
২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করে ইরান। এনডিটিভির প্রতিবেদনে রিয়াদ, মানামা, দুবাই, দোহা ও কুয়েতে ঘটে যাওয়া পাঁচটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার বিবরণ উঠে এসেছে।

হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন কমান্ডার নিহত হওয়ার পর, মিত্র রাষ্ট্রগুলোতে পশ্চিমা সামরিক ঘাঁটি ও বেসামরিক ভবন লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হয়। যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়া থেকে শুরু করে ড্রোন হামলা এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত বেশ কিছু নাটকীয় ঘটনার জন্ম দিয়েছে।

সেন্টকমের তথ্যমতে, যুদ্ধবিমানগুলো ‘অপারেশন এপিক ফিউরির’ সমর্থনে কুয়েতের আকাশসীমায় উড্ডয়নরত ছিল। প্রাথমিক তদন্তে একে একটি ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা মিত্রপক্ষের ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ইরানে ব্যাপক হা মলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। হামলার প্রথম দিনই নিহ ত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। নিহ ত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হাম লা শুরু করেছে। এই সং ঘাত ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আঞ্চলিক সং ঘাতে রূপ নিতে চলেছে।

কুয়েতে আকামাবিহীন বাংলাদেশি কর্মীদের মৃতদেহ দেশে ফেরত আনতে চাঁদা তোলা বা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ না করে দূতাবাসের আর্থিক সহায়তার জন্য লিখিতভাবে আবেদন করার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।