
ত্রয়োদশ সংসদের শুরুর দিনেই হলো হট্টগোল। রাষ্ট্রপতিকে ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে ভাষণ বয়কট করল জামায়াত জোট। শোকপ্রস্তাবে উঠল যুদ্ধাপরাধীদের নাম। বিএনপি-জামায়াত পুরনো জোট কি কোনো অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা? এসব নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন চরচার বার্তা সম্পাদক ফজলুল কবীর এবং যুগ্ম বার্তা-সম্পাদক কাজী সাজিদুল হক।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ ঘিরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদে হট্টগোল দেখা দেয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “এই উদ্বোধনী অধিবেশন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। হাজারো শহীদের সিরিবেয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর একটি শান্তিপূর্ণ, অবাদ, সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়েই মহান জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হয়েছে।”

সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সংসদের শুরুর বৈঠক এবং বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। পরে সেই ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হয়। এই ভাষণ সরকার নির্ধারণ করে দেয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণকে কেন্দ্র করে রাজপথের দুই পুরনো মিত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি।

সংসদীয় দলের সভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় কী কী বিষয় প্রাধান্য দেওয়া হবে তা নিয়েও নির্দেশনা থাকতে পারে।

সাহাবুদ্দিন বলেছেন, নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারীবিষয়ক দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন।

‘হাজারো প্রাণের বিনিময়ে দেশ গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, সকল শহীদের আকাঙ্খার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আমাদের জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আরও সমৃদ্ধ হতে হবে। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করতে হবে। গড়ে তুলতে হবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ।

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কি আসলেই হয়েছে? বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ কি অন্য কারও হাতে? গণভোটকে জাস্টিফাই করতে ভোটের হার কি বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে? এসব নিয়ে চরচা সঙ্গে কথা বলেছেন সাংবাদিক মাসুদ কামাল

বরগুনা-২ আসনের এই সংসদ সদস্যকে আজ সোমবার চিফ হুইপ হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনের পর এমনটি আর কখনো হয়নি। ১৯৯১ সালের জুলাইয়ে দ্বাদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যায় বাংলাদেশ। এরপর থেকে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে সব সময়ই সভাপতিত্ব করেছেন বিদায়ী সংসদের স্পিকার।

২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিতে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের প্রেস সচিব নিয়োগ পেয়েছিলেন সরওয়ার আলম।

একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।