
ভারত ও পাকিস্তানে গরম যখন মৃত্যুসম
এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের একটি বিশেষ মুহূর্ত এখন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সফরের আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বাইরে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং নিজেই ট্রাম্পকে নিয়ে যান ব্যক্তিগত বাগান ঝংনানহাইয়ে, যা সাধারণত বিদেশি নেতাদের জন্য খুব কমই উন্মুক্ত করা হয়।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বাগান ঘুরে দেখেন ট্রাম্প। এ সময় ট্রাম্পকে গোলাপের বীজ পাঠানোর প্রস্তাব দেন সি। পরে দুই নেতা চা ও মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন এবং আলোচনা অব্যাহত রাখেন।
অন্য নেতাদেরও এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয় কিনা–ট্রাম্পের এমন প্রশ্নের জবাবে সি বলেন, “খুবই কম আনা হয়।” তিনি জানান, শুরুতে এখানে কোনো কূটনৈতিক অনুষ্ঠান হতো না, পরে কিছু অনুষ্ঠান হলেও তা এখনও অত্যন্ত বিরল।
এরপর ট্রাম্পের দিকে ইশারা করে চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, “পুতিন এখানে এসেছিলেন।”
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউস বা ক্রেমলিনের সঙ্গে তুলনা করা হলেও ঝংনানহাই চীনের সবচেয়ে গোপনীয় স্থানগুলোর একটি। এই কমপ্লেক্সটি শতাব্দী প্রাচীন লাল দেয়ালে ঘেরা এবং সাধারণ মানুষের জন্য প্রায় অদৃশ্য। খুব অল্পসংখ্যক মার্কিন প্রেসিডেন্টই এখানে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন।
এই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কড়া। চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিশেষ সামরিক ইউনিটের মাধ্যমে এখানে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পাশাপাশি, এই কমপ্লেক্সের ছবি ও মানচিত্র অনলাইনে কঠোরভাবে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
ট্রাম্পকে কেন এখানো আমন্ত্রণ জানানো হলো?
শুক্রবারের বৈঠকে ভেন্যুর গুরুত্ব তুলে ধরেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি। তিনি জানান, ২০১৭ সালে ট্রাম্প ফ্লোরিডার মার-এ- লাগোতে তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাই তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে ঝংনানহাইয়ে বৈঠকের আয়োজন করেন।
জায়গাটি কেবল কার্যালয় নয়, চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের বাসস্থানও। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সি ট্রাম্পকে বলেছেন, এখানেই কমিউনিস্ট পার্টি ও কেন্দ্রীয় সরকারের নেতারা কাজ ও বসবাস করেন। তিনি আরও জানান, ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই কমপ্লেক্সেই অবস্থান করছে দেশটির শাসক দল। এখানে মাও সেতুং, ঝৌ এনলাই, দেং শিয়াওপিং, জিয়াং জেমিন ও হু জিনতাওসহ বিভিন্ন সময়ের নেতারা থেকেছেন।
কমিউনিস্ট পার্টির ক্ষমতার কেন্দ্র হওয়ার আগে ঝংনানহাই ছিল চীনা সম্রাটদের বিশ্রাম নেওয়ার একটি রাজকীয় উদ্যান।
সফরের সময় ট্রাম্পকে কমপ্লেক্সের ভেতরের কয়েকটি প্রাচীন গাছ দেখান সি, যার মধ্যে একটি প্রায় ৪৯০ বছর পুরোনো। তিনি জানান, এখানকার কিছু গাছের বয়স এক হাজার বছরের বেশি।
এই সময় ট্রাম্পকে গাছ ছুঁয়ে দেখতে উৎসাহিত করেন সি। পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়ে ট্রাম্প বলেন, “জায়গাটি খুব সুন্দর, আমার ভালো লেগেছে। এরকম পরিবেশের সঙ্গে আমি সহজেই মানিয়ে নিতে পারব।”
১৯১২ সালে চীনের সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতনের পর ঝংনানহাই প্রেসিডেন্টের বাসভবনে রূপান্তরিত হয়। পরে গৃহযুদ্ধ শেষে কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় এলে মাও সেতুং এটিকে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
এর আগে বেশ কয়েকজন মার্কিন প্রেসিডেন্টও এখানে সফর করেছেন। ১৯৭২ সালে ঐতিহাসিক চীন সফরে এসে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এখানে মাও সেতুংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে জর্জ ডব্লিউ বুশ তৎকালীন চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে বারাক ওবামা সি চিনপিংয়ের সঙ্গে এখানে বৈঠক করেন। বৈঠকে চীনের ইতিহাস ও যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়।

এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

বিশ্বকাপ জেতা দল শিরোপা ধরে রাখতে পারে না ৬৪ বছর ধরে। এবার আর্জেন্টিনা সব শঙ্কা পেছনে ফেলে সেই ইতিহাস বদলাতে পারবে কিনা, সেই প্রশ্ন সময়ের হাতেই!

একসময় কোরবানির ঈদের দিন বিকেলের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা শহর, হাট-বাজার ও মহল্লায় কাঁচা চামড়ার নগদ বেচাকেনা শেষ হয়ে যেত। মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা কিংবা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানতেন—চামড়া হাতে মানেই নগদ টাকা। দাম নিয়ে কিছু দর-কষাকষি থাকলেও বাজারে ক্রেতা থাকত, নগদ অর্থ থাকত, এবং দ্রুত চামড়া সংগ্রহ করে আড়

প্রধানত শিয়া মুসলমানরা ‘ঈদুল গাদির’ পালন করে। তাদের কাছে অন্য দুই ঈদের চেয়েও এই ঈদ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আশুরার পরই এই দিনটির অবস্থান। ঈদুল আজহা তো পালিত হয় জিলহজ মাসের দশম দিনে, ঈদুল গাদির পালিত হয় একই মাসে, ১৮তম দিনে। ঈদুল গাদিরে অবশ্য পশু কোরবানি দেওয়া হয় না। মূলত বিশেষ নামাজ আদায় ও রোজা রাখা হয়।