চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর গুলিস্তান স্টেডিয়াম এলাকার সামনে থেকে একটি পদযাত্রা কর্মসূচি চলাকালে তাকে আটক পরে মতিঝিল থানা পুলিশ। পরে নিষিদ্ধ ঘোষিত কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রেজাউল করিম বলেন, “তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল করেছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে তিনি নানাভাবে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছেন।”
এর আগে অধ্যাপক জামাল উদ্দীন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সামনে থেকে ঢাকা-টুঙ্গিপাড়া ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা ২০২৬’ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। বুধবার সকালে গুলিস্তান স্টেডিয়াম এলাকা থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রা জিরো পয়েন্টে পৌঁছালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে গেলে অধ্যাপক জামাল উদ্দীনসহ পাঁচজন মারধরের শিকার হন। সেদিন বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘গণকান্নার’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে সেখানে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের মারধর করে। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর গুলিস্তান স্টেডিয়াম এলাকার সামনে থেকে একটি পদযাত্রা কর্মসূচি চলাকালে তাকে আটক পরে মতিঝিল থানা পুলিশ। পরে নিষিদ্ধ ঘোষিত কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রেজাউল করিম বলেন, “তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল করেছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে তিনি নানাভাবে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছেন।”
এর আগে অধ্যাপক জামাল উদ্দীন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সামনে থেকে ঢাকা-টুঙ্গিপাড়া ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা ২০২৬’ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। বুধবার সকালে গুলিস্তান স্টেডিয়াম এলাকা থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রা জিরো পয়েন্টে পৌঁছালে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে গেলে অধ্যাপক জামাল উদ্দীনসহ পাঁচজন মারধরের শিকার হন। সেদিন বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘গণকান্নার’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে সেখানে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের মারধর করে। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

উদীচীর নেতারা আরও বলেন, জাতীয় সংগীতের সময় উঠে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানানো জাতীয় প্রতীকের প্রতি অবমাননাকর আচরণ। জাতীয় সংগীত শুধু একটি গান নয়, এটি মুক্তিযুদ্ধ, আত্মত্যাগ ও জাতিসত্তার প্রতীক। তাই এর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা সাংবিধানিকভাবেও বাধ্যতামূলক।