
পুরান ঢাকার আবুল হাসনাত রোডে (সাত রওজায়) অবস্থিত ‘আনন্দ কনফেকশনারী’-এর দইবড়া বেশ সুস্বাদু, এতে হালকা জিরার স্বাদ রয়েছে, দইবড়ার দইটি বেশ ঘন-এ কারণে ক্রিমি একটি স্বাদ পাওয়া যায়। বেশ মিষ্টি এই দইবড়া।

অনেকেই স্ট্রেস কমাতে, মুখ ফ্রেশ রাখতে বা অতিরিক্ত খাওয়া কমানোর জন্য চুইংগাম চিবিয়ে থাকেন। কারণ যাই হোক, এটি একটি খুব সাধারণ অভ্যাস। তবে অনেকেরই একটি ভয় থাকে—ভুলবশত গিলে ফেললে এটি পেটে দীর্ঘদিন আটকে থাকে, এমন ধারণা থেকে অযথা দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। তবে এ ধারণা ঠিক নয়।

একসময় পান্তা ভাতকে কেবল ‘গরিবের খাবার’ মনে করা হলেও, বর্তমান আধুনিক বিজ্ঞান বলছে এর বহু গুণ আছে। পান্তা ভাত কেবল পেট ভরায় না, এটি শরীরের জন্য এক প্রাকৃতিক ‘সুপারফুড’।

রমজানে ডায়াবেটিস নিয়ে রোজা রাখবেন? সঠিক নিয়ম না জানলে হতে পারে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার মতো বিপজ্জনক ঝুঁকি। সেহরি থেকে ইফতার-খাদ্যাভ্যাস, সুগার মনিটরিং ও ওষুধ ব্যবস্থাপনায় কীভাবে থাকবেন নিরাপদ, জানুন সহজ গাইডলাইনে।

বিশেষ কোভিড মহামারির সময় থেকে মানুষ ইন্সট্যান্ট নুডলস দিয়ে নানা ধরনের নিরীক্ষাধর্মী রেসিপি ফুড ট্রেন্ডের শীর্ষে চলে আসে। তবে এই খাবারটি আমাদের ক্ষুধা মেটালেও এটি শরীরের জন্য কতটা উপকারী বা অপকারী, তা নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বিতর্ক চলছে।

রাজধানীর নিউমার্কেটের ১ নম্বর গেটের কাছে ঝালমুড়ি বিক্রি করেন রুবেল হোসেন। তার বিশেষ ঝালমুড়ির নাম ‘ব্রেকআপ’। ঝালমুড়ির নাম এমন কেন? আসুন জানা যাক।

সন্ধ্যা ৭টায় রাতের খাবার খেয়ে যদি রাত ১টা পর্যন্ত জেগে থাকেন, তবে আবার ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। তখন অনেকেই দ্বিতীয় দফা খাবার খেয়ে ফেলেন। এই অভ্যাসটি হালকা মনে করলেও ধীরে ধীরে এটি ক্ষুধার সংকেত, ঘুমের মান এবং এমনকি ওজনের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শীতকালে হাঁসের মাংস খাওয়ার চল বহুদিনের। কেন শীতকালে হাঁস খাওয়া হয়?

কালা ভুনা মানে এখন অনেকে বিশ্বাস করেন কষিয়ে কষিয়ে মাংস কালো করে ফেলার একটা রেস্টুরেন্টকেন্দ্রিক গল্প। কিন্তু মানুন আর না মানুন, এটা কালা ভুনা নয়।

অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ হলো এটি কোনো ‘ক্রাশ ডায়েট’ নয়। এটি মানুষকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ পথ দেখায়।

বেলা দশটা-এগারোটার খিদে হোক বা সন্ধ্যার নাশতা-গরম গরম শিঙাড়া ছাড়া অনেকের চলেই না। কিন্তু শিঙাড়া এলো কী করে? পারস্যের সামোসা থেকে সুলতানি দরবার পেরিয়ে বাংলার ঘরে ঘরে শিঙাড়ার যাত্রা, আর আলু ভরা নিরামিষ রূপ পাওয়ার গল্প-সবটা নিয়েই খানওদাওনের এই পর্বে।

