
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস মব ইস্যুতে কি সুস্পষ্ট অবস্থান নিতে পারেননি? সাংবাদিকদের নামে হত্যা মামলা কতটা যৌক্তিক? এসব নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন

পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতজুড়ে ‘মুসলিম নিপীড়নের’ প্রতিবাদে ১০ মে (২০২৬) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর মাধ্যমে বাংলায় বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হলেন তিনি। আজ শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এ শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। এর কী প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়বে? তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি কি এবার হবে? পুশ ইনের আশঙ্কা আসলে কতটা? এ নিয়ে বিএনপি, জামাায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, সিপিবি-বাসদসহ বাদ দলগুলো কী ভাবছে?
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে বিজয়ের পর বিজেপি প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করতে চলেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ মে পর্যন্ত মমতা-সরকারের মেয়াদ ছিল। বিধানসভার অস্তিত্বও আর নেই। এখন কী হবে? কেনইবা মমতার এমন ভরাডুবি? তার ‘মুসলিম ভোট ব্যাংকের’ কী হলো?

পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার আগামীকাল কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবেন। এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীগণ এবং বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন।

বিশ্লেষণটি এটিই স্পষ্ট করে যে, ২০২৬ সালের এই মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কেবল একটি রাজনৈতিক পালাবদল নয়, বরং এটি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন বিজেপি সরকার এই রাজ্যের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। তবে একটি বিষয় আমাদের মনে রাখা উচিত–শাসনের ধরন হতে হবে সুশৃঙ্খল এবং পদ্ধতিগত, যা অসংখ্য নাগরিকের (যাদের কথা ওপরে উল্লেখ করা হয়েছে) হৃদয় স্পর্শ করবে, যাতে আমাদের রাজ্য দ্রুত জাতীয় স্তরে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

ভোট পরবর্তী হিংসায় মধ্যমগ্রামে বিজেপি নেতা চন্দ্রনাথ রথ খুন হওয়ায় রাজ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপি সরাসরি শাসকদলের দিকে আঙুল তুললেও তৃণমূল সেই অভিযোগ অস্বীকার করে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। পুলিশি ধরপাকড় চললেও নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রাণহানি এবং সংঘাত এখন চরমে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির নানা দিক নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাংবাদিক তরুণ চক্রবর্তীর বিশ্লেষণে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির নানা দিক নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাংবাদিক তরুণ চক্রবর্তীর বিশ্লেষণে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির নানা দিক নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাংবাদিক তরুণ চক্রবর্তীর বিশ্লেষণে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন মোড়, পদত্যাগ করবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তাহলে কী হবে? ওদিকে বিজেপি বলছে, পদত্যাগ না করতে চাওয়া ‘হাস্যকর’।

মমতা কি পারবেন আবার সেই আগের মতো রাজপথের লড়াকু নেত্রী হয়ে ফিরে আসতে? নাকি তিনি পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক স্মৃতি হয়ে থেকে যাবেন?

দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পটপরিবর্তন হতে চলেছে। সরকারি কর্মচারীদের ডিএ অসন্তোষ, নারী ভোটারদের সমর্থন এবং আরজি কর-কাণ্ডের মতো বিষয়গুলো শাসকদলের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে বড় ভূমিকা পালন করেছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির অন্যতম বড় কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে মুসলমান ভোট বিভক্ত হয়ে পড়া। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা একচ্ছত্রভাবেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনেও মুসলমানদের তৃণমূলের ভোটব্যাংক মনে করা হলেও সেখানে বড় ধরনের বিভক্তি দেখা দিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫ মে (২০২৬) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান। ভিডিওটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

মমতা বলেন, “জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমাকে গিয়ে রেজিগনেশনটা দিতে হবে, নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।”

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির অন্যতম বড় কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে মুসলমান ভোট বিভক্ত হয়ে পড়া। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা একচ্ছত্রভাবেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনেও মুসলমানদের তৃণমূলের ভোটব্যাংক মনে করা হলেও সেখানে বড় ধরনের বিভক্তি দেখা দিয়েছে।

হেরে গেলেন তৃণমূল প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুরে প্রতিপক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রায় ১৯৩টি আসনে এগিয়ে থেকে ‘ম্যাজিক ফিগার’ পার করেছে গেরুয়া শিবির। দলীয় অভ্যন্তরীণ লক্ষ্যমাত্রা ১৮৫-এর গণ্ডিও ছাড়িয়ে গেছে তারা। ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসকে (টিএমসি) সরিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের নেপথ্যের কারণ কী?

এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এগিয়ে ১৯০ আসনে, তৃণমূল ৯৯ আসনে।