
সর্বশেষ হালনাগাদের পর দেশে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। গত বছরের ১৮ নভেম্বরের হালনাগাদ করা তালিকার চেয়ে ভোটার বেড়েছে প্রায় ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন।

জাতীয় পার্টির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির হয়ে ১৯৬ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। তবে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণার জন্য দলীয়ভাবে কোনো অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

দলটির নির্বাচনী ইশতেহার ডিজাইন ও ছাপা, সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, আপ্যায়ন, নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহন, কেন্দ্রীয় নেতাদের সফর এবং আইসিসিতে বিজ্ঞাপনের খরচ হিসেবে এই ব্যয় দেখিয়েছে।

এতদিন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধনের সময় কেবল মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক বা স্নাতকোত্তর—এ ধরনের সাধারণ স্তরভিত্তিক শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করা হতো। নির্দিষ্ট কোনো ডিগ্রির নাম আলাদাভাবে যুক্ত করার সুযোগ ছিল না।

মমতা কি পারবেন আবার সেই আগের মতো রাজপথের লড়াকু নেত্রী হয়ে ফিরে আসতে? নাকি তিনি পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক স্মৃতি হয়ে থেকে যাবেন?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য মনোনীত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এনসিপির এই নেত্রী বলেন, “সরকারি চাকরি হিসেবে আমি যে পর্যায়ে কাজ করেছি, সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো ক্ষমতা ছিল না। কাজেই আমি মনে করি না যে এটা মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার মতো।”

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবুল হাসনাত মুহম্মদ আনোয়ারকে এনআইডি ডিজি হিসেবে বদলিপূর্বক প্রেষণে পদায়ন করা হলো।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রস ও বিজেপি– দু পক্ষই মনে করছে, এই বিপুলসংখ্যক ভোট তাদেরই সাহায্য করবে। এবারের নির্বাচনে ববিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম কাটা গেছে তালিকা থেকে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওপর সংখ্যালঘু–সংখ্যাগুরু সবাই ক্ষুব্ধ।

ব্যাংকের চাকরি ছাড়ার তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে জামায়াত জোটের এই প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র বাছাই প্রক্রিয়া আজ বুধবার থেকে শুরু হবে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “যাছাই-বাছাইয়ে কারো প্রার্থিতা বাতিল হলে আইন অনুযায়ী আসন উন্মুক্ত হয়ে যাবে। এরপর আমরা আবার একটা তফসিল দেব। ওই আসনে সবাই যার যার প্রার্থী দেবে। এরপর সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে ওই উন্মুক্ত আসনের প্রার্থী নির্বাচন করবেন।”

ইসি ৮ এপ্রিল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে, যেখানে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ মে।

একই বিষয়ে গত ৩ মার্চ জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের চিঠি কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

বিএনপির জোট ৩৬টা আসন, জামায়াত জোট ১৩টা আসন ও স্বতন্ত্র জোট একটি আসন পাবে।

সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও জোট গঠনের পথে হাঁটছেন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া চিঠি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জোটভিত্তিক এই সমীকরণে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মতোই ছয় স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যও সংরক্ষিত নারী আসনে একজনকে মন

আসন্ন উপ-নির্বাচন ও শূন্য আসনের ভোটগ্রহণ উপলক্ষে বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ নির্বাচনি এলাকায় আগামী ৯ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, নির্বাচন ভালোভাবে সম্পন্ন হলে আপত্তিগুলো সাধারণত ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরই সামনে আসে। এবারও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আগামী ৯ এপ্রিল এ দুটি আসনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে শেরপুর-৩ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করে ইসি। পরবর্তীতে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচনের আয়োজন করছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকাল সাড়ে ৪টায় পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হয়। পোস্টাল ভোটের জন্য প্রতিটি সংসদীয় আসনে একজন করে মোট ৩০০ জন প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেয় ইসি। তাদের তত্ত্বাবধানে ডাকযোগে প্রাপ্ত ব্যালটগুলো যাচাই ও গণনা করা হয়।