
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত পরিবহন ও সংরক্ষণে মস্কো প্রস্তুত রয়েছে। ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির অধীনে যে ব্যবস্থা আগে নেওয়া হয়েছিল, সেটি পুনরায় চালুর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

দীর্ঘ তিন মাসের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সংক্ষিপ্ত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটছে। এই খসড়া প্রস্তাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও হিমায়িত তহবিল ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান। তবে ইরান সেই দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে। ইরান শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালি খুলে দিলেও মার্কিন ব্লকেড এখনও আছে। বুধবারের মধ্যে চুক্তি না করলে ইরানে ফের হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। এরইমধ্যে আগামীকাল সোমবার ফের ইসলামাবাদে বৈঠক

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই বলেছেন, তেহরান কোনো অবস্থাতেই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠাতে রাজি নয় এবং এ ধরনের কোনো প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়নি।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানের আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে থাকা প্রায় ২ হাজার কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ন্ত্রণ করা। এর মধ্যে আমেরিকার উদ্বেগের বিষয় হলো ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ করা ৪৫০ কেজি ইউরেনিয়াম।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, আলোচনা কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক হলেও ইরান এখনো নির্ধারিত কিছু ‘রেড লাইন’ মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলবে, তবে প্রয়োজনে সামরিক বিকল্প খোলা আছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

ইউরেনিয়াম কী, কীভাবে উত্তোলন হয় এবং কোথায় ব্যবহার করা হয়—জানুন বিস্তারিত। খনি থেকে পারমাণবিক জ্বালানি হতে লাগে দীর্ঘ সময় ও বিপুল বিনিয়োগ। আইএইএর তথ্য অনুযায়ী ইউরেনিয়াম উত্তোলন সহজ নয়, নিরাপত্তাই বড় চ্যালেঞ্জ।

বেশ কিছু দিন ধরে বাংলাদেশে ইউরেনিয়াম নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে তুমুল আলাপ। কেউ কেউ তো খুব দ্রুতই ইউরেনিয়াম তোলার আবেদনও জানাচ্ছেন।

ডাকসুর কনসার্টের খবরে কেন গান নয়, ইউরেনিয়াম ও সিগারেট শিরোনাম হলো? স্লোগান উঠেছে ইউরেনিয়াম ইউরেনিয়াম–কেন? ডাকসুর কনসার্টে শিক্ষার্থীরা কেন জুলাই আন্দোলনের স্লোগানগুলো বিকৃত করেছে? শোনা গেছে গোলামির পক্ষের স্লোগান!

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পরমাণু আলোচনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের তর্ক তীব্র হয়েছে। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধের শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তেহরান। এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে বাড়ছে।

গবেষক দলের একজন দিল্লির এইমসের ডা. অশোক শর্মা সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন, ইউরেনিয়ামের মাত্রা অনুমোদিত সীমার নিচে থাকায় মা ও শিশু উভয়ের ওপর এর প্রকৃত স্বাস্থ্যগত প্রভাব ন্যূনতম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।