
ভারত ও পাকিস্তানে গরম যখন মৃত্যুসম
এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

এক দিন বাদে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ৫০টি দলের এক হাজার ৭৫৫ জন প্রার্থী।
এর বাইরে ভোটের মাঠে ২৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। সবমিলিয়ে ২৯৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে দুই হাজার ২৮ জন।
এবার সর্বোচ্চ ২৯১ জন প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দেশের আরেকটি বড় দল আওয়ামী লীগের এবার ভোটের মাঠে লড়ার সুযোগ নেই। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেছে।
প্রার্থী সংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির প্রার্থী রয়েছে ২৫৮ জন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রয়েছে ২২৪ জন। জাতীয় পার্টির ২০০ জন, গণঅধিকার পরিষদের ৯৪ জন আর এনসিপির ৩২ জন ভোটের মাঠে লড়ছেন।
বৃহস্পতিবার ভোট হবে ২৯৯ আসনে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোট স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন।
গত ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর তিন হাজার ৪১৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে। মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল ২৯ ডিসেম্বর। বাছাই, আপিল ও নিষ্পত্তি শেষে প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে ভোটের প্রচার শেষ হয় ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায়।
সংসদ নির্বাচনেরর পাশাপাশি এবার সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে ভোটাররা গণভোটেও ভোট দেবেন। ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
কোন দলের কতজন প্রার্থী
এর বাইরে নিবন্ধিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম এল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম এবার ভোটে অংশ নিচ্ছে না। আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই দলটির।

এই তীব্র তাপ ও আর্দ্রতার ঝুঁকি সমাজের সব স্তরের মানুষ সমানভাবে ভোগ করে না, বরং এই বিপর্যয় অত্যন্ত অসমভাবে আঘাত হানে।

বিশ্বকাপ জেতা দল শিরোপা ধরে রাখতে পারে না ৬৪ বছর ধরে। এবার আর্জেন্টিনা সব শঙ্কা পেছনে ফেলে সেই ইতিহাস বদলাতে পারবে কিনা, সেই প্রশ্ন সময়ের হাতেই!

একসময় কোরবানির ঈদের দিন বিকেলের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা শহর, হাট-বাজার ও মহল্লায় কাঁচা চামড়ার নগদ বেচাকেনা শেষ হয়ে যেত। মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা কিংবা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানতেন—চামড়া হাতে মানেই নগদ টাকা। দাম নিয়ে কিছু দর-কষাকষি থাকলেও বাজারে ক্রেতা থাকত, নগদ অর্থ থাকত, এবং দ্রুত চামড়া সংগ্রহ করে আড়

প্রধানত শিয়া মুসলমানরা ‘ঈদুল গাদির’ পালন করে। তাদের কাছে অন্য দুই ঈদের চেয়েও এই ঈদ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আশুরার পরই এই দিনটির অবস্থান। ঈদুল আজহা তো পালিত হয় জিলহজ মাসের দশম দিনে, ঈদুল গাদির পালিত হয় একই মাসে, ১৮তম দিনে। ঈদুল গাদিরে অবশ্য পশু কোরবানি দেওয়া হয় না। মূলত বিশেষ নামাজ আদায় ও রোজা রাখা হয়।