছে। ফলে, সোনার দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকা পর্যন্ত রূপার লেনদেন সম্ভবত বড় ধরনের ওঠানামার মধ্য দিয়ে চলবে।”
অন্যদিকে, প্লাটিনামের দাম ৫ দশমিক ৯% কমে এক হাজার ৫৪১ দশমিক ৮৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৫ দশমিক ৩% কমে এক হাজার ৪১৭ দশমিক ২৫ ডলারে নেমে এসেছে।

এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

বিশ্বকাপ জেতা দল শিরোপা ধরে রাখতে পারে না ৬৪ বছর ধরে। এবার আর্জেন্টিনা সব শঙ্কা পেছনে ফেলে সেই ইতিহাস বদলাতে পারবে কিনা, সেই প্রশ্ন সময়ের হাতেই!

একসময় কোরবানির ঈদের দিন বিকেলের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা শহর, হাট-বাজার ও মহল্লায় কাঁচা চামড়ার নগদ বেচাকেনা শেষ হয়ে যেত। মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা কিংবা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানতেন—চামড়া হাতে মানেই নগদ টাকা। দাম নিয়ে কিছু দর-কষাকষি থাকলেও বাজারে ক্রেতা থাকত, নগদ অর্থ থাকত, এবং দ্রুত চামড়া সংগ্রহ করে আড়

প্রধানত শিয়া মুসলমানরা ‘ঈদুল গাদির’ পালন করে। তাদের কাছে অন্য দুই ঈদের চেয়েও এই ঈদ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আশুরার পরই এই দিনটির অবস্থান। ঈদুল আজহা তো পালিত হয় জিলহজ মাসের দশম দিনে, ঈদুল গাদির পালিত হয় একই মাসে, ১৮তম দিনে। ঈদুল গাদিরে অবশ্য পশু কোরবানি দেওয়া হয় না। মূলত বিশেষ নামাজ আদায় ও রোজা রাখা হয়।