পিরিয়ডের অনিয়ম, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস), থাইরয়েডের সমস্যা কিংবা মেনোপজ পরবর্তী জটিলতা, সবকিছুর মূলেই রয়েছে হরমোনের কারসাজি। এই সমস্যার সমাধানে ইদানীং পুষ্টিবিদরা ওষুধের চেয়ে জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন।

দিল্লি সালতানাতের পতনের পর শাহী খানসামারা ছোট ছোট রাজ্যের রাজা, নবাবদের হেঁশেলে ঠাঁই পেলেন। সেখানে গিয়ে বানাতে শুরু করলেন নানা পদ। যেহেতু তারা একসময় মোগলদের হেঁশেলে কাজ করতেন তাই তাদের খাবার হয়ে গেল ‘মোগলাই’।

আমরা কী খাই, সেটি সরাসরি প্রভাব ফেলে সেরোটোনিন, ডোপামিনের মতো ‘ফিল-গুড’ নিউরোট্রান্সমিটারের ওপর। তাই মন খারাপ, ক্লান্তি বা অস্থিরতার সময়ে কিছু খাবার সত্যিই মুড বদলে দিতে পারে।

শর্করা শত্রু নয়, ভুল শর্করা শত্রু। সঠিক কার্ব বেছে নিলেই স্বাস্থ্য ঠিক থাকে, শরীরও থাকে হালকা ও প্রাণবন্ত।

ব্যস্ত দিনের পর একটু আরাম করতে করতে খাবার খাওয়ায় যেন কোনো সমস্যা নেই এটাই মনে হয়। তবে এর বাস্তবতা ভিন্ন। বরং এতে খাবারের স্বাদ, পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, এমনকি হজম,সবই প্রভাবিত হয়।

পুষ্টিহীনতার এসব লক্ষণ যদি নিয়মিত দেখা দেয়, তবে খাদ্যাভ্যাসে নজর দেওয়া জরুরি। প্রতিদিন ফল, শাকসবজি, আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও যথেষ্ট পানি রাখলে ধীরে ধীরে শরীর তার ভারসাম্য ফিরে পায়।

ঋতেন্দ্রনাথ লিখেছেন, “বিশ্বকোষে ‘লুচি’ দেশজ শব্দ অর্থাৎ বাঙ্গলার প্রাকৃত শব্দ বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে তাহা ভ্রমাত্মক।

জাপানিদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বহু গবেষণার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ধারণা হলো ‘হারা হাচি বু’ (Hara Hachi Bu)। এটি শুধু ডায়েট নয়, জীবন দর্শনও।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং হলো একটি সহজ-সরল খাবার বিরতির প্যাটার্ন, যা জীবনযাপনের ব্যস্ততার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ। তবে সবার শরীর আলাদা; তাই আইএফ শুরু করার আগে নিজের স্বাস্থ্য-অবস্থা, কাজের ধরন এবং ব্যক্তিগত অভ্যাস বিবেচনা করা জরুরি।

যারা বলেন, পদটি মধ্য এশিয়া থেকে উৎসাহিত। তারা যে খুব একট ভুল বলেন এমন নয়। কারণ, আজকের কাজাখস্তান এবং আশপাশের অঞ্চলের যাযাবররা মাংস যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য ওই পশুর চর্বিতেই তা রান্না করতেন। তাদের দেওয়া হতো মাখনও। আর তারা এই পদটি করতেন ভেড়ার মাংস দিয়ে।

পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারে কালাচানের চা বেশ জনপ্রিয়। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে চাপ্রেমীরা ভিড় করেন এই ছোট্ট চায়ের দোকানে। হরেক রকমের চা পাওয়া যায় এখানে, যেমন মাল্টা ও তেঁতুল চা। কিন্তু সবচেয়ে বেশি চলে এখানকার ‘লেমন টি’। অনেকের মতে, ১০ টাকায় এমন চা আর কোথাও মিলবে না।