
দেশ ও জাতির কল্যাণে সরকার যে সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, সে সব ক্ষেত্রে আমাদের সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে উল্লেখ করে এই নেতা বলেন, “তবে দেশ ও জাতির ক্ষতি হয়–এমন কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ নেওয়া হলে আমরা আমাদের দায়িত্ব অনুযায়ী ভূমিকা পালন করব।”

জামায়াত আমিরের ওই চিঠি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী শ্যাডো ক্যাবিনেট বা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করতে চলেছে। অথচ নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন জামায়াত ক্ষমতায় আসতে চলেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তেমন হলো না। কেন? তারই তথ্যানুগ বিশ্লেষণ করেছেন চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসান।

বিভিন্ন মহলের সমালোচনার জবাবে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ১১ ডিসেম্বর রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছে বলেই আমি এ অবস্থানে আছি।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন নতুন সমীকরণ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তখন ছায়া মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।বিরোধী দল নিজেদের বিকল্প সরকার হিসেবে গড়ে তুলতে এই কাঠামো ব্যবহার করে। এটি শুধু সমালোচনার প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং বিকল্প শাসন ভাবনার পরীক্ষাগার।

শুরু থেকেই বাংলাদেশের নির্বাচন যেন অনিয়মের ইতিহাস। একেকটি নির্বাচন হয়েছে, আর কারচুপি, অনিয়মের নতুন নতুন পদ্ধতির সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে দেশের মানুষের। এদেশের নির্বাচনী ইতিহাস ‘সূক্ষ্ম’ থেকে ‘স্থূল’ কারচুপি, ‘আমি–ডামি’, ‘রাতের ভোট’ আর গৃহপালিত বিরোধী দল তৈরির ইতিহাসই যেন।

৭৬টি দল নিয়ে বাংলাদেশে গঠিত হয়েছিল একটি নির্বাচনী জোট, সম্ভবত এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক জোট। সেই জোটে কারা ছিলেন? জোট উদ্বোধন করেছিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি! দেশের কোন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছিল ‘গৃহপালিত বিরোধী দলের’ কৌতুক-ইতিহাস?

নোবেল কমিটি বলেছে, ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় মারিয়ার অক্লান্ত প্রচেষ্টা এবং স্বৈরশাসন থেকে গণতন্ত্রে ন্যায়সঙ্গত ও শান্তিপূর্ণ উত্তরণের সংগ্রামের জন্য তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।