
মুম্বাই থেকে চেন্নাই- পুরো ভারতজুড়ে অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়নের বড় মাশুল গুনতে হচ্ছে দেশের সবচেয়ে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের। নিম্ন আয়ের দলিত পরিবারগুলোর অভিযোগ, এলাকায় ডেটা সেন্টার আসার কারণে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে অথবা জমি বিক্রি করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ঈদুল আজহার আনন্দঘন উপলক্ষে আমাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক যেন আরও সুদৃঢ় হতে থাকে।”

একটি নতুন রাজনৈতিক দলের আবির্ভূত হওয়ার মতো যথেষ্ট জায়গা এখন রয়েছে। এমনকি যদি সেটি একটি তেলাপোকার রূপ ধারণ করে বা পোশাকে সেজেও আসে।

বিজেপির এই কঠোর অবস্থানের বিপরীতে তাদের নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের শরিক দলগুলো অনেক বেশি সতর্ক এবং বাস্তবসম্মত অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে অন্ধ্র প্রদেশের ক্ষমতাসীন দল টিডিপি বা তেলুগু দেশম পার্টি সরকারের পক্ষ থেকে ককরোচ জনতা পার্টির হ্যান্ডেলটি বন্ধ করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে ভালো চোখে দেখছে না।

ক্রিস স্মিথ ভারতকে একটি চরম ঐতিহাসিক ভুলের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, অতীতে ঠিক এই একই দমনমূলক পথ অবলম্বন করেছিল সোভিয়েত রাশিয়া, কমিউনিস্ট চীন এবং অন্যান্য একনায়কতান্ত্রিক কমিউনিস্ট সরকারগুলো, যারা চার্চ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি জবরদস্তিমূলকভাবে জাতীয়করণ করেছিল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতবাসীর কাছে যা চান, সাধারণত তা-ই পেয়ে যান। মহামারির সময় তিনি যখন ভারতীয়দের ঘরে থাকা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন, পুরো দেশ তা মেনে চলেছিল।

ভারত কখনো শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার উজানের পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করে কোনো চুক্তি করেনি। ফলে ভাটিতে থাকা বাংলাদেশকে প্রতি বছর তার কৃষিভিত্তিক অঞ্চল আরও একটু করে শুকিয়ে যেতে দেখতে হচ্ছে।

আমেরিকা-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় চরম চাপের মুখে ভারতের অর্থনীতি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে সোনা কেনা ও বিদেশ ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' মডেলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। যুদ্ধের প্রভাবে দে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের জনগণকে বাড়ি থেকে কাজ করার, আন্তর্জাতিক সফর এড়িয়ে চলার এবং সোনা না কেনার আহ্বান জানিয়েছেন। আমেরিকা-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করেছে।

সাবেক হাসিনা সরকারের অধীনে বাংলাদেশ ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলোকে আংশিক ছাড় দিয়েছিল। যেমন, মাদ্রাসার প্রসার ঘটানো, ইসলামপন্থীদের চাপে পাঠ্যপুস্তক থেকে ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়বস্তু সরিয়ে ফেলা এবং শত শত মসজিদ নির্মাণ করা।

বিশ্লেষণটি এটিই স্পষ্ট করে যে, ২০২৬ সালের এই মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কেবল একটি রাজনৈতিক পালাবদল নয়, বরং এটি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে নরেন্দ্র মোদি ‘কংগ্রেস মুক্ত’ ভারতের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২০২৬ সালে এসে মনে হচ্ছে শুধু কংগ্রেস নয়, বিজেপি-বিরোধী মুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন মোদি ও তার রাজনৈতিক সহযোগীরা।

মমতা কি পারবেন আবার সেই আগের মতো রাজপথের লড়াকু নেত্রী হয়ে ফিরে আসতে? নাকি তিনি পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক স্মৃতি হয়ে থেকে যাবেন?

মোদি লেখেন, “বাংলার মানুষ বিজেপিকে এক অভূতপূর্ব জনমত দিয়েছেন। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি যে, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমাদের দল সম্ভাব্য সবকিছু করবে। আমরা এমন এক সরকার উপহার দেব, যা সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের জন্য সমান সুযোগ এবং মর্যাদা নিশ্চিত করবে।”

আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও বিদ্বেষমূলক প্রচারের অভিযোগ উঠেছে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির বিরুদ্ধে।

এমনিতেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর নামে বাংলাদেশি খোঁজার প্রক্রিয়ায় মানুষকে গ্রাস করেছে অভূতপূর্ব আতঙ্ক। চারিদিকেই তৈরি হয়েছে ভয়ের মহল। সেই ভয়ের পরিবেশকেই আর কঠিন করে তুলেছে আধা সেনার অতি-সক্রিয়তা।

এনডিএ-বহির্ভূত সদস্যদের নারী বিলের পক্ষে ভোট দিতে প্রলোভন, চাপ বা অন্য কোনো উপায়ে বাধ্য করতে সরকারপক্ষের ব্যর্থতা জাতীয় রাজনীতিতে একটি নির্ণায়ক মুহূর্ত। বিরোধীরা তাদের ভোট ধরে রাখতে পেরেছেন। এটা প্রমাণ করে দিচ্ছে যে মোদি-প্রণীত অজেয়–এই আভা বিলীন হচ্ছে।

জরিপ অবশ্য বলছে, ফের ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)। বিজেপিও ভোটের লড়াইতে রয়েছে। গতবার খাতা খুলতে না পারলেও এবার তারা মরিয়া বিধানসভায় খাতা খুলতে।

‘ধুরন্ধর’ কি প্রোপাগান্ডার একটি উত্তম উদাহরণ নয়? এটিও যদি প্রোপাগান্ডা না হয়, তাহলে প্রোপাগান্ডা আসলে কী বস্তু? আর এসব প্রোপাগান্ডা কি বিজেপি ও মোদি সরকার ছাড়া আর কারও পক্ষে যায়?

নরেন্দ্র মোদি বিশ্ববাসীর শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য ও সুখ কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আগামীতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই ঘটনা ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজারে তার ভূমিকাকে স্পষ্ট করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রও এখন ভারতের এই গুরুত্ব উপলব্ধি করেছে। আর সে কারণে ভারত ১ মাসের জন্য এই অনুমতি পেল। সংকট বাড়লে হয়তো এই অবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

দুই দিনের ইসরায়েল সফর শুরু করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। স্থানীয় সময় আজ বুধবার ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে এ তথ্য জানা গেছে